📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নবীজীর উপর এক চিকিৎসাবিদের আস্থা

📄 নবীজীর উপর এক চিকিৎসাবিদের আস্থা


জার্মানির প্রসিদ্ধ ডাক্তার ত্রুখ এর অভিমত আমি এখানে সংক্ষিপ্তভাবে ব্যক্ত করছি। তাতে প্রমাণিত হয়, ইসলামের শিক্ষা অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ, যে কোনো ধর্মের প্রত্যেক বিবেকবান লোক তা নির্দ্বিধায় মেনে নিবে।

উক্ত ডাক্তার লিখেন, আমাকে কুকুরে কামড়ানোর চিকিৎসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নীতিমালার অনুসরণ করি। সুতরাং আমি তাঁর সেই বাণীটুকু পাঠ করি, যার ভাবার্থ হল,

যে পাত্রে কুকুর মুখ লাগায় সেটি সাত বার ধুয়ে ফেলো। ছয়বার পানি দ্বারা এবং শেষ বার মাটি দ্বারা। এ হাদীস পাঠান্তে আমার ধারণা হল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো সম্মানিত নবীর শানে অনর্থক কথা বলা সমীচীন নয়। নিশ্চয়ই তার মধ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ রহস্য রয়েছে। তারপর আমি মাটির সকল প্রকার উপাদানকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতঃ কুকুর-কাটা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করতে শুরু করলাম।

অবশেষে আমার নিকট পরিষ্কার হয়ে গেল যে, কুকুরের ঝুটার বিষাক্ত প্রভাব দূরীকরণের জন্য মাটিই একমাত্র উপাদান। তাছাড়া মাটি সর্বদা হাতের কাছে পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসে আছে: "জ্বর হল জাহান্নামের অগ্নি উত্তাপ। সুতরাং তোমরা একে পানি দ্বারা নির্বাপিত কর।"

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ কথাকে নিয়ে চিকিৎসকগণ উপহাস করত। অথচ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উক্ত বাণীর মর্ম ছিল, জ্বরের উত্তাপকে তোমরা ঠাণ্ডা পানি দ্বারা শীতল করো। সে মতে আজ গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, জ্বরের চিকিৎসা শুধু ঠাণ্ডা পানিই নয় বরং দ্রুত পানি প্রবাহের মাধ্যমে করো।

মোটকথা, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসংখ্য হাদীস চিকিৎসা-বিদ্যার মূল। আর গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয়েছে। আমি পয়গম্বর আ.-কে সম্মান করি। আমি বলি, সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে অদ্যাবধি তাঁর সমকক্ষ কোনো চিকিৎসকের জন্ম হয় নি। (আহকামে ইসলাম আকল কি নজর মে)

আমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিশেষ মর্যাদা দান করি। এ গবেষণার ক্ষেত্রে আমাকে তাঁর মুখনিসৃত পবিত্র বাণী আলোর পথ দেখিয়েছে। আমি তাঁর সেই হাদীসটি পড়লাম। যার ভাবার্থ, যে পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তাকে সাতবার ধুয়ে ফেল। ছয়বার পানি দিয়ে; একবার মাটি দিয়ে। এ হাদীসটি দেখেই আমার স্মরণ হল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো ব্যক্তি কোনো ফালতু কথা বলতে পারেন না। নিশ্চয় এর ভিতরে কোনো গোপন রহস্য আছে। তাই আমি মাটির উপাদানগুলো নিয়ে গবেষণা আরম্ভ করলাম। প্রতিটি উপাদানকে কুকুরের কাটা রোগে পৃথক পৃথকভাবে ব্যবহার শুরু করলাম। অবশেষে নওশাদর ব্যবহার করতেই সকল জট খুলে গেল বুঝলাম, এ রোগের ঔষধ এটাই।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাটি দিয়ে পাত্র ধৌত করার প্রতি কেন উদ্বুদ্ধ করেছেন? তার কারণ হল, মাটিতে সব সময় নওশাদর থকেই। যদি তিনি নওশাদর দিয়ে পাত্র ধোয়ার নির্দেশ দিতেন, তবে অনেক সময় তা পাওয়া অসম্ভব হয়ে যেত। এ জন্য যে মাটি সর্বদা সর্বস্থানে পাওয়া যায়, তা দিয়ে পাত্র ধোয়ার উপদেশ দিয়েছেন।

এমনিভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস (ভাবার্থ) "জ্বর জাহান্নামের অগ্নির অংশ, একে পানি দ্বারা নিভাও।” এ নিয়ে চিকিৎসকগণ হাসাহাসি করত। অথচ এ ইরশাদ দ্বারা হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উদ্দেশ্য ছিল, পিত্ত জ্বরের চিকিৎসা ঠাণ্ডা পানি দ্বারা করো। সুতরাং এখন গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে, জ্বরের ঔষধ শুধু ঠাণ্ডা পানিই নয় বরং বরফের পানি। মোটকথা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনেক হাদীসই চিকিৎসার প্রাণ এবং মৌলিক উপাদান। গবেষণা, অনুসন্ধান ও অভিজ্ঞতার দ্বারা এ সত্যই ফুটে উঠে। আমি এ পয়গাম্বর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মান করি এবং বলি, সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত তার সমতুল্য দ্বিতীয় কোনো ডাক্তার বা কবিরাজ সৃষ্টি হয় নি। (আহকামে ইসলাম আকল কি নম্বর মে)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাছি ডুবিয়ে দেওয়ার রহস্য

📄 মাছি ডুবিয়ে দেওয়ার রহস্য


• সুনানে ইবনে মাজাহ এর মধ্যে হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাযি.) থেকে, বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: মাছির এক ডানায় রোগ থাকে এবং অপর ডানায় থাকে ঔষধ। তাই এটি যখন (তরল) খাদ্যে পতিত হয়, তখন একে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দাও। কেননা সে রোগবিশিষ্ট ডানাটি আগে ডুবায়।

মূলত বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকেও মাছির এক ডানায় মারাত্মক ভাইরাস থাকে এবং এটা তাৎক্ষণিক কার্যকরী ক্ষমতা রাখে। মাছি যখন কোনো খাদ্যে বসে তখন যে ডানায় জীবাণু থাকে সে ডানাটি খাদ্যে ডুবিয়ে দেয়। অথচ তার অপর ডানায় থাকে প্রতিরোধক ভাইরাস (Anti Virus)। যদি মাছিকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়, তখন প্রতিরোধক ভাইরাস খাদ্যের সঙ্গে মিশে মারাত্মক জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এতে খাদ্যটি স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অনুকূল হয়। নতুবা এ খাদ্যটিই জীবাণুযুক্ত হয়ে মানব ধ্বংসের কারণ হয়ে যেতে পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বিজ্ঞানের আলোকে শেভ করার ক্ষতি

📄 বিজ্ঞানের আলোকে শেভ করার ক্ষতি


দাঁড়ি রাখা সুন্নত। এমন সুন্নতের প্রতি অনীহা প্রদর্শন সুস্থ্যতার প্রতি অনীহা প্রদর্শনেরই শামিল। দাঁড়ির ফায়দা ও উপকারিতা শরী'আতের দৃষ্টিতে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। এর বৈজ্ঞানিক ও মেডিক্যাল উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে শেভের ক্ষতিসমূহ লিখা হচ্ছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডাক্তার মোর এর গবেষণা

📄 ডাক্তার মোর এর গবেষণা


বার্লিন ইউনিভার্সিটির ডাক্তার মোর শেভ, ব্লেড এবং সাবানের উপর দীর্ঘদিন গবেষণার পর যে ফলাফল পেয়েছেন, তা দিল্লীর মাসিক পত্রিকা 'স্বাস্থ্য' তুলে ধরেছে নিম্নরূপ:

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00