📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সুন্নাতে রাসূল

📄 সুন্নাতে রাসূল


ইসলাম অনেক জায়গায় গালি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আমি এ সম্পর্কিত হাদীসগুলি এখানে উল্লেখ করছি না। কেননা হাসীসের কিতাব থেকে সেগুলো অতি সহজে আপনারা দেখে নিতে পারবেন। নিম্নে গালির বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছি।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্যারাসাইক্লোজী এর গবেষণা (RESEARCH OF PARAPSYCHOLOGY)

📄 প্যারাসাইক্লোজী এর গবেষণা (RESEARCH OF PARAPSYCHOLOGY)


ইউরোপের এক প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানী লিড বিড় দি মাস্টার এণ্ড দি পাথ "The masters and the path" গ্রন্থে লিখেন:
Each word as it is uttered makes little form in etheric matter. The word "hate" for instance. produces a horrible form so much so that having seen its shape. I never use the word when I saw the form discomfort.
অর্থাৎ প্রতিটি শব্দ এর (ঊর্ধ্ব জগতে) একটা নির্দিষ্ট আকৃতি ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ 'ঘৃণা' শব্দটি খুবই ভয়ংকর আকৃতিতে বদলে যায়। আমি একবার এর আকৃতি দেখেছিলাম। তারপর থেকে ওই শব্দটি আর দ্বিতীয়বার ব্যবহার করার সাহস হয় নি। উক্ত দৃশ্যটি আমাকে চরম আঘাত দিয়েছিল। প্রতিটি শব্দ এক একটি এটম। যা থেকে আভ্যন্তরীণ শক্তির বিদ্যুৎ সঞ্চালন হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় এ মর্ত জগত ও সূক্ষ্ম জগতে প্রকাশিত হয়।

একটি সাধারণ উদাহরণ হল, গালি। এ গালি কোনো তরবারি অথবা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষের নাম নয় বরং তা কতকগুলি শব্দের সমষ্টি মাত্র। তবে মুখ থেকে বের হতেই সম্বোধিত ব্যক্তির শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ আগুন কোথেকে আসে? শব্দ থেকে? নাকি শব্দ সমষ্টি থেকে? না, এটা বরং ওই ব্যক্তির অন্তরের আগুন, যার থেকে গালী বের হয়। আর এ আগুন গালির মাধ্যমে অন্যের মধ্যে প্রবেশ করে। লিড বেড় বলেন: আমি আপনাদের বলব, কখনও গালি দিবেন না। কারণ, তা চমৎকার আকৃতিও বিকৃত করে দেয়।
ইসলাম যে সকল বিষয় স্বভাবত নিষেধ করেছে, আধুনিক বিজ্ঞান (Modern Science) সেগুলি গবেষণার পর নিষেধ করেছে। সুতরাং বলা যায়, গালী একটি নেগেটিভ (নেতিবাচক) শক্তিশালী রশ্মি। আর এটা নিঃসন্দেহে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে থাকে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00