📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 লিপল গিরলিপ এর (THE CHIEFS OF PUNJAB)-এ প্রকাশিত অভিমত

📄 লিপল গিরলিপ এর (THE CHIEFS OF PUNJAB)-এ প্রকাশিত অভিমত


স্যার লিপন গিরলিপন "সিয়াসাতে ফেরাউন ইয়াদি চিপ অব পাঞ্জাব" নামক প্রসিদ্ধ কিতাবে আর একটি কথা বাড়িয়ে বলেছেন, লাঠি হল শরীরের অবলম্বন এবং সঙ্গী। শরীরের শিরা-উপশিরার উপর লাঠির একটি বিশেষ প্রভাব রয়েছে। যার হাতে সর্বদা লাঠি থাকে ওই লাঠির অদৃশ্য প্রভাব তার শরীর ও রূহের উপর পতিত হতে থাকে। এরূপ ব্যক্তি কখনও ভীরু বা ভয়কাতুর হয় না। আমি পাঞ্জাবের আমীর এবং সর্দার লোকদের হাতে লাঠি রাখতে দেখেছি। যাদের হাতে আমি লাঠি দেখেছি, তাদেরকে আমি সাহসী ও দূরদর্শী পেয়েছি। নিঃসন্দেহে লাঠি সকল নবী-রাসূলের সুন্নাত। হযরত মূসা আ.-এর লাঠি প্রসিদ্ধ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার উপদেশ

📄 মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার উপদেশ


• হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও কখনও খালি পায়ে চলার উপদেশ দিয়েছেন। (মামূলাতে নববী)

জুতা পায়ের সঙ্গে আটকা অবস্থায় থাকে। আর সর্বক্ষণ এরূপ পায়ের সঙ্গে লেগে থাকা জুতা অসংখ্য রোগ সৃষ্টির কারণ হয়। বিশেষ করে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগের জীবাণু (Contagious Germs) জুতার সঙ্কীর্ণতার কারণে জুতার সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে। যদি উক্ত পা জমিনে রাখা হত, তা হলে পায়ে বাতাস লাগার কারণে পায়ে লেগে থাকা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভাইরাসগুলি (Virus) খতম হয়ে যেত। পায়ে মাটি লাগার কারণে মাটিস্থ এন্টি সেপটিক (Anti-Septic) অর্থাৎ পচন নিরোধক পদার্থের দরুন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়।

জুতা যদি রবার অথবা প্লাস্টিকের হয়, তবে উক্ত হাদীসের ভাষ্য একেবারেই যথাযথ। কেননা সে সকল জুতার উত্তাপে পায়ে আগুন লেগে যায় (এটা অবশ্য ভিন্ন কথা যে, আমরা ওই অসহ্য গরম সকলেই সহ্য করে নিতে সকলেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি)। সুতরাং আমাদের জুতা থেকে মাঝে মধ্যে পা বের করে জমিনের উপর খালি পায়ে হাঁটা উচিত।

অধিকাংশ দক্ষ স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী (Hygiene) প্রতি দিন খুব সকালে মাটি এবং ঘাসের উপর খালি পায়ে চলার উপর বিশেষ জোর দেন। এতে মস্তিষ্কের দুর্বলতা, শুষ্কতা এবং শিরাতন্ত্রীর ক্ষয় থেকে রেহাই পাওয়া পরীক্ষিত।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রোগীকে অধিক খাওয়ার উপর পীড়াপীড়ি না করা

📄 রোগীকে অধিক খাওয়ার উপর পীড়াপীড়ি না করা


• হাদীস গ্রন্থে রোগীকে অধিক খাওয়ার উপর তাগিদ না করার অসংখ্য নির্দেশ পাওয়া যায়। (যাদুল মা'আদ)

রোগীর সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল থাকে। এ দুর্বল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অধিক শক্তির কাজ করতে পারে না। শক্তিশালী খাদ্য সহ্য করতে পারে না। তখন পরিপাকতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তা সকল প্রকার খাদ্য হজম করার সামর্থ্য রাখে না। তাই রোগীকে হালকা ও দ্রুত হজমযোগ্য খাবার খাওয়ানো হয়। রোগীকে যদি অধিক খাবার খাওয়ানো হয় অথবা অধিক খাদ্য গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়, তা হলে রোগীর রোগ বেড়ে যাবে। এমনকি মৃত্যুর আশঙ্কা পর্যন্ত রয়েছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বাস্তব অভিজ্ঞতা

📄 বাস্তব অভিজ্ঞতা


কোনো এক ব্যক্তি অল্প কয়েকদিন অসুস্থ ছিলেন। এতে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। একদিন ঘরে মাছ রান্না হচ্ছিল। তার এমন ঘ্রাণ ছুটছিল যে, তিনি মাছ খাওয়ার লোভ সামলাতে পারছিলেন না। বাড়ির লোকেরাও পীড়াপীড়ি করে বলতে লাগল- কিছু খেয়ে নাও, শক্তি বাড়বে। ওই ব্যক্তিও যথেষ্ট পরিমাণ রুটি এবং মাছ খেয়ে নিলেন। কিন্তু মাছ হজম হল না তার। সন্ধ্যাবেলায় বমি শুরু হয়ে গেল। রোগ আরও বেড়ে গেল। পরের দিন উক্ত রোগী এ নশ্বর পৃথিবী ত্যাগ করল।

বিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূলনীতি হল, রোগীর চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রাখবে এবং তাকে কোনো কিছু খাওয়ার ক্ষেত্রে পিড়াপীড়ি করবে না বরং তার পরিপাকতন্ত্রকে এমন শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে, যেন নিজ থেকেই খাদ্যের চাহিদা হয়। এটাই আসল চিকিৎসা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00