📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান 📄 প্যারাসাইক্লোজী এর গবেষণা (RESEARCH OF PARAPSYCHOLOGY)

📄 প্যারাসাইক্লোজী এর গবেষণা (RESEARCH OF PARAPSYCHOLOGY)


চোখে দেখা যায় না এমন গুপ্ত জ্ঞান অনুসন্ধানের নাম প্যারাসাইক্লোজী। বিশেষজ্ঞদের মতে মূলত প্রত্যেক ব্যক্তির চক্ষু হতেই অদৃশ্য আলোকরশ্মি বের হয়ে থাকে, যার মধ্যে আবেগময় শক্তির বিদ্যুৎ (Emotronal Energy) থাকে। এ সকল বিদ্যুৎ দ্রুত লোমকূপের মাধ্যমে শরীরের মধ্যে সঞ্চারিত হওয়ায় শরীরের স্বাভাবিক গঠনের অবনতি ঘটে।

যদি আবেগময় শক্তির বিদ্যুৎ প্রবাহ বা আলোকরশ্মি পজেটিভ (+) হয়, তা হলে মানুষের উপকার হয় আর যদি এ রশ্মি নেগেটিভ (-) হয়, তবে অব্যাহত ক্ষতি হতে থাকে। কুদৃষ্টি সম্পন্ন ব্যক্তিদের চক্ষু থেকে নির্গত রশি মূলত নেগেটিভ হয়ে থাকে এবং এর মধ্যে এত শক্তি নিহিত থাকে যে, শরীরের স্বাভাবিক নিয়ম শৃঙ্খলাকে ওলট-পালট করে দেয়।

কোনো এক কুদষ্টি সম্পন্ন ব্যক্তি কোনো সুন্দর একটি মাকড়শা দেখে এর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করায় অন্য এক ব্যক্তির চেহারা কালো হয়ে গিয়েছে। তার রক্তে মিলানিন (Melanin) বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রুত রং কালো হয়ে যায়। মোটকথা, (বদ-নযর সম্পর্কিত) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী সঠিক। আর বদনজরের প্রতিরোধ হয় পবিত্র কুরআন এর মাধ্যমে। কুরআনের সূরা নাস ও সূরা ফালাক এবং সূরা ইখলাস বা সূরা কাফিরূন ওই নেগেটিভ বা নেতিবাচক রশিকে দূর করে দেয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px