📄 খাত্না (CIRE UMCISION)
খাতনা একটি খাঁটি মুসলমানী নিয়ম ও নিদর্শন। কোনো কোনো ধর্মে খাতনার প্রচলন এবং নিয়ম নেই। যে সকল ধর্মে খাতনা নেই, তাদের এমন এমন রোগ হয়, যা খাতনাকারীদের মধ্যে নেই।
ডাক্তার ওয়াচার খাতনা সম্পর্কে গবেষণায় উল্লেখ করেছেন,
• যাদের খাতনা করা হয়, তারা লজ্জাস্থানের ক্যান্সার থেকে নিরাপদ থাকেন。
• যদি খাতনা না করা হয়, তাহলে প্রস্রাবে বাধা, মূত্রথলিতে পাথরী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনেকে খাতনা না করার কারণে বৃক্কে পাথরী (Kedny Stones) রোগে আক্রান্ত হয়।
• খাতনার ফলে পুরুষরা অতিরিক্ত উত্তেজনা ও আজেবাজে চিন্তা থেকে রেহাই পায়।
• কোনো কোনো মারাত্মক রোগের জীবাণু লিঙ্গের বাড়তি চামড়ার ভিতরে বাড়তে থাকে। যার ফলে লিঙ্গে একজিমা, ঘা ও এলার্জি হয়ে যায়।
• সিফিলিস (Syphilis), গনোরিয়া (Gonorhia) এবং মারাত্মক এ্যালার্জির চিকিৎসা সে সকল পুরুষদের ক্ষেত্রেই জটিলতা সৃষ্টি করে, যারা খাতনা করে না। (সায়েম আওর দুনিয়া) আরও দেখা গেছে, খাতনা না হওয়ার ফলে অনেকেই সন্তানহীন থাকে। অনেকের যৌনশক্তিতে দুর্বলতা দেখা যায়। আবার দু'শ্রেণীই পরমানন্দ মানবীয় অধিকার লাভ থেকে বঞ্চিত থাকে।
📄 খাত্না ও বিশ্বের অন্যান্য জাতি
বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রতিটি দেশ ও গোষ্ঠী তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন নিয়ম-পদ্ধতি অবলম্বন করে; বহু পূর্ব থেকেই এরূপ হয়ে আসছে। নাভি কাটার পর বাচ্চাকে গোসল দেওয়া, তারপর তাকে খুটি (একপ্রকার ঔষধ যা বাচ্চার পেট পরিষ্কার করে) পান করানো ইত্যাদি এমন একটি নিয়ম, যা সারা দুনিয়ায় পালিত হয়ে থাকে।
কিন্তু খান্নার রেওয়াজ একমাত্র ইবরাহীমী অনুসারীদের মাঝে পাওয়া যায়। তারা একে একটি ধর্মীয় নিদর্শন মনে করে। অবশ্য খ্রিস্টানরা এ কাজটি ছেড়ে দিয়েছে। মুসলমান এবং ইহুদিরা এটা কঠোরভাবে এখনো পালন করে থাকে।
কোনো কোনো পশ্চিমা খ্রিস্টানদের মতে হযরত ইবরাহীম আ.-এর পূর্বেও এ নিয়ম ছিল। এরূপ হতেও পারে। তবে তাওরাতের ভাষ্যমতে সর্বপ্রথম হযরত ইবরাহীম আ. ৮০ বৎসর বয়সে আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পেয়ে নিজেও আমল করেছেন এবং পরিবারের সবাইকে আমল করিয়েছেন। এমনকি গোলামদেরকেও। আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে তাঁর শর্তও ছিল, আল্লাহ তা'আলা তাঁর ভবিষ্যৎ বংশধরদের মধ্যেও এ সুন্নত চালু রাখবেন। এ অঙ্গীকার অনুসারে হযরত ঈসা আ.-কে জন্মের অষ্টম দিনে তাঁর খাতনা করানো হয়েছিল।
পশ্চিমা চিকিৎসকগণ খাতনার উপকারিতা ভালভাবেই বুঝেন। কিন্তু খ্রিস্টান বিশ্বের ঘৃণার ফলে এর প্রচলন করতে তারা ভয় পান। অবশ্য কোনো কোনো রোগের চিকিৎসা করা এটা ছাড়া সম্ভব হয় না। তখন তারা খাতনা করতে বাধ্য হন।