📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইউরোপের শিক্ষণীয় একটি ঘটনা

📄 ইউরোপের শিক্ষণীয় একটি ঘটনা


ইংল্যাণ্ডের একটি চিকিৎসা সাময়িকীতে একটি শিক্ষণীয় ঘটনা ছেপেছিল। মেরী নামের একটি মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে তার মা তাকে খুব ভালো পাত্রের কাছে বিবাহ দিল। স্বামী অত্যন্ত প্রতাপশালী ও সামাজিক ছিল। তার ঘরে একটি কন্যা সন্তানও জন্ম নিল। মায়ের আর কোনো সন্তান না থাকায় সে মেয়ের সাথেই থাকত এবং নাতনিকে লালন-পালনে সহযোগিতা করত। নাতনী যখন একটু বড় হয়ে গেল এবং নিজের পোশাক-পরিচ্ছদ নিজেই পালটাতে সক্ষম হলো, তখন মেরী ভাবল, মায়ের জন্য ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এজন্য বৃদ্ধাকে এখান থেকে সরাতে হবে। মা বৃদ্ধা-ভাতা পেতেন। সুতরাং মেরী তার মাকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে 'ওল্ড হাউজে' (Old house) দিয়ে এল।

মা মেয়েকে বুঝানোর অনেক চেষ্টা-তদবীর করল। ঘরে তার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্মরণ করিয়ে দিল। কিন্তু মেরী মাকে বলল, আমার চার কামরার ফ্লাট এখন আমাদের জন্য সঙ্কীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। এখন আপনি এখান থেকে চলে গেলেই ভালো হয়। মেরীর কন্যা এলিজাবেথের তার নানীর সঙ্গে খুব ভাব জমে গিয়েছিল। তার আবেদনও নাকচ হয়ে গেল। অবশ্য মায়ের সাথে ওয়াদা হলো, প্রতি রবিবার তার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তাকে বাসায় আনবে।

মাকে ওল্ড হাউজে পৌঁছানোর পর ধীরে ধীরে সাক্ষাতে দেরি হতে লাগল। সপ্তাহে রবিবার ছুটির দিন হওয়ার কারণে ঘরে মেহমান আসা-যাওয়া করে। তাদের উপস্থিতিতে ঘরে একজন দুর্বল বৃদ্ধার আগমন ভালো দেখায় না। বিধায় ওল্ড হাউজেই মায়ের বসবাস সুনির্ধারিত হয়ে গেল। এদিকে মা কিন্তু অক্ষম ও দুর্বল বৃদ্ধাদের মাঝে থেকেও তাদেরকে স্মরণ করত। ভালবাসা ও মমতাপূর্ণ বড় বড় চিঠি প্রেরণ করত। নাতনী এলিজাবেথের কাছে স্নেহ-মায়া ও ভালবাসা পাঠাত। কিন্তু সে চিঠির উত্তরের অপেক্ষাতেই থাকত। কন্যা তার মাকে চিঠিতে লিখল, বড়দিনের উৎসবে অবশ্যই মাকে ঘরে আনতে যাবে।

মা বেচারী পকেট খরচ থেকে এক পয়সা করে বাঁচিয়ে উল ক্রয় করল এবং দিবারাত্র খেটে-খুটে প্রিয় নাতনীর জন্য টুপি, মাফলার এবং সোয়েটার তৈরি করতে লাগল। বড়দিন আসতে আর মাত্র অল্প ক'দিন বাকি। এদিকে বুনন কাজ কিছু বাকি রয়ে গেছে। তাই ২৪ শে ডিসেম্বর কঠিন বরফপাত হওয়া সত্ত্বেও বিল্ডিংয়ের বেলকনিতে চেয়ার পেতে বসে কলিজার টুকরা প্রিয় নাতনীর উপহারে কাজ সম্পন্ন করতে লাগল। কঠিন শীতে বেলকনিতে বসার আরেক কারণ ছিল, যখন তাকে নেওয়ার জন্য ট্যাক্সি আসবে, তখন তাদেরকে যেন অপেক্ষা করতে না হয়।

ওল্ড হাউজের ন্যান্সী নামের এক সেবিকা তাঁর সেবায় অত্যন্ত যত্নবান ছিল। সে বৃদ্ধাকে হিটার রুমে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করল। কিন্তু মা পরিবারের লোকজনদের দেখার জন্য অধীর হয়ে ছিল। তাই কোনো ক্রমেই সেখান থেকে অন্যত্র যেতে রাজী হলেন না। ন্যান্সী একটি কম্বল এনে তার গায়ে জড়িয়ে দিল। বারবার ঘরে যাওয়ার অনুরোধ জানানোর সাথে সাথে চা-ও দিতে লাগল। এভাবে সকাল হয়ে গেল, কিন্তু তাকে নেওয়ার জন্য কেউই আসল না। দুর্বলতা, রাত্রি জাগরণ এবং প্রচণ্ড হিমেল হাওয়ায় সারারাত বসে থাকার কারণে তার নিউমোনিয়া দেখা দিল।

মেয়ে নিজে আসার সুযোগ পেল না। এমনকি সে একবার ফোন করেও মায়ের খবর নিতে পারল না। ইতোমধ্যে মা মারা গেল। মেরী সংবাদ পেয়ে মায়ের কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করল। কিছুদিন পর মেরী মায়ের সামানপত্র আনার জন্য ওল্ড হাউজে গেল, তখন সে সেখানকার সেবিকা ন্যান্সীর কৃতজ্ঞতা আদায় করল। কারণ, সে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মায়ের সেবা করেছে। এরপর মনে মনে ভাবল, ন্যান্সী বাস্তবিকই একজন সেবিকা মেয়ে। তাকে বাসায় কাজের জন্য নিয়ে গেলে মন্দ হয় না। তাই সে ভালো বেতনের লোভ দেখিয়ে ন্যান্সীকে তার সাথে বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব করল। ন্যান্সী হেসে হেসে বলল, আমি আপনার বাড়িতে অবশ্যই যাব। তবে তার আগে আল্লাহ তা'আলার ইনসাফ দেখে নিব। যেদিন আপনার মেয়ে এলিজাবেথ আপনাকে ওল্ড হাউজে রেখে যাবে, সেদিন আমি তার সাথে সেবার জন্য চলে যাব। এটি নিছক একটি ঘটনাই নয় বরং এটা বাস্তব সত্য। বর্তমানে মডার্ন পরিবারগুলোতে মাতা-পিতা একটি ফালতু বস্তুতে পরিণত হয়েছে। তাদের সেবা তো দূরের কথা বরং নতুন প্রজন্ম তাদের চেহারা দেখতেও রাজী নয়।

হযরত ওয়ায়েস করনী রহ. ইসলামের পয়গাম শুনে ইসলাম পছন্দ করলেন এবং মক্কায় গিয়ে বাই'আত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। তাঁর মা তখনো জীবিত ছিলেন। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উপস্থিতি ছাড়াই তাঁর ইসলাম গ্রহণ কবুল করলেন। তাঁকে নসীহত করলেন, তিনি যেন মায়ের খেদমত করতে থাকেন। কেননা জান্নাত মায়ের পদতলে। এরপর তিনি সংবাদ পেলেন, উহুদের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাঁত মুবারক শহীদ হয়ে গেছে। নবী-প্রেমে পাগলপারা এবার পাথর দ্বারা নিজের দাতগুলিও ভেঙে ফেললেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে উপস্থিত হওয়ার ভাগ্য হয় নি। তাঁর মা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তিকালের পরও জীবিত ছিলেন। তাই তিনি তার যিয়ারত থেকে মাহরূম ছিলেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীর মর্যাদা লাভের জন্য জরুরি হলো বালেগ অবস্থায় তার দর্শন লাভ করা এবং মৃত্যু পর্যন্ত ইসলামের উপর অটল থাকা। হযরত ওয়ায়েস করনী রহ.-এর হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাতও হয় নি এবং তিনি তাঁর পবিত্র হাতে ইসলামও গ্রহণ করেন নি। তাঁকে মায়ের খেদমতের প্রয়োজনীয়তার কারণে এগুলি থেকে বাদ রাখা হয়েছে। সরাসরি উপস্থিত না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সাহাবিয়াতের মর্যাদা দান করা হয়েছে (অবশ্য এতে কারও কারও মতভেদও আছে)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মজলিসে ওয়ায়েস করণী রহ.-এর কথা উল্লেখ করেছেন এবং প্রতিবারই তাঁকে আপন বন্ধুর মর্যাদা দান করেছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইসলাম ও মাতাপিতার খেদমত

📄 ইসলাম ও মাতাপিতার খেদমত


সূরা বনী ইসরাঈলে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, “তোমাদের পালনকর্তা আদেশ করেছেন তোমরা তিনি ব্যতীত আর কারও ইবাদত করো না এবং আপন মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করো।” হযরত আবু উমামা বাহেলী রহ. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সন্তানের উপর মাতা-পিতার হক কতটুকু? ইরশাদ হলো, “মাতা-পিতাই তোমার জন্য জান্নাত অথবা জাহান্নাম।”

অর্থাৎ পিতা-মাতার খেদমত করলে জান্নাত পাওয়া যাবে। যেমন : হযরত ওয়ায়েস করনী রহ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে না দেখা সত্ত্বেও ঘরে বসেই সাহাবীর মর্যাদা লাভ করেছেন এবং দুনিয়া ও আখেরাতের মঙ্গল লাভ করেছেন। কিন্তু কেউ যদি এর বিপরীত করে অর্থাৎ তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে, তা হলে সে জাহান্নামের উপযোগী হবে। যে ব্যক্তি বৃদ্ধ বয়সে মাতা-পিতার খেদমত করল না, সে নিজে বৃদ্ধ বয়সে আপন সন্তানদের কাছ থেকে কিভাবে খেদমতের আশা করতে পারে?

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 একটি শিক্ষণীয় ঘটনা

📄 একটি শিক্ষণীয় ঘটনা


লাহোরে বড় একজন রঙ ব্যবসায়ী ছিলেন। ১৯৫৩ সালে তার ব্যবসা লাখের কোঠা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সম্পদ বেড়ে যাওয়ায় তার অহঙ্কার বেড়ে গিয়েছিল। মানুষকে মানুষ মনে করত না। একদিন তার মা তাকে কাছে বসিয়ে কিছু উপদেশ দিতে চাইলেন। যেন মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করে এবং অন্যদেরকেও মানুষ মনে করে। মায়ের উপদেশগুলো তার কাছে ভীষণ খারাপ লাগল। তাই মাকেই সে গালিগালাজ আরম্ভ করল। তাঁকে একটি থাপ্পড়ও মারল। এ ঘটনার এক বছরের ভিতরই তার ব্যবসায় ধস নামল। শেষ পর্যন্ত দোকানও বিক্রি করতে হলো। অবশেষে তাকে দু'বেলা খাবারের জন্য মাজারের বাইরে বসে থাকতে হতো।

এ ধরনের লোকেরা দীর্ঘদিন জীবিত থাকে। এদেরকে অন্যদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য দীর্ঘদিন জীবিত রাখা হয়। কুরআনে মাজিদে মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহারের ব্যাপারে বিভিন্ন স্থানে বেশ জোর দিয়েছে এবং তাদের সাথে সদ্ব্যবহারের উপায় ও পন্থা বর্ণনা করে দেওয়া হয়েছে। যেমন, আল্লাহ তা'আলা মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহারের প্রতি জোর দিয়ে বলেছেন- আমি মানবজাতিকে আদেশ করেছি, তারা যেন আপন পালনকর্তা ও মাতা-পিতার কৃতজ্ঞতা আদায় করে।” আমাদের জন্য যেরূপ আপন পালনকর্তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন জরুরি, তেমনিভাবে মাতা-পিতার কৃতজ্ঞতা আদায়ও অত্যাবশ্যক।

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে মায়ের দুর্ব্যবহারের নালিশ করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার মায়ের অনুগ্রহের প্রতিদান পূর্ণ করেছ? সে জবাব দিল, আমি তাকে কাঁধে করে হজ্ব করিয়েছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি কি তার খেদমতের সবকিছুই ফেরত দিতে পেরেছ? যখন তাকে বার বার মায়ের অনুগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলো, তখন তার টনক নড়ল যে, আম্মা-আব্বা যদি বাড়াবাড়িও করেন, তবু তা সহ্য করা আমার কর্তব্য। কুরআন মজীদের একটি আয়াত থেকে তা-ই সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়। “যদি তাদের একজন অথবা উভয়েই তোমাদের জীবদ্দশায় বৃদ্ধ বয়সে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে কখনো 'উহ্' শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে কখনো ভৎর্সনা করো না।” উহ্ বলার পরিস্থিতি তখনই সৃষ্টি হয়, যখন কেউ কোনো কষ্ট পায়। অর্থাৎ তারা যদি তোমাকে কোনো প্রকার কষ্ট দেন, তখন তোমার করণীয় হলো, তুমি তার প্রতিটি কাজকে হাসিমুখে এবং সৎগুণে বরণ করে নিবে। তাদের দুর্ব্যবহারের জবাবে ভর্ৎসনা করা কুরআনে মাজিদে নিষেধ করা হয়েছে।

আর কুরআন মাজীদ যে কাজ থেকে বারণ করে, সেটি করা হারাম হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন: ওই ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক, লাঞ্ছিত হোক, লাঞ্ছিত হোক! লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! কোন ব্যক্তি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যে ব্যক্তি আপন মাতা-পিতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েছে। অথচ তাদের খেদমত করে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে নি।” মাতা-পিতার খেদমত ওই অনুগ্রহের প্রতিদান, যা মাতা-পিতা তার লালন-পালনের সময় করেছিলেন। ইহসানকে ইহসান মনে করা এবং ইহসানকারীর প্রতিদান দেওয়ার অভ্যাস ঘর থেকেই শুরু করতে হয়।

যখন কেউ এ কথা অনুভব করতে পারে, তখন সে অন্যের প্রতিও কৃতজ্ঞ হতে শিখে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি মানুষের শুকরিয়া আদায় করে না, সে আল্লাহ তা'আলারও শুকরিয়া আদায় করে না। অন্যের ইহসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার সুযোগ প্রতিটি মুসলমানের জীবনে বার বার আসে। আম্মা-আব্বার গোনাহ মাফের জন্য দু'আ করাও একজন মুসলমানের জন্য একটি বিশেষ সওয়াবের কাজ। আর আল্লাহ তা'আলা নিজেই দু'আ করার পদ্ধতি এভাবে শিক্ষা দিয়েছেন, “হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমার আব্বা-আম্মার প্রতি রহম করুন! যেমনি তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।”

হযরত আবু হুরাইরাহ রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা হকদার কে? হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার আম্মা। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তারপর কে? হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার আম্মা। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তারপর কে? হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার আম্মা। তিনি আবারও জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার আব্বা। সুতরাং আম্মা-আব্বার সম্মান করা, তাদের সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা, তাদের ইহসানের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা এমন একটি শিক্ষা, যা একজন মানুষের উত্তম চরিত্রের শামিল। তাই সর্বদা আম্মা-আব্বার খেদমত করা এবং তাদের জন্য সর্বদা দু'আ করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য একান্ত জরুরি।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রথম খণ্ড সমাপ্ত

📄 প্রথম খণ্ড সমাপ্ত


প্রথম খণ্ড সমাপ্ত

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00