📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গুরুত্ব ও তাৎপর্য

📄 গুরুত্ব ও তাৎপর্য


আত্মিক ও মানসিক রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তার ও গবেষক নিকলসন ও মনোবিজ্ঞানের প্রধান শিক্ষক প্রফেসর মিলন কিস্স্স এর রিপোর্ট এবং গবেষণার প্রতি গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তাদের উভয়ের বক্তব্যই অভিন্ন। তারা বলেন, বার্ধক্যে সন্তানদের প্রতি পিতা-মাতার স্নেহ-ভালবাসা অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেতে থাকে। তখন সন্তানদের প্রতি পিতা-মাতার মহব্বতপূর্ণ দৃষ্টি অত্যন্ত কার্যক্ষম হয় এবং তাদের সুস্থতা ও প্রশান্তির বিরাট কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পিতা-মাতা সহস্র মাইল দূরে থেকেও শুভকামনার ভিত্তিতে এক অদৃশ্য রশ্মি সন্তানদের প্রতি নিক্ষেপ করেন। পিতা-মাতা রোগাক্রান্ত হলেও তাদের এ অদৃশ্য রশ্মির শক্তি দুর্বল হয় না বরং বৃদ্ধি পেতে থাকে। পিতা-মাতা নিকটে থাকলে তাদের স্নেহময় পুণ্যদৃষ্টির কারণে আগত অদৃশ্য রশ্মি সন্তানদের দেহের উপর বিরাট প্রভাব ফেলে। ফলে তাদের দেহ ও মন সতেজ ও শক্তিশালী হয়। পিতা-মাতার সংস্পর্শে সন্তানদের মানসিক সমস্যা দূর হয়। তাদের এ মানসিক চাপ দূর হওয়ার ফলে শরীর ভালো থাকে।

আমি যখন আমার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার দৃষ্টি বিনিময় করি, তখন শান্তি ও স্থিরতা ফিরে পাই। সমস্ত পশ্চিমা অভিজ্ঞমহল ধারাবাহিক গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, কোনো ব্যক্তি যখন মাতা-পিতার কথা মেনে চলে, তখন তাদের গোপন হৃদয় কিরণের ইউনিটে কম্পন সৃষ্টি হয়। তারপর তা থেকে উপকারী হৃদয়কিরণ বের হয়ে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে, যা তার সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের কারণ হয়। এ হৃদয়কিরণই তার আশপাশে দুর্ভেদ্য প্রাচীর রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তাকে সর্বপ্রকার বিপদাপদ ও দুঃখ-কষ্ট থেকে হেফাজত করে।

এরপর যখন এ ব্যক্তিই মাতা-পিতার অবাধ্য হয় তখনও মাতা-পিতার গোপন হৃদয় কিরণের ইউনিটে কম্পন সৃষ্টি হয়। কিন্তু তৎসঙ্গে তখন মাতা-পিতার ক্রোধ, মনের ব্যথা ও ফরিয়াদ যুক্ত থাকে। তাই তা থেকে ক্ষতিকর কিরণ বের হয়ে তার ক্ষতি সাধন করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাতা-পিতার সহিত সদ্ব্যবহার ও তার ফলাফল

📄 মাতা-পিতার সহিত সদ্ব্যবহার ও তার ফলাফল


একজন ডাক্তার হিসেবে আমি বিভিন্ন প্রকারের লোকের মৃত্যুকালের অবস্থা দেখেছি। জনৈক মৃতব্যক্তি আমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় রেখে গিয়েছে। আমি স্বচক্ষে দেখেছি, যারা মাতা-পিতার কথা মেনে চলেও সদ্ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলা তাদের দুনিয়ার সকল মুশকিল আসান করে দেন। এমনকি তাদেরকে এমন কষ্টদায়ক ব্যাধি থেকেও মুক্তি দান করেন, যার ঔষধ আমাদের কাছে নেই। তাদের ভালো মৃত্যুও নসীব হয়।

আর যারা আপন মাতা-পিতার সাথে দুর্ব্যবহার করে, তারা দুনিয়াতেই শান্তি পেয়ে যায়। তাদের মৃত্যু হয় অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে মাতা-পিতার সঠিক মূল্যায়নের তাওফীক দান করুন। এখানে কয়েকটি বাস্তব ঘটনা উল্লেখ করছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00