📄 একটি মজার ঘটনা
শাহজাদা জাহাঙ্গীর নবাব জঈন খানের অপরূপা কন্যাকে দেখেই তো আত্মহারা হয়ে তাকে হৃদয় দান করেছিলেন। তিনি একবার মিনা বাজারে আঙ্গুরী পার্কের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সম্মুখ থেকে আসা নবাব জঈন খানের সুন্দরী কন্যার প্রতি তাকাতেই শাহজাদার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তখন তাঁর প্রেয়সী তাঁর দিকে এগিয়ে আসছিল। এ সময় শাহজাদার হাতে ছিল একজোড়া কবুতর। শাহজাদা তাকে দেখে বললেন, তুমি এ কবুতর জোড়া হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর। আমি শীঘ্রই ফিরে আসব। ফিরে এসে দেখল, রূপসীর হাতে মাত্র একটি কবুতর আছে। প্রশ্ন করল, অপর কবুতরটি কোথায়? উত্তর হলো, উড়ে গেছে। প্রশ্ন করা হলো, কিভাবে উড়ে গেল? মেয়েটি তার হাতের অপর কবুতরটিকে ছেড়ে দিয়ে বলল, “এভাবে।” বলার সাথে সাথেই শাহজাদা পূর্বের চেয়েও অধিক আসক্ত হয়ে পড়লেন এবং পরিশেষে তাকেই বিয়ে করলেন। এ ছিল শুধু দেখার পরিণতি, অন্য কিছুই নয়। সুতরাং একটু চোখ খুলুন, বার বার চিন্তা করুন। হয়ত সত্য গ্রহণ করা সহজ হয়ে যাবে!
মোটকথা, মূলত চোখ চুরি করে, হাত অগ্রসর হয়। ফলে গুনাহ ও পাপাচার সংঘঠিত হয়। আর এজন্যই ইসলাম চেহারা আবৃত করা ও পর্দা করার বিধান দিয়েছে। সহাবস্থান ও সহশিক্ষা হারাম ঘোষণা করেছে। সহশিক্ষা প্রসঙ্গে জনৈক ব্যক্তি বলেছিল, "ক্ষুধার্ত পেটে উন্মুক্ত গোশত দেখলে চক্ষু কী অন্য দিকে ফিরতে চায়?” অভিজ্ঞ ডাক্তার ও মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্ত মতে দৃষ্টির প্রভাব বিভিন্ন মাধ্যমে মস্তিষ্ক ও হরমোনারী সিস্টেমের উপর পতিত হয়। মানুষের হরমোনারী সিস্টেম মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার কারণে শরীরের অন্যান্য ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসে। ফলে মানুষ অসংখ্য রোগ ও দুর্বলতায় জর্জরিত হয়ে পড়ে।