📄 মাটি ভক্ষণের নিষিদ্ধতা
হযরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন: “যে ব্যক্তি মাটি ভক্ষণ করল, সে নিজেকেই ধ্বংস করল।” (তাবারানী)
হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মাটি খেও না। কেননা এর মধ্যে তিনটি বড় বড় ক্ষতি রয়েছে। (ক) সর্বদাই রোগ লেগে থাকা। (খ) পেট খারাপ হয়ে যাওয়া। (গ) রঙ হলুদ হয়ে যাওয়া। (জামে কাবীর)
📄 বিখ্যাত ফিজউলজিস্ট ড. কিউর-এর অভিজ্ঞতা
ড. কিউর বহু সংখ্যক এমন রোগী দেখেছেন, যারা সর্বদা মাটি খাওয়ায় অভ্যস্থ ছিল। তাদের মধ্যে শিশু, মহিলা ও পুরুষ সব ধরনের রোগীই ছিল। তাঁর সুনিপুণ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাপূর্ণ রিপোর্ট নিম্নরূপ:
শিশুদের ক্ষেত্রে ক্ষতি:
• পাকস্থলী, যকৃৎ ও মস্তিষ্কের নানাবিধ জটিল সমস্যা।
• পেট বাড়তে থাকা।
• থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের দুর্বলতা সৃষ্টি হওয়া যার কারণে স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের ক্ষতি।
• মায়ের দুধের প্রতি অনীহা।
• শারীরিক বৃদ্ধি হ্রাস।
মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্ষতি:
• গর্ভবতীর রুগ্ন বাচ্চা প্রসব।
• যকৃতের অবিরত বৃদ্ধি জনিত কষ্ট।
• পাকস্থলীর দুর্বলতা এবং বদহজম।
• জরায়ুর দুর্বলতা।
• গর্ভপাত ঘটা, দুধ শুকিয়ে যাওয়া।
• আরও বহুবিধ জটিল রোগ।
উপরিউক্ত রিপোর্ট থেকে বুঝা যায়, মাটি খাওয়া বড় মারাত্মক অভ্যাস। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাটি ভক্ষণ করতে নিষেধ করেছেন। কোনো কোনো রোগী এমন আছে, যারা সর্বদা যকৃৎ ও পেটের পাথরী রোগে ভুগছে। একবার যদি পাথর বের হয়ে যায় আবার নতুন করে পাথর সৃষ্টি হয়। এরূপ রোগীদের রোগের কারণ সম্পর্কে জরিপ চালিয়ে জানা গেছে, তাদের শতকরা ৩০ জনই মাটি খাওয়ায় অভ্যস্ত ছিল। এদের মধ্যে মহিলা ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি। মাটি খাওয়ার কারণে কিডনী আক্রান্ত হয়। আর যখন কিডনী দুর্বল হয়ে যায়, তখন নানাবিধ জটিল ও স্থায়ী ব্যাধির সৃষ্টি হয়।