📄 দুই স্থূল জাতীয় খাবার একত্রিত না করা
পাকস্থলীতে স্থূলতার কারণে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যার কারণে পাকস্থলীর গ্রাস নিঃশেষ হয়ে তার অ্যালকালী (Alkali) বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ স্থায়ী গ্যাস্ট্রিক ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। যেমন: পালং, কচুরমুখী, ঢ্যাঁড়শ, মাষকলাই, ছোলা ইত্যাদি।
📄 দুই তরল খাবার একত্রে না খাওয়া
যেসব খাবার দ্বারা পাকস্থলীতে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়, তা অতিসার, বমি, বমি বমি ভাব, অবসন্নতা, বিষণ্ণতা ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
📄 পায়খানা কঠিন ও তরলকারী খাবার একত্রে না খাওয়া
যে খাদ্য দ্বারা কাঠিন্য সৃষ্টি হয়, তা ভক্ষণ করার পরপরই যদি আবার জোলাব জাতীয় খাবার খাওয়া হয়, তা হলে দুই বিপরীত স্বভাবের খাবার ব্যবহারের ফলে পাকস্থলীর আভ্যন্তরীণ ঝিল্লীসমূহের মধ্যে ফোলা সৃষ্টি হয়। তাই এ ধরনের বিপরীত স্বভাবের খাবার একত্রে না খাওয়া উচিত।
📄 দ্রুত হজমশীল ও বিপরীত স্বভাবের খাবার একত্রে না খাওয়া
সহজ-পাচ্য খাবার দ্রুত হজম হয়ে যায়। আর বিলম্বে হজমশীল খাবার দীর্ঘক্ষণ যাবৎ পাকাশয়ে পড়ে থাকার কারণে পাকস্থলীর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। যেমন: উট ও বকরির গোশত একত্রে রান্না করা হলে উভয়টা একত্রে সিদ্ধ হয় না, উটের গোশতের জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। এমনিভাবে খাদ্যশস্যের বেলায়ও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন: আপেল ও মূলা।