📄 দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রিত না করা
এমন ধরনের খাবার যা ঠাণ্ডা প্রকৃতির এবং যাতে ক্যালোরীর পরিমাণ কম থাকে, তা অনবরত ও অধিক পরিমাণে খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রে ভক্ষণ করলে ক্ষতির আশঙ্কা অনস্বীকার্য। এ ধরনের খাবার লো ব্লাড প্রেসার (Low Blood Pressure) বা নিম্ন রক্তচাপ, অর্ধাঙ্গ রোগ (Hami Plegia), মুখের উপর সংঘটিত অর্ধাঙ্গ রোগ, হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া এবং স্নায়ুবিক খিঁচুনি ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
📄 দুই আঠাযুক্ত খাবার একত্রিত না করা
এমন খাবার যার মধ্যে আঠা জাতীয় পদার্থ থাকে, তা পাকস্থলীর দেয়াল ও ঝিল্লির (Epithilium) সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। ফলে ওই সমস্ত ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, যা থেকে পাকস্থলীর গ্রাস ও হজমকারী আর্দ্র পদার্থ বের হয়ে খাদ্যের সাথে সংযুক্ত হয় এবং খাদ্য হজম হয়। যেমন: কচুরমুখী ও ঢ্যাঁড়শ ইত্যাদি।
📄 দুই কঠিন খাদ্য একত্রিত না করা
পায়খানা কষাকারী খাবার অন্ত্র ও ধমনীসমূহের মধ্যে রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করে। একই সাথে যদি দুই কাঠিন্যকারী খাবার খাওয়ানো হয়, তা হলে উভয়ের কাঠিন্য ক্ষমতা একত্র হয়ে অন্ত্র ও ধমনীর কার্যকরী ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে যায়। আর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি প্রাপ্তির দরুন শরীরে জ্বালা-যন্ত্রণা ও অসুবিধার সৃষ্টি হয়। যেমন: কাঁচা পেয়ারা ও ঢ্যাঁড়শ।
📄 দুই জোলাপ সৃষ্টিকারী খাবার একত্রিত না করা
অন্ত্র ও নাড়ীর গতি যদি সর্বদা দ্রুত থাকে, তাহলে অন্ত্রে ক্ষত, আলসার ও জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে যায়। পায়খানা তারল্যকরণ খাবার অন্ত্রের সেই গতি দ্রুত করে, যদ্বারা অন্ত্র ও পাকস্থলীর আভ্যন্তরীণ স্তর দুর্বল হয়ে জ্বালা সৃষ্টি করে। যেমন: পালং ও করলা (উষ্ণ প্রকৃতির লোকদের জন্য)।