📄 দুধ ও মাছ একত্রিত না করা
একবার এমন কিছু জেলের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়, যাদের শরীরের চামড়া সাদা হয়ে গিয়েছিল। আমি বললাম- তোমাদের এ অবস্থা কিভাবে হলো? তারা বলল- আমরা হলাম মৎস্য শিকারী। একবার মাছ খাওয়ার পর দুধ পান করেছিলাম। তারপর থেকেই আমাদের চামড়ার রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল। অভিজ্ঞতায় জানা গেছে, সর্বপ্রকার দুধ আর মাছেই কুষ্ঠ রোগ হয় না বরং শুধু মাছ খেয়ে বকরির দুধ পান করলেই এ ধরনের রোগ হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুধ ও মাছ একত্রে খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা এর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। (যাদুল মা'আদ)
উপরাউক্ত ফরমান হলো এমন এক মহান ব্যক্তিত্বের, যার সত্যতায় লেশমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই বরং এখন তো গবেষণা দ্বারা একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, দুধ বকরির হলে তার দ্বারা সত্যিই চামড়ার রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়।
📄 দুই গরম খাবার একত্রিত না করা
এক গরম খাবারের সাথে যদি আরেক গরম খাবার মিলিত হয়, তা হলে তা অতি গরমে রূপান্তরিত হয়ে যায়। এক খাবারের যদি ক্যালোরী (Calories) বেশি হয়, তার সাথে যদি এমন আরেকটি খাবার যুক্ত করা হয় যার মধ্যেও বেশি ক্যালোরী (Calories) থাকে, তাহলে রক্ত ও চর্বিতে এর ক্ষতির প্রভাব পড়বে। এমনকি কখনো ব্লাড প্রেসার আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই বিভিন্ন গরম খাবার একাধারে এবং একই সময় না খাওয়া উচিত।
📄 দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রিত না করা
এমন ধরনের খাবার যা ঠাণ্ডা প্রকৃতির এবং যাতে ক্যালোরীর পরিমাণ কম থাকে, তা অনবরত ও অধিক পরিমাণে খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রে ভক্ষণ করলে ক্ষতির আশঙ্কা অনস্বীকার্য। এ ধরনের খাবার লো ব্লাড প্রেসার (Low Blood Pressure) বা নিম্ন রক্তচাপ, অর্ধাঙ্গ রোগ (Hami Plegia), মুখের উপর সংঘটিত অর্ধাঙ্গ রোগ, হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া এবং স্নায়ুবিক খিঁচুনি ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
📄 দুই আঠাযুক্ত খাবার একত্রিত না করা
এমন খাবার যার মধ্যে আঠা জাতীয় পদার্থ থাকে, তা পাকস্থলীর দেয়াল ও ঝিল্লির (Epithilium) সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। ফলে ওই সমস্ত ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, যা থেকে পাকস্থলীর গ্রাস ও হজমকারী আর্দ্র পদার্থ বের হয়ে খাদ্যের সাথে সংযুক্ত হয় এবং খাদ্য হজম হয়। যেমন: কচুরমুখী ও ঢ্যাঁড়শ ইত্যাদি।