📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 তীব্র গরম খাবারের নিষেধাজ্ঞা

📄 তীব্র গরম খাবারের নিষেধাজ্ঞা


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তীব্র গরম খাবারে বরকতহীনতার কথা বলেছেন। তীব্র গরম খাবারে মুখের ভিতরে ঘা, পেট ফোলা ও জ্বালা-পোড়া সৃষ্টি হয়। তাছাড়া তীব্র গরম খাবার কখনো গলা নষ্ট করে ফেলে। আর গরম খাবারের সাথে ঠাণ্ডা পানি পান করলে দন্ত ও পাকস্থলীতে অসুবিধা সৃষ্টি করে। খাওয়ার আবেগ ও উদ্যমকে প্রশমিত করার পর খাবার, ঠাণ্ডা করে খেলে এসব রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তীব্র গরম খাবারে বরকতহীনতার প্রমাণ হলো, চুলা বা তন্দুর থেকে নামিয়ে গরম গরম রুটি খেলে তা অধিক পরিমাণে খাওয়া যায়। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা করে খেলে অনেক কম খাওয়া যায়। আর হুযুর সা.-এর কথা অনুযায়ী বরকত এসে যায়। এখানে এমন ধারণা করা ঠিক নয় যে, একেবারে জমাট বাঁধা খাবার খেতে হবে বরং একটু ঠাণ্ডা করে খেলেই চলবে।

ডা. আলবার্ট "ফীড এণ্ড কেয়ার” নামক একটি পুস্তক প্রণয়ন করেছেন, যাতে যাবতীয় খাদ্য ব্যবহারের পদ্ধতি, উপকারিতা ও তার সতর্কতাসমূহ উত্তমরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। তদানুযায়ী একজন সুস্থ মস্তিষ্কবান ব্যক্তির জন্য যাবতীয় খাদ্যের জ্ঞান অর্জন করা একান্ত কর্তব্য। অথচ আমাদের নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক পূর্বেই এ সম্বন্ধে ধারণা দিয়ে গেছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দুধ ও মাছ একত্রিত না করা

📄 দুধ ও মাছ একত্রিত না করা


একবার এমন কিছু জেলের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়, যাদের শরীরের চামড়া সাদা হয়ে গিয়েছিল। আমি বললাম- তোমাদের এ অবস্থা কিভাবে হলো? তারা বলল- আমরা হলাম মৎস্য শিকারী। একবার মাছ খাওয়ার পর দুধ পান করেছিলাম। তারপর থেকেই আমাদের চামড়ার রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল। অভিজ্ঞতায় জানা গেছে, সর্বপ্রকার দুধ আর মাছেই কুষ্ঠ রোগ হয় না বরং শুধু মাছ খেয়ে বকরির দুধ পান করলেই এ ধরনের রোগ হয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুধ ও মাছ একত্রে খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা এর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। (যাদুল মা'আদ)

উপরাউক্ত ফরমান হলো এমন এক মহান ব্যক্তিত্বের, যার সত্যতায় লেশমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই বরং এখন তো গবেষণা দ্বারা একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, দুধ বকরির হলে তার দ্বারা সত্যিই চামড়ার রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দুই গরম খাবার একত্রিত না করা

📄 দুই গরম খাবার একত্রিত না করা


এক গরম খাবারের সাথে যদি আরেক গরম খাবার মিলিত হয়, তা হলে তা অতি গরমে রূপান্তরিত হয়ে যায়। এক খাবারের যদি ক্যালোরী (Calories) বেশি হয়, তার সাথে যদি এমন আরেকটি খাবার যুক্ত করা হয় যার মধ্যেও বেশি ক্যালোরী (Calories) থাকে, তাহলে রক্ত ও চর্বিতে এর ক্ষতির প্রভাব পড়বে। এমনকি কখনো ব্লাড প্রেসার আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই বিভিন্ন গরম খাবার একাধারে এবং একই সময় না খাওয়া উচিত।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রিত না করা

📄 দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রিত না করা


এমন ধরনের খাবার যা ঠাণ্ডা প্রকৃতির এবং যাতে ক্যালোরীর পরিমাণ কম থাকে, তা অনবরত ও অধিক পরিমাণে খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার একত্রে ভক্ষণ করলে ক্ষতির আশঙ্কা অনস্বীকার্য। এ ধরনের খাবার লো ব্লাড প্রেসার (Low Blood Pressure) বা নিম্ন রক্তচাপ, অর্ধাঙ্গ রোগ (Hami Plegia), মুখের উপর সংঘটিত অর্ধাঙ্গ রোগ, হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া এবং স্নায়ুবিক খিঁচুনি ইত্যাদি সৃষ্টি করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00