📄 ডা. কোস্ট এর স্বীকারোক্তি
ডা. কোস্ট বলেন, ইসলামী শিক্ষা অধ্যয়নের দ্বারা একথা স্পষ্ট হয়ে যায়, ইসলাম বিভিন্ন বিধি-নিষেধ দ্বারা তার অনুসারীদেরকে প্রতি পদক্ষেপে সতর্ক ও উপদেশাবলী দ্বারা তাদের চরিত্রের উন্নতি সাধন করেছে। ইসলামের প্রতিটি নির্দেশ মান্যকারী ব্যক্তি কখনো বিপদগ্রস্ত হয় না। হয় না কখনো অকৃতকার্য। সামাজিক জীবন হোক বা পারিবারিক জীবন হোক, ইসলামে রয়েছে তার সুষ্ঠু সমাধান। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের ভাত, কাপড়, জীবিকা নির্বাহ। মোটকথা, জীবনের প্রতিটি স্তরের সমাধান বাতলে দিয়েছেন। যেন জীবনের কোনো অংশেই কোনো প্রকার ত্রুটি ও দুর্বলতা সৃষ্টি না হয়।
📄 নবীজীর পেয়ালা ও আধুনিক বিজ্ঞান
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কতকগুলো পেয়ালা ছিল। হযরত আনাস রাযি. (একটি পেয়ালার প্রতি ইশারা করে) বলেন, আমি এ পেয়ালা দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কিছু পানীয় (অর্থাৎ মধু, পানি ও দুধ) পান করিয়েছি। কোনো কোনো কিতাবে আছে, সেই পেয়ালা ছিল ঝাউ কাঠের তৈরি। এর রং ছিল হলুদ। সেই পেয়ালাটা প্রশস্ত ও উত্তম কাঠের তৈরি ছিল। তার উপর লোহার আবরণ ছিল। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উন্মুক্ত পেয়ালার পানি পান করতেন। যা ছিল অন্তরের জন্য শান্তি ও আনন্দদায়ক। আর সেই পাত্রটি ছিল ঝাউ কাঠের তৈরি। ঝাউগাছকে আরবীতে তুরখা, ফারসীতে গজ এবং ইংরেজীতে টামারিস্ক বৃক্ষ (Tamarisk Tree) বলা হয়। (রাহবরে জিন্দেগী, উসওয়া)
ডা. কর্ণেল চোপড়া (টামারিস্ক) ঝাউ বৃক্ষের পেয়ালার নিম্নলিখিত গুণাগুণ বর্ণনা করেছেন। উক্ত পেয়ালার পানি পান করা দ্বারা লিভারের রোগ (Liver Diseases) বিশেষ করে লিভার ফুলে যাওয়া (Liver Inflammation), ইস্তিস্কা (Oedema), কিডনী ফুলে যাওয়া (Inflammation of Kidneys) এবং কিডনীর ইনফেকশন নির্মূল হয়ে যায়। আরামের সাথে প্রস্রাব হয়। এমনকি উক্ত পেয়ালার পানি পান করলে রক্তের পিত্তবর্ণ হ্রাস পেয়ে রক্তের চর্বিযুক্ত পদার্থ কোলেস্টেরল (Cholesterol) হ্রাস পায় এবং পিত্তে পাথরী সৃষ্টিকারী পদার্থ প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়।