📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডব্লিউ. সি. এবং কমোড এর মধ্যে পার্থক্য

📄 ডব্লিউ. সি. এবং কমোড এর মধ্যে পার্থক্য


ইউরোপীয়ান ডব্লিউ. সি. (W. C.) হলো এক ধরনের কমোড যাতে চেয়ারের মতো বসে পায়খানা করার ব্যবস্থা রয়েছে। এটা সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই অনুপযোগী। এ পদ্ধতি আবলম্বনে নিম্ন বর্ণিত রোগগুলি সৃষ্টি হয়:

• স্নায়ুবিক খিঁচুনি।
• স্বস্তির সাথে পায়খানা না হওয়া।
• বড় নাড়ীতে পায়খানা আটকে থাকা।
• পায়খানা করার পর প্রস্রাবের ফোঁটা পড়ার সম্ভাবনা থাকা।
• এভাবে বসে বসে পায়খানা করার দ্বারা নাড়ী ও পাকস্থলীতে চাপ পড়ে না। তাই পাকস্থলী ও নাড়ীর অসংখ্য রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিসহ সাথে সাথে এটা শরীরের প্রাকৃতিক নিয়মের পরিপন্থী।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কমোড (COMODE)

📄 কমোড (COMODE)


এটা মানব প্রকৃতির অনেকটা নিকটবর্তী। তাই এর ক্ষতিকর দিক অনেক কম। কিন্তু কাঁচা ও নরম মাটিতে প্রস্রাব-পায়খানার উপকারিতাসমূহ এখানে পাওয়া যায় না। অবশ্য মাটি সব জায়গায় পাওয়া দুষ্কর বিধায় অন্তত এতটুকু যথেষ্ট।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পবিত্রতা অর্জনের জন্য বাম হাত নির্ধারণ

📄 পবিত্রতা অর্জনের জন্য বাম হাত নির্ধারণ


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, পবিত্রতা অর্জনের জন্য বাম হাত ব্যবহার করবে। (যাদুল মা'আদ)

উপরে বর্ণিত হয়েছে, শরীরের ডান হাত থেকে পজিটিভ আলোক রশ্মি বের হয়; বাম হাত থেকে নির্গত হয় নেগেটিভ আলোক রশ্মি। ইস্তেঞ্জা করার জন্য ডান হাত ব্যবহার করা হলে দেহের অলৌকিক সিস্টেম পরিবর্তন হয়ে যাবে, যার অশুভ প্রভাব পড়বে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের ওপর। তদুপরি ডান হাত ব্যবহৃত হয় খাবারের জন্য আর সেই হাতই যদি আবার ইস্তেঞ্জার জন্য ব্যবহার করা হয়, তা হলে রোগ-জীবাণু খাবারের সাথে মিশ্রিত হয়ে শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে যেতে পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কিবলার দিকে মুখ না করা

📄 কিবলার দিকে মুখ না করা


কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ দিয়ে বসে প্রস্রাব-পায়খানা করতে হাদীসে নিষেধ রয়েছে। কাবাগৃহের চতুর্দিকে পজিটিভ বা ইতিবাচক আলোক রশ্মি (Positive Rays) সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে। আর প্রস্রাব, পায়খানা ও থুথু হলো নেতিবাচক বিচ্ছুরণের অংশ। কাবার দিকে নিক্ষেপ করা ওই ব্যক্তির জন্য সার্বক্ষণিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বিখ্যাত প্যারাসাইক্লজিস্ট ডা. কমন বীমন তাঁর সারা জীবনের গবেষণার আলোকে বলেছেন, কাবা শরীফ থেকে সর্বদা অনবরত এক ইতিবাচক আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সেদিকে নেতিবাচক আলোক রশ্মির গতি অবশ্যই ক্ষতির কারণ হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00