📄 প্রস্রাব থেকে সতর্ক থাকুন রোগ থেকে রক্ষা পাবেন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমরা প্রস্রাব থেকে সতর্ক থাক। কেননা কবরের অধিকাংশ আযাব প্রস্রাবের কারণেই হয়ে থাকে।
জ্যান্ট মিলন বলেন, আমার নিকট খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া, চর্ম খসে যাওয়া, নিতম্বের আশপাশে এলার্জি, গোপন অঙ্গের ক্ষত ইত্যাদির রোগী আসলে তার কাছে আমার সর্বপ্রথম প্রশ্ন থাকে, তুমি কি প্রস্রাব থেকে সতর্ক থাক? তন্মধ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ লোকই প্রস্রাব থেকে সতর্ক থাকে না; যার কারণে এরূপ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে আমার নিকট আসে। (সাইন্স আওর সিহহাত)
প্যান্টের চেইন খুলে প্রস্রাব করে পানি দ্বারা পবিত্র না হয়েই আবার চেইন এঁটে দিলে প্রস্রাবের ফোঁটা শরীরে লাগতে থাকে। যদ্বারা চর্মরোগসহ অসংখ্য রোগ সৃষ্টি হয়। সুবহানাল্লাহ্! ইসলাম কত সুন্দর ও পবিত্র ধর্ম! সে তার অনুসারীদেরকে কত রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। আজ ইউরোপীয়গণও পানি দ্বারা ইস্তেঞ্জা করার প্রতি পুনরায় ঝুঁকে পড়েছে।
📄 বাতাসের দিকে মুখ করে প্রস্রাব করা
বাতাসের দিকে মুখ করে প্রস্রাব করলে বাতাসের চাপে প্রস্রাবের ছিঁটা উড়ে এসে শরীর ও চেহারায় পড়ে। এভাবে দেহ ও পোশাক অপবিত্র হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এ অপবিত্রতা হলো রোগ-ব্যাধির উৎস। তাই প্রস্রাবের জন্য এমন দিক নির্বাচন করা উচিত যেদিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হয় না।
📄 গর্তে প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইঁদুর, সাপ ইত্যাদির গর্তে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। কেননা কোনো বিষাক্ত প্রাণীর গর্তে প্রস্রাব করলে, সেই প্রাণী এসে তার ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাছাড়া অনেক জায়গা থাকে লবণাক্ত আর সেই স্থানের গর্তের মধ্যে এসিড ও নাইট্রোজেন থাকে। সুতরাং সেখানে যদি প্রস্রাব করা হয়, যা খোদ এক প্রকার এসিড, এ উভয় প্রকার এসিড মিলে বিষাক্ত বাষ্প সৃষ্টি হয়ে মানব দেহে ক্ষতি সাধন করতে পারে।
📄 প্রস্রাব-পায়খানার কতিপয় নিষিদ্ধ স্থান
প্রস্রাব-পায়খানা করতে হাদীস বিশারদগণ নিষেধ করেছেন। যেমন: