📄 গোবর ও হাড় দ্বারা ইস্তেঞ্জা করা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, গোবর ও হাড় দ্বারা ইস্তেঞ্জা করো না। (যাদুল মা'আদ) গোবরের মধ্যে থাকে অসংখ্য রোগ জীবাণু। কেননা গোবর হলো বিষ্ঠা আর প্রতিটি বিষ্ঠাই রোগ জীবাণু দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে। গোবরের মধ্যে পেশী সংকোচন টিটেনাস (Tetanus) এবং টাইফয়েড (Typhoid) রোগের জীবাণু থাকে। এর দ্বারা ইস্তেঞ্জা করা হলে এসব রোগজীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
হাড় ফেলে দেওয়ার পর তা জীব-জন্তুরা খায়। কতক জন্তুর মুখের লালায় থাকে মারাত্মক রোগ-জীবাণু। যেমন: কুকুরের মুখের লালায় থাকে এক ধরনের বিশেষ রোগ-জীবাণু, যা তার খাওয়া হাড়ের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে। তদুপরি হাড়ের উপর থাকে ধূলাবালু, ময়লা-আবর্জনা ইত্যাদি। সেই ময়লা আবর্জনার মধ্যেও থাকে নানান ধরনের রোগ-জীবাণু।
📄 দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞা
নবী করীম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ভিতরগত ও বাহ্যিক ক্ষতিসমূহ বৃদ্ধি পায়। প্রস্রাব হলো রোগ-জীবাণু দ্বারা পরিপূর্ণ একটি পদার্থ। কখনো তার মধ্যে রোগের কারণে মূত্রদ্বারে জ্বালা-পোড়া, পুঁজ, রক্ত নির্গত হওয়া ও কিডনীতে ইনফেকশন ইত্যাদি বিদ্যমান থাকার কারণে তা প্রস্রাবের সাথে বিদ্যমান থাকে। অতএব দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিঁটা শরীর ও কাপড়-চোপড়ে লেগে যায়।
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনীতে এর খারাপ প্রতিক্রিয়া পড়ে এবং ধীরে ধীরে তা বৃদ্ধি পায়। যার কারণে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব আসা, প্রস্রাবে কষ্ট হওয়া, বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
📄 গোসলখানায় প্রস্রাব করা নিষেধ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসংখ্য হাদীসের মধ্যে গোসল খানায় প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। কারণ, এতে মনের ভিতর বিভিন্ন ধরনের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে আমি অনুসন্ধান শুরু করলে অনেকেই আমাকে বলেছেন যে, তারা নাকি একটি ম্যাগাজিনে লেখা দেখেছেন, গোসলখানায় প্রস্রাব করলে কামভাব বৃদ্ধি পায়। ফলে সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়। অনুরূপভাবে গোসলখানায় প্রস্রাব করলে মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
📄 কাঁচা ও পাকা মাটির পার্থক্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পায়খানার জন্য নরম স্থান/মাটি তালাশ করতেন। কেননা কোমল ও উর্বর মাটি সব কিছুকে শোষণ করে ফেলে। যেহেতু প্রস্রাব-পায়খানা হলো রোগ-জীবাণুপূর্ণ একটি পদার্থ, তাই এর জন্য এমন মাটি চাই যা তাকে শোষণ করতে পারে এবং প্রস্রাবের ছিঁটে এসে শরীর ও কাপড়ে লাগতে না পারে। আর তা পাকা জায়গায় সম্ভব নয়। সেখানে ছিঁটা লাগার পূর্ণ সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাছাড়া সেগুলি শোষণ করার ক্ষমতা তার নেই। প্রস্রাব-পায়খানার দ্বারা সৃষ্ট গ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।