📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইস্তেঞ্জার জন্য ঢিলার ব্যবহার

📄 ইস্তেঞ্জার জন্য ঢিলার ব্যবহার


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইস্তেঞ্জার জন্য বেজোড় সংখ্যায় ঢিলা ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)

বিজ্ঞানের সর্বশেষ রিসার্চ অনুযায়ী মাটিতে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং উৎকৃষ্ট মানের রোগ প্রতিরোধক পদার্থ রয়েছে। যেহেতু পেশাব-পায়খানা পুরোটাই ময়লা, জীবাণু এবং রোগ-ব্যাধিপূর্ণ, তাই এ মলমূত্র মানুষের শরীরে লাগলে খুবই ক্ষতি হয়। আর যদি তার কিছু অংশ শরীরে আটকে থাকে অথবা হাতে লেগে থাকে, তাহলে অগণিত রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হওয়ার খুবই সম্ভাবনা রয়েছে। ডাক্তার হুলুক লিখেন, ঢিলার ব্যবহার বিজ্ঞান এবং গবেষণা জগৎকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছে। কেননা মাটির যে কোনো অংশই জীবাণুনাশক। যখন ঢিলা ব্যবহার করা হয়, তখন গুপ্তাঙ্গে মাটি লাগার কারণে বাইরের অংশে বিদ্যমান জীবাণু মৃত্যুবরণ করে; বরং গবেষণা দ্বারা একথাও প্রমাণিত হয়েছে যে, ঢিলা ব্যবহার করলে পেনিস (পুরুষাঙ্গ) ক্যান্সার থেকে নিরাপদ থাকে। আবার যদি হাড় দ্বারা ইস্তেঞ্জা করা হয়, তাহলে অন্যান্য রোগ-জীবাণুর সাথে তার বিশেষ জীবাণু দেহে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। তাছাড়া হাড় হলো অসমতল ও অমসৃণ বস্তু, যার দ্বারা মানবদেহ ক্ষত-বিক্ষত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যে সকল রোগীর পেনিসে যখম এবং ক্ষত হয়ে গিয়েছিল, আমি সে সকল রোগীকে ঢিলা ব্যবহার করিয়েছি এবং তাদেরকে মাটি দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতে বলেছি। এতে রোগী আশ্চর্যজনকভাবে সুস্থতা লাভ করেছে। মোটকথা, এ মাটির তৈরি মানুষ মাটি দ্বারাই মুক্তি লাভ করবে। দুনিয়ার যত ফর্মুলাই সে ব্যবহার করুক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00