📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গুরুত্ব ও তাৎপর্য

📄 গুরুত্ব ও তাৎপর্য


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, খেজুর দ্বারা ইফতার করা সম্ভব হলে তা দ্বারাই ইফতার করবে। আর যে ব্যক্তি খেজুর না পায় সে পানি দ্বারাই ইফতার করবে। কেননা তাও পবিত্র (নাসায়ী)। সারাদিন রোযা রাখার পর শরীরের শক্তি কমে যায়। সুতরাং ইফতার এমন জিনিস দ্বারা করা উচিত, যা দ্রুত হজম হয় এবং শক্তি বর্ধক হয়।

সাহরীর পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো কিছু পানাহার করা হয় না এবং শরীরের ক্যালরী অথবা স্নায়ুবিক শক্তি একাধারে কমতে থাকে। এ জন্য খেজুর স্বাভাবিক প্রকৃতি ও উৎকৃষ্ট মানের খাদ্য। এটা ভক্ষণ করলে স্নায়ুবিক শক্তি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং শরীর বিভিন্ন প্রকারের রোগ-ব্যাধি থেকে বেঁচে যায়। অন্যথায় শরীরের স্নায়ুবিক শক্তি ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নিম্নোক্ত রোগগুলি সৃষ্টি হয়:

লো ব্লাড প্রেসার, প্যারালাইসিস, ফ্যাসিয়াল প্যারালাইসিস এবং মাথাঘোরা ইত্যাদি। খাদ্যগুণ কম থাকার কারণে রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ইফতারের সময় আয়রণ যথেষ্ট পরিমাণে প্রয়োজন। আর কুদরতীভাবেই খেজুরের মধ্যে তা রয়েছে। কিছু কিছু লোকের শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। এ জাতীয় লোক যখন রোযা রাখে, তখন তাদের শুষ্কতা আরও বৃদ্ধি পায়। এজন্য খেজুর স্বাভাবিক প্রকৃতির হওয়ায় তা রোযাদারদের জন্য বিরাট উপকারী। গ্রীষ্মকালে রোযাদারগণ বেশ পিপাসার্ত থাকেন। তারা যদি ইফতারের সময় প্রথমেই ঠাণ্ডা পানি পান করে নেন, তা হলে পাকস্থলীতে গ্যাস, তাপ ও লিভার ফুলে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। যদি রোযাদার খেজুর খাওয়ার পর পানি খায়, তা হলে নানা রকম বিপদ থেকে বেঁচে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 খেজুরের রাসায়নিক উপাদানের তালিকা

📄 খেজুরের রাসায়নিক উপাদানের তালিকা


প্রোটিন: ২.০০
কার্বহাইড্রেট: ২৪.০০
ক্যালরি: ২.০০
সোডিয়াম: ৪.৭০
পটাশিয়াম: ৭৫৪.০০
ক্যালসিয়াম: ৬৭.৯০
ম্যাগনেসিয়াম: ৫৮.৯০
কপার: ০.২১
আয়রণ: ১.৬১
ফসফরাস: ৬৩৮.০০
সালফার: ৫১.৬০
ক্লোরিন: ২৯০.০০

এছাড়া খেজুরে আরও অন্যান্য পদার্থও পাওয়া যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00