📄 তিন শ্বাসে পানি পান করা
বহু সংখ্যক হাদীসে তিন শ্বাস এবং কিছু হাদীসে দুই শ্বাসে পানি পান করার হুকুম দেওয়া হয়েছে। [মামুলাতে নবী ]
তিন শ্বাসে পানি পান না করলে নিম্নোক্ত রোগ জন্ম নিতে পারে :
(১) শ্বাসনালীতে পানি ঢুকে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু ঘটতে পারে।
(২) এমন বিঘ্নতা অধিক হলে মাথার খুলির ভিতর চাপ পড়ে। কারণ, পানির শিরাসমূহ মাথার পর্দার সাথে সম্পৃক্ত থাকে। আবার মাথার ভিতর ফ্লয়েড আছে, যার সম্পর্ক থাকে পানির সাথে। যদি চুষে বা ধীরে ধীরে পানি পান করা হয়, তবে বিপদ ও ক্ষতিকর প্রভাব কখনও মাথার উপর পড়ে না।
(৩) পাকস্থলীতে পানি অতিরিক্ত জমা হলে বিভিন্ন প্রকার রোগ হয়। যথা, পানি যখন ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে তখন উপর থেকে চাপ পড়লে হার্ট ও লান্সের ক্ষতি হয়। ডান দিক থেকে চাপ হলে যকৃত এবং বাম থেকে চাপ পড়লে নাড়ীভুঁড়ি উলটপালট হয়ে যায়। এভাবে নানাবিধ ক্ষতি হয়।
📄 খোলা পাত্রে পানি পান করা
• হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা পেয়ালার পানি পান করতেন। সাধারণত ছোট ও সঙ্কীর্ণ পাত্রে পানি পান করলে আন্তরিক তৃপ্তি ও প্রশান্তি আসে না।
📄 পীসা গোর্স-এর একটি বিশেষ আমল
তিনি একজন প্রখ্যাত গণিতবিদ ছিলেন। তিনি বলতেন : আমার যদি খোলা পাত্রে পানি, চামড়ার জুতা এবং যবের আটা-এ তিনটি জিনিস মিলে যেত, তবে আমি আকাশের হিসাব লাগাতাম। (জবান মেরী হায় আওর বাত উনকি)
📄 পানির পাত্রের মধ্যে শ্বাস ত্যাগ করা
হাদীস শরীফে পানির পাত্রের মধ্যে শ্বাস ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এ থেকে বুঝা যায়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কতই না সূক্ষ্ম সতর্কতা অবলম্বন করতেন। এর কারণ হল, পানির পাত্রের মধ্যে শ্বাস ত্যাগ করলে যে কোনো মুহূর্তে শ্বাসনালীর মধ্যে প্রবেশ করে আদান-প্রদানে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
অনুরূপভাবে নাকের নালীর মধ্যে পানি প্রবেশ করতে পারে। ফলে নাক ও মাথার পর্দার মধ্যে ফুলা ধরতে পারে।