📄 কায়লুলাহ নবীজীর সুন্নত
বহু গ্রন্থের লেখক ও বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ড. জিয়ালক আর্স্টন লিখেন : যদি রাষ্ট্র আমার নিয়ন্ত্রণাধীন থাকত, তবে আমি সমস্ত কারখানা, ফ্যাক্টরী, বাজার ও দপ্তর বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট সকলকে কায়লুলা (দুপুরের খানার পর বিশ্রাম) করতে নির্দেশ দিতাম। কারণ, এর অভ্যাস করলে আমাদের রোগীদের সংখ্যা বহুলাংশে হ্রাস পেত। সমস্ত প্রাণী মানসিক রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচতে পারত।
আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষ অসংখ্য রোগ-ব্যাধিতে শঙ্কিত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাই দৈনন্দিন জীবন যাত্রার মান উন্নত করার দিকে এখন বেশি গুরুত্বারোপ করেছে।
বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন, মানুষ সারা দিনের দৈহিক ও মানসিক ক্লান্তি- শ্রান্তি নিয়ে রাতে যখন নিদ্রা যায়, তখন তাদের অনিদ্রা, পেরেশানী ও দুশ্চিন্তা জাগ্রত হয়। যদি তাদের মধ্যে সুন্নত ভিত্তিক দৈনন্দিন কর্মসূচি নিয়মানুবর্তিতা ও কর্মতালিকা থাকত, তবে এমন পেরেশান হতে হত না। বিশেষজ্ঞগণ দৈনন্দিন কর্ম তালিকায় সর্বপ্রথম কায়লুলার সুন্নতের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। তাদের মতে যে বা যারা কায়লুলা পালন করে সারা দিনের কাজকর্ম অব্যাহত রাখবে, তারা নিশ্চিন্তায় উদ্যমের সাথে সকল কাজ সচারুরূপে সম্পাদন করতে পারবে। তাছাড়া বিভিন্ন প্রকার মানসিক রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে।
📄 সতর্কবাণী
মনে রাখতে হবে, কেবল দুপুরের পরবর্তী কায়লুলাই উপকারী। তবে তা এক ঘণ্টার অধিক হলে উপকারের পরিবর্তে এ কায়লুলাও অপকার ও রোগ-ব্যাধি জন্ম দিবে।