📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ডাক্তার কর্ণেল চোপড়া ও ইসলামি বিধান

📄 ডাক্তার কর্ণেল চোপড়া ও ইসলামি বিধান


ডা. কর্ণেল চোপড়া একজন হিন্দু বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি কয়েকটি বইও রচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি দীর্ঘ গবেষণার পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, খাওয়ার পর পানি পান করলে পাকস্থলীর রগগুলো ঢিলা হয়ে যায়। এর ভিতরের ঝিল্লী ফুলে যায় এবং হজমশক্তি হ্রাস পায়।
সুতরাং অধিকাংশ সময় পানি পাকস্থলীতে রোগ জন্ম দেয়। তা থেকে আবার হার্টের রোগ দেখা দেয়। এরই মধ্যে আমার একজন মুসলমান অধ্যাপকের সাথে সাক্ষাৎ হয়ে গেল। তিনি বললেন, আপনার গবেষণা প্রশংসনীয় বটে; কিন্তু এ গবেষণা নতুন কোনো গবেষণা নয় বরং চৌদ্দ শত বৎসর পূর্বে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মহা সত্যটি প্রকাশ করে দিয়েছেন।
আমি তার এ দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ চাইলে তিনি হাদীসের গ্রন্থসমূহের মধ্যে এ কথা আমাকে দেখিয়েছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 খাদ্যগ্রহণের পরপরই শয়ন করা

📄 খাদ্যগ্রহণের পরপরই শয়ন করা


খাদ্য খেয়েই শয়ন করা মূলত রোগ-ব্যাধিকে ডেকে নিয়ে আসে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদ্য খাওয়ার পরপরই শয়ন করতে নিষেধ করেছেন। (যাদুল মা'আদ)
খাওয়ার সাথে সাথে পাকাশয় তার পরিপাক ক্রিয়া শুরু করে দেয়। মানুষ শয়ন করলে পাকস্থলীও শয়ন করে। পূর্বের মতো কর্মতৎপর থাকে না। পাকস্থলীর কর্মতৎপরতা মানব দেহের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।
জীব-বিজ্ঞান ও দেহ-বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের যাবতীয় বইপত্রে এ বিষয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তারা বলেন, খাওয়ার পর শরীরের কর্মতৎপরতা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় পাকাশয়ে জমা হওয়া খাদ্য পঁচে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার রোগ উৎপন্ন হয়।
পেটের মধ্যে গ্যাস সৃষ্টি হওয়ার একমাত্র কারণ, খাওয়ার পরপরই শয়ন করা। মানুষ সাধারণত দুনিয়ার বিস্তৃত কর্মশালায় বিভিন্ন কাজে মগ্ন হওয়ার পর যখন ঘরে প্রত্যাবর্তন করে, তখন ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে যায়। সেজন্য খাবার খেয়েই শয়ন করে। অথচ খাদ্য যেমন গতিতে হজম হওয়া দরকার, তা সঠিকভাবে হয় না। সে অনিয়ম ও অসাবধানতার কারণে সুগার, হার্টেররোগ, পাকস্থলীর রোগ, প্যারালাইসিস ইত্যাদি কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কায়লুলাহ নবীজীর সুন্নত

📄 কায়লুলাহ নবীজীর সুন্নত


বহু গ্রন্থের লেখক ও বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ড. জিয়ালক আর্স্টন লিখেন : যদি রাষ্ট্র আমার নিয়ন্ত্রণাধীন থাকত, তবে আমি সমস্ত কারখানা, ফ্যাক্টরী, বাজার ও দপ্তর বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট সকলকে কায়লুলা (দুপুরের খানার পর বিশ্রাম) করতে নির্দেশ দিতাম। কারণ, এর অভ্যাস করলে আমাদের রোগীদের সংখ্যা বহুলাংশে হ্রাস পেত। সমস্ত প্রাণী মানসিক রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচতে পারত।
আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষ অসংখ্য রোগ-ব্যাধিতে শঙ্কিত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাই দৈনন্দিন জীবন যাত্রার মান উন্নত করার দিকে এখন বেশি গুরুত্বারোপ করেছে।
বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন, মানুষ সারা দিনের দৈহিক ও মানসিক ক্লান্তি- শ্রান্তি নিয়ে রাতে যখন নিদ্রা যায়, তখন তাদের অনিদ্রা, পেরেশানী ও দুশ্চিন্তা জাগ্রত হয়। যদি তাদের মধ্যে সুন্নত ভিত্তিক দৈনন্দিন কর্মসূচি নিয়মানুবর্তিতা ও কর্মতালিকা থাকত, তবে এমন পেরেশান হতে হত না। বিশেষজ্ঞগণ দৈনন্দিন কর্ম তালিকায় সর্বপ্রথম কায়লুলার সুন্নতের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। তাদের মতে যে বা যারা কায়লুলা পালন করে সারা দিনের কাজকর্ম অব্যাহত রাখবে, তারা নিশ্চিন্তায় উদ্যমের সাথে সকল কাজ সচারুরূপে সম্পাদন করতে পারবে। তাছাড়া বিভিন্ন প্রকার মানসিক রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সতর্কবাণী

📄 সতর্কবাণী


মনে রাখতে হবে, কেবল দুপুরের পরবর্তী কায়লুলাই উপকারী। তবে তা এক ঘণ্টার অধিক হলে উপকারের পরিবর্তে এ কায়লুলাও অপকার ও রোগ-ব্যাধি জন্ম দিবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00