📄 স্লিমিং সেন্টার ও ইমাম গাযালী রহ.
প্রখ্যাত দার্শনিক ইমাম গাযালী রহ. বলেন, ধীরে ধীরে কম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। যে ব্যক্তি অধিক খাওয়ায় অভ্যস্থ হয়ে পড়ে, সে যদি হঠাৎ করে খাবার কমিয়ে দেয়, তা হলে তা তার সহ্য হবে না দুর্বলতা সৃষ্টি হবে এবং কষ্ট বৃদ্ধি পাবে। (ইয়াইইয়াউল উলূম)
আজ থেকে দশ বৎসর পূর্বে ইউরোপে বিশেষ কেমিক্যাল দ্বারা মোটা হওয়া রোগের ঔষধ আবিষ্কৃত হয়েছে। তারপর ধরা পড়েছে, সেই কেমিক্যাল দ্বারা কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ আনুসন্ধান চালিয়ে এর খাদ্য নিয়ন্ত্রণ জাতীয় চিকিৎসা নির্ধারণ করেছেন এবং রোগীকে কিছু পথ্য, ব্যায়াম এবং বিশেষ করে খাদ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ করানো হয়েছে।
যতক্ষণ পর্যন্ত খাবারের উপর সতকর্তা অবলম্বন করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত মোটা হয়ে যাওয়া রোগের কোনো চিকিৎসা হবে না। ময়দা, ঘৃত ও মিষ্ট জাতীয় দ্রব্য এ তিন প্রকার জিনিস থেকে সংযমী হওয়া উচিৎ এবং সাথে সাথে খাবার কম খাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। খাদ্য দ্রব্যের সিডিউলের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ছিল, খাবার ধীরে ধীরে হ্রাস করতে হবে আর যদি তৎক্ষণাত খাবার হ্রাস করা হয়, তা হলে শরীর নিয়ন্ত্রণহীন, দুর্বল ও রোগ-ব্যাধি ধারণের জন্য প্রস্তুত হয়ে পড়বে। উক্ত সিডিউলে প্রত্যেক খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ সপ্তাহান্তরে হ্রাস করে দেখানো হয়েছে। (Heath and Life)
📄 হযরত হাসান বসরী রহ.-এর মতাদর্শ
হযরত হাসান বসরী রহ. বলেন- মুসলমানের দৃষ্টান্ত হল বকরি ছানার মতো, যার জন্য এক মুষ্ঠি পুরাতন খেজুর, এক মুষ্ঠি ছাতু ও এক ঢোক পানিই যথেষ্ট। (ফাযায়েলে সাদাকাত)
এটা হল ইসলামি শিক্ষার একটি দৃষ্টান্ত, যার উপর আমল করে মুসলমানগণ হয়েছেন সফলকাম ও কৃতকার্য। আর আজকের বিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্ব এর প্রচলনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে 'প্রচার-প্রসারের' প্রস্তুতি নিচ্ছে মাত্র। (ফাযায়েলে সাদাকাত)
📄 খ্রিস্টান মিশনারীগণের খাদ্যের প্রচারণা
খ্রিস্টান মিশনারীগণ বিশিষ্ট ডাক্তারদেরকে নির্বাচন করে ব্যাপক ভিত্তিতে প্রচারণা শুরু করেছে কম খাও, নিজে খাও, অপরকে খাওয়াও, সতর্কতা অবলম্বন করে খাও, বাঁচার জন্য খাও, জীবিকার প্রতি লক্ষ্য রেখে খাও, সমাজকে বাঁচতে দিয়ে নিজে খাও, অপরকে আহার করাও, সামাজিক মানুষ হও, নিজে সুস্থ থাক, অন্যের স্বাস্থ্যের প্রতি দৃষ্টি রাখ।
এগুলি বর্তমান যুগের ডাক্তারগণ বলছেন। চিন্তা করুন! এগুলিই কি ইসলামি শিক্ষা নয়?