📄 আধুনিক বিজ্ঞান (MODERN SCIENCE)
বর্তমানে বারবার জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, কম আহার করুন। (Dictiny) বেশিদিন বাঁচতে পারবেন। মানুষের কাছে বারবার এ কথার উপকারিতা বর্ণনা করা হচ্ছে। বেশি খেলে যেসব রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হয়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন প্রফেসর রিচার বার্ড। নিম্নে তা দেওয়া হল :
(১) মস্তিষ্কের ব্যাধি (Brain Diseases); (২) চক্ষু রোগ (Eyes Diseases) (৩) জিহবা ও গলার রোগ (E.N.T. Diseases) (৪) বক্ষ ও ফুসফুসের ব্যাধি (Chest and Lungs Diseases) (৫) হৃদ রোগ (Heart and Valves Diseases); (৬) যকৃত ও পিত্তের রোগ (Liver and Gall bladder diseases); (৭) ডায়াবেটিস (Diabetec) (৮) উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure); (৯) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ((Brain Hemorrhage); (১০) দুশ্চিন্তাগ্রস্ততা (Depression) (১১) অর্ধাঙ্গ রোগ (Paraliysis) (১২) মনস্তাত্ত্বিক রোগ (Psychological Diseases) ১৩) দেহের নিম্নাংশ অবশ হয়ে যাওয়া। (সান উইকলি সুইডেন)
📄 পেটের এক তৃতীয়াংশ ও আধুনিক বিজ্ঞান
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, পেটের এক-তৃতীয়াংশ আহারের জন্য এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য আর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য। (মযাকুল আরেফীন)
একজন দার্শনিকের নিকট যখন হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ নির্দেশ শুনানো হল তখন সে বলতে লাগল, এর চেয়ে উত্তম ও শক্তিশালী কথা আমি আজ পর্যন্ত শ্রবণ করি নি।
📄 ডা. লান কিউবের দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে খাদ্য গ্রহণ
তিনি ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ খাদ্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। তার আন্দোলনের মূলনীতি হল, তোমরা স্বল্প পরিমাণে আহার কর। দাঁড়িয়ে খাবার খেও না, বসে খাবার খাও এবং কম খাবার খাও। কেননা দাঁড়িয়ে খাবার খেলে মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়বে এবং এমন একটি রোগ সৃষ্টি হবে, যদ্বারা মানুষের পরিচিতি নিঃশেষ হয়ে যায়। ইসলাম তার অনুসারীদেরকে সূচনা লগ্ন থেকেই দাঁড়িয়ে খাবার খেতে নিষেধ করেছে। আর বিজ্ঞান সবেমাত্র নিষেধাজ্ঞা শুরু করেছে। তাহলে ইসলাম ও বিজ্ঞানের মধ্যকার পার্থক্য সুস্পষ্ট।
📄 স্লিমিং সেন্টার ও ইমাম গাযালী রহ.
প্রখ্যাত দার্শনিক ইমাম গাযালী রহ. বলেন, ধীরে ধীরে কম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। যে ব্যক্তি অধিক খাওয়ায় অভ্যস্থ হয়ে পড়ে, সে যদি হঠাৎ করে খাবার কমিয়ে দেয়, তা হলে তা তার সহ্য হবে না দুর্বলতা সৃষ্টি হবে এবং কষ্ট বৃদ্ধি পাবে। (ইয়াইইয়াউল উলূম)
আজ থেকে দশ বৎসর পূর্বে ইউরোপে বিশেষ কেমিক্যাল দ্বারা মোটা হওয়া রোগের ঔষধ আবিষ্কৃত হয়েছে। তারপর ধরা পড়েছে, সেই কেমিক্যাল দ্বারা কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ আনুসন্ধান চালিয়ে এর খাদ্য নিয়ন্ত্রণ জাতীয় চিকিৎসা নির্ধারণ করেছেন এবং রোগীকে কিছু পথ্য, ব্যায়াম এবং বিশেষ করে খাদ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ করানো হয়েছে।
যতক্ষণ পর্যন্ত খাবারের উপর সতকর্তা অবলম্বন করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত মোটা হয়ে যাওয়া রোগের কোনো চিকিৎসা হবে না। ময়দা, ঘৃত ও মিষ্ট জাতীয় দ্রব্য এ তিন প্রকার জিনিস থেকে সংযমী হওয়া উচিৎ এবং সাথে সাথে খাবার কম খাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। খাদ্য দ্রব্যের সিডিউলের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ছিল, খাবার ধীরে ধীরে হ্রাস করতে হবে আর যদি তৎক্ষণাত খাবার হ্রাস করা হয়, তা হলে শরীর নিয়ন্ত্রণহীন, দুর্বল ও রোগ-ব্যাধি ধারণের জন্য প্রস্তুত হয়ে পড়বে। উক্ত সিডিউলে প্রত্যেক খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ সপ্তাহান্তরে হ্রাস করে দেখানো হয়েছে। (Heath and Life)