📄 আহারের সময় ডান হাত ব্যবহার করা
নামাযের অধ্যায়ে এ কথা বলা হয়েছে যে, ডান এবং বাম হাতের তালু থেকে কিছু অদৃশ্য আলোক রশ্মি (Invisible Rays) বিচ্ছুরিত হয়। তবে ডান হাতের রশ্মি পজিটিভ বা ইতিবাচক আর বাম হাতের রশ্মিগুলি নেগেটিভ বা নেতিবাচক এবং ডান হাতের রশ্মিগুলিতে রয়েছে শেফা বা রোগমুক্তি আর বাম হাতের রশ্মিতে রয়েছে রোগ ব্যাধি। সুতরাং ডান হাতে খানা খাওয়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে, পক্ষান্তরে বাম হাতে খানা খাওয়া দেহে বিভিন্ন রোগ জন্মানোর কারণ হয়।
📄 খাবারে ফুঁক দেওয়া
মানুষ অক্সিজেন গ্রহণ করে, আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। কার্বন ডাই-অক্সাইডে রয়েছে অসংখ্য রোগ জীবাণু। তাই যদি খাবারে ফুঁক দেওয়া হয়, তাহলে রোগজীবাণু খাবারে মিশ্রিত হয়ে খাবার বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া কখনো সম্মিলিত খাবারে যদি ফুঁক দেওয়া হয় আর সেই ফুঁকের কারণে রোগজীবাণু পূর্ণ খাবারের সাথে মিশ্রিত হয়ে পড়ে, তা হলে সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারনেই ফুঁক দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
📄 একত্রে খাওয়া-উচ্ছিষ্ট খাওয়া
প্যাথলজী (Pathology) এর প্রফেসর এ রহস্য উদঘাটন করেছেন যে, যদি সকলে একত্রে খাবার খায়, তা হলে সকল খাবার গ্রহণকারীদের জীবাণু খাবারে মিলিত হয়ে যায়, যা অন্য সকল রোগ-জীবাণুকে নিঃশেষ করে দেয়, এভাবে ওই খাবার দূষণমুক্ত হয়ে যায়। আবার কখনো খাবারে রোগ আরোগ্যের জীবাণু মিলিত হয়ে সমগ্র খাবারকে প্রতিষেধক বানিয়ে দেয়, যা পাকস্থলীর রোগের জন্য খুবই উপকারী।
একবার মিষ্টভাষী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এক ব্যাক্তির সাথে আমার সাক্ষাৎ হল। তিনি বলেন যে, আমি একসময় পাগল ছিলাম এবং দীর্ঘ দিন মেটাল হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, এই বলে তিনি সেই হাসপাতালের ফর্ম আমাকে দেখালেন। আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আপনি সুস্থ্য হলেন কিভাবে? তিনি বললেন, পরিবারের লোকজন চিকিৎসা করাতে করাতে যখন অস্থির হয়ে উঠল, তখন আমাকে নিয়ে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়।
একদা আমি সেই হাসপাতালে স্বজ্ঞানে বসেছিলাম। এমন সময় একজন লোক কথা প্রসঙ্গে বলল, মুসলমানদের উচ্ছিষ্টে রোগমুক্তি রয়েছে। তার কথা শ্রবণ করে সেদিন থেকে আমি মানুষের খাবারের উচ্ছিষ্ট সুন্নত মনে করে থেতে থাকি। মাত্র ৭ মাসে আমি পূর্ণ আরোগ্য লাভ করি।
গুজরান ওয়ালা এলাকার অন্য এক ব্যক্তির সাথে একবার সাক্ষাৎ হল। তিনি ছিলেন জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। তিনি বলেন, যখন থেকে আমি সুন্নত মনে করে ঝুটা খাওয়া আরম্ভ করেছি। তখন থেকে অদ্যাবধি এক ব্যক্তি বলছিলেন, আমার এক বন্ধু ছিল। ১৯৭০ সনের শেষের দিকে সে টিবি রোগে আক্রান্ত হয়। সে চিকিৎসা গ্রহণ করতে করতে অস্থির হয়ে পড়ল অথচ আরোগ্য লাভ হল না। অবশেষে কারো কাছে শুনে ঔষধ পথ্য ত্যাগ করে মুসলমানদের উচ্ছিষ্ট খেতে শুরু করে দিল। এরপর মাত্র চার মাসের মধ্যে সে পূর্ণ আরোগ্য লাভ করল। ১৯৯৬ সনে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হলে দেখলাম সে পূর্ণ সুস্থ।
📄 খানা খাওয়ার পদ্ধতি (WAYS OF HAVING MEAL)
হাদীস শরীফে খাবারের তিনটি পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। যথা: