📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আহারের পূর্বে ও পরে লবণ মুখে দেওয়া

📄 আহারের পূর্বে ও পরে লবণ মুখে দেওয়া


আহারের পূর্বে সামান্য লবণ মুখে দেওয়া হয়। কেননা লবণের (Salt) মধ্যে রয়েছে খানার চাহিদা বৃদ্ধি করার উপকরণ। আর লবণ চাটার সাথে সাথেই লালা সৃষ্টিকারী মাংসপেশী হজমকারী অম্লকে বের করতে থাকে, যার কারণে খাওয়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়, খাবার সুস্বাদু মনে হয়, ক্ষুধা মিটে যায় এবং আল্লাহর নেয়ামতের মূল্যায়ণ করা সম্ভব হয়। খাবারের শেষে যেহেতু জিহবা, গলা ও খাদ্য নালীতে খাদ্যদ্রব্য, ঘৃত ও অন্যান্য তৈলাক্ত খাবার লেগে থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই লবণ দিয়ে সেগুলিকে নিঃশেষ করে দেওয়া হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আহারের পূর্বে কুলী করা

📄 আহারের পূর্বে কুলী করা


আহারের পূর্বে কুলি করা ইসলামী বিধান। সারাদিন হাওয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাস এর মাধ্যমে ধুলা, বালি এবং রোগ-জীবাণু (Germs) ভিতরে প্রবেশ করে। এ অবস্থায় খাবারের লোকমা গ্রহণ করার সময় ঐ জীবাণুগুলিও ভিতরে প্রবেশ করে, এ জন্যই কুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে মুখ পরিষ্কার হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আহারের সময় ডান হাত ব্যবহার করা

📄 আহারের সময় ডান হাত ব্যবহার করা


নামাযের অধ্যায়ে এ কথা বলা হয়েছে যে, ডান এবং বাম হাতের তালু থেকে কিছু অদৃশ্য আলোক রশ্মি (Invisible Rays) বিচ্ছুরিত হয়। তবে ডান হাতের রশ্মি পজিটিভ বা ইতিবাচক আর বাম হাতের রশ্মিগুলি নেগেটিভ বা নেতিবাচক এবং ডান হাতের রশ্মিগুলিতে রয়েছে শেফা বা রোগমুক্তি আর বাম হাতের রশ্মিতে রয়েছে রোগ ব্যাধি। সুতরাং ডান হাতে খানা খাওয়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে, পক্ষান্তরে বাম হাতে খানা খাওয়া দেহে বিভিন্ন রোগ জন্মানোর কারণ হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 খাবারে ফুঁক দেওয়া

📄 খাবারে ফুঁক দেওয়া


মানুষ অক্সিজেন গ্রহণ করে, আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। কার্বন ডাই-অক্সাইডে রয়েছে অসংখ্য রোগ জীবাণু। তাই যদি খাবারে ফুঁক দেওয়া হয়, তাহলে রোগজীবাণু খাবারে মিশ্রিত হয়ে খাবার বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া কখনো সম্মিলিত খাবারে যদি ফুঁক দেওয়া হয় আর সেই ফুঁকের কারণে রোগজীবাণু পূর্ণ খাবারের সাথে মিশ্রিত হয়ে পড়ে, তা হলে সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারনেই ফুঁক দিতে নিষেধ করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00