📄 আহয্যার ইচ্ছা হ্রাস
ফ্রান্সের কমপোর্ট সেন্টারের গবেষণা অনুযায়ী যারা আত্মহত্যার ইচ্ছা পোষণ করে, তাদেরকে এমন মুরাকাবায় লিপ্ত করা প্রয়োজন, যা শুধু নামাযের দ্বারা হাসিল হয় না বরং ভিন্ন প্রক্রিয়ায় তাদেরকে ধ্যানে লিপ্ত রাখতে হবে। তাদের দৃষ্টি আমলের প্রতি এমনভাবে নিবিষ্ট করতে হবে যাতে তাদের মধ্যে পরিপূর্ণ একাগ্রতা ও ধ্যান সৃষ্টি হয়ে যায়। এতে রোগী নিজে নিজে আত্মহত্যাকে ঘৃণা করতে শুরু করবে।
ডা. আলেকজাণ্ডার বলেছেন, আমরা ইসলামে আত্মহত্যা কম দেখি। গবেষণা করে দেখা গেল, অযু নামায এবং বিশেষ করে ধ্যানওয়ালা নামাযের মাধ্যমে আত্মহত্যার প্রতি ঝুঁকি কমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পরিপূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
📄 স্যার উইলিয়াম ফ্রাঙ্কের গবেষণা
ইউরোপে জনৈক আধ্যাত্মিক রোগ বিশেষজ্ঞ দ্যা রিসার্চ ইন দ্যা ফিনোমেনন অফ স্প্রিচালিজম নামক বইয়ে লিখেছেন- লোভলালসা মিথ্যা, কার্পণ্য, হিংসা-বিদ্বেষ প্রতিশোধ স্পৃহা প্রভৃতি এমন নিম্নমানের ব্যাধি যার কারণে মানুষ মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়, যা থেকে বের হওয়া দুষ্কর। এ থেকে রক্ষা পেতে জীবন বাজি রাখতে হয়। কিন্তু এ লোকটিই যদি মুসলমানদের নামায একাগ্রচিত্তে পড়া শুরু করে দেয়, তাহলে অতি শীঘ্রই উক্ত ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ লাভ করতে পারে। প্রসিদ্ধ প্রাচ্যবিদ ওয়াইস এডমিরাল তার পুস্তকে লিখেছেন, ধ্যান ও মনোনিবেশ নামাযের অংশ নয় বরং স্থিরতার অংশ। তিনি আরও বলেন, আধ্যাত্মিক জগতের গভীরে পৌঁছতে চাইলে নামায পড়, নামায পড়, নামায পড়।