📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান 📄 নামায ও আধুনিক বিজ্ঞান (PRAYERS AND MODERN SCIENCE)

📄 নামায ও আধুনিক বিজ্ঞান (PRAYERS AND MODERN SCIENCE)


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান 📄 নামায একটি পূর্ণ মুরাকাবা

📄 নামায একটি পূর্ণ মুরাকাবা


মোরাকাবাকে বর্তমানে পাশ্চাত্য জগৎ Meditation বা 'ধ্যান' নামে অভিহিত করে। তথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মেডিটেশন ক্লাব। নর-নারী সেখানে ভিড় জমায়। একদিন আমি ফ্লাজলফিয়া ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দিচ্ছিলাম। লোকজন আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “মেডিটেশন” কি? আমি তাকে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, তোমরা এ সম্পর্কে কী জান? তারা বলল, প্রতি মহল্লায় মেডিটেশন সেন্টার খোলা হয়েছে।
নর-নারীরা যেখানে গেলে তাদেরকে বসিয়ে দেওয়া হয় এবং কখনো বলা হয়, নিজ নিজ নাকের ডগায় মনোনিবেশ কর। আবার কখনো বলা হয়, নাভীর দিকে মনোনিবেশ কর ও অন্য সবকিছু ভুলে যাও। আগত লোকজন আধ-এক ঘণ্টা এভাবে বসে থাকে এবং চলে যাওয়ার সময় কিছু পয়সা দিয়ে যায়। তারা কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলে, আমরা এখানে কিছুটা প্রশান্তি (Relax feel) অনুভব করেছি।
এখন চিন্তা করে দেখুন! বিধর্মীরা ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মুসলমানদের পথেই ফিরে আসছে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা'আলাকে স্মরণ করার মধ্যে যে শান্তি রয়েছে, তা অন্য কোনো আমলেই নেই।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান 📄 নামায বিস্ময়ের সমষ্টির নাম

📄 নামায বিস্ময়ের সমষ্টির নাম


ইউরোপে কিছু ক্লাব রয়েছে, যেখানে পয়সা দিয়ে তারা এমন সেমিনারে অংশগ্রহণ করে, যেখানে তাদেরকে হাসানো হয় এবং তারা হাসতে হাসতে ক্লান্তিময় জীবন ক্ষণিকের জন্য হলেও ভুলে যায়। পরে আবার সেই পূর্বের বিষণ্ণ জীবন ও আযাবে ফিরে যেতে হয়।
সেখানে এমন সেন্টারও রয়েছে, যেখানে তাদেরকে কাঁদানো হয়। তারা কাঁদতে কাঁদতে নিজেদের শ্রান্তি দূর করে। কিন্তু পেরেশানী কোথায় যাবে? জ্ঞানের চশমা দিয়ে গভীরভাবে অবলোকন করলে দেখা যাবে, নামাযের মধ্যে খুশি (অর্থাৎ আল্লাহ্র নেয়ামতের ওয়াদা) শান্তি ও কান্না (গুনাহের কারণে অশ্রু) রয়েছে। আল্লাহ্ তা'আলার ভালবাসা ও সাক্ষাতের অশ্রু নামাযেই বিসর্জন সম্ভম। বস্তুত নামায খুশি ও দুঃখের সংমিশ্রণে গঠিত অবস্থার নাম। এমন দুঃখ, যার পরে শুধু সুখই সুখ। এরপর দুঃখের কোন বস্তু স্পর্শও করবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান 📄 সিজদাবস্থায় হস্তযুগল সোজা রাখা

📄 সিজদাবস্থায় হস্তযুগল সোজা রাখা


শরী'অত সিজদাবস্থায় হস্তযুগল সোজা রাখার নির্দেশই দিয়ে থাকে। স্বভাবত সারাদিন আমরা আমাদের হাতগুলো টান টান করে রাখি না বরং আমাদের হাত ঢিলা ও শিথিল অবস্থায় থাকে। এ অবস্থায় সর্বদা চলতে থাকলে হাতে একপ্রকার ব্যাধি দেখা দেয় আর তা হল হাতের আয়ত্ত শক্তি হ্রাস পাওয়া। হাতে প্রকৃতিগত শক্তি ও নড়াচড়ায় ঘাটতি দেখা দেওয়া। যখন আমরা সিজদাতে হাত সোজা রাখি, তখন তা হাত, আঙ্গুল ও জোড়াসমূহের জন্য এক বিশেষ প্রকারে ব্যায়াম হিসেবে পরিগণিত হয়, যার মাধ্যমে হাত উল্লিখিত ব্যাধি থেকে নিরাপদে থাকে এবং হাতের প্রাকৃতিক শক্তি ও বল স্থায়ী থাকে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية