📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 চেহারা কুচকে যাওয়া

📄 চেহারা কুচকে যাওয়া


মেরুদণ্ডের হারাম মগজ বৈদ্যুতিক তারের মত, যার মাধ্যমে পূর্ণ দেহে জীবন ফিরে আসে। সিজদার সময় রক্তের গতি দেহের উপরিভাগে ধাবিত হয়, যার ফলে চোখ, দাঁত ও সম্পূর্ণ চেহারায় আর্দ্রতা ফিরে আসে ও সতেজ হয়ে উঠে। ফলে গালের কুঞ্চন দূর হয়ে যায়। বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সংযোজন ঘটে। মানুষের দূরদর্শিতা বেড়ে যায়। অধিক বয়স পর্যন্ত বার্ধক্য পরিলক্ষিত হয় না। একশত বৎসর বয়সপ্রাপ্ত ব্যক্তিও ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারে। শুধু তাই নয়, তার মাঝে একপ্রকার বজ্রস্রোত চলতে থাকে যেটি শিরাউপশিরায় শক্তির যোগান দেয়। সঠিকভাবে সিজদা করার মাধ্যমে সর্দিকাশি, কানে কম শোনা ও মাথাব্যথা ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 যৌনরোগ

📄 যৌনরোগ


উভয় সিজদার মাঝে বসা গিট ও পায়ের নলা মজবুত করে। তাছাড়া বংশ বিস্তারের জন্যে আল্লাহ্ তা'আলা উরুর মাঝে যে মাংসপেশী সৃষ্টি করেছেন, তাকে বিশেষ শক্তি প্রদান করে। ফলে পুরুষত্বের দুর্বলতা দূর হয়ে যায়। আর দেহ ও মস্তিষ্ক সব দিক দিয়ে সবল হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বক্ষব্যাধি

📄 বক্ষব্যাধি


নামায শেষ হলে আমরা সালাম ফিরাই। গর্দান ফিরানোর দ্বারা গর্দানের রগ ও পেশীর শক্তি অর্জিত হয় এবং রগ ও পেশীর সাথে সম্পৃক্ত রোগ দেখা দেয় না। তদুপরি মানুষ উৎফুল্ল ও বলিষ্ঠ থাকে। বুক ও হাসুলীর (গলার নিচের হাড়) শিথিলতা দূর হয়ে যায়। সিনা চওড়া ও বড় হয়। এ সব পন্থা থেকে সে-সময় উপকৃত হওয়া যাবে, যখন আমরা নামায নামক ইবাদতটি তাড়াহুড়া না করে সমস্ত আদব ঠিক রেখে একাগ্রচিত্তে খুশু-খুযুর সাথে আদায় করব।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ওয়াশিংটনের জনৈক ডাক্তার ও নামায

📄 ওয়াশিংটনের জনৈক ডাক্তার ও নামায


ওয়াশিংটনে একবার আমার সাথে এক ডাক্তারের সাক্ষাৎ হল। তিনি বললেন: আমার মনের আকাঙ্ক্ষা হল, সমগ্র বিশ্বে নামায চালু হয়ে যাক। আমি বললাম, কেন জনাব? তিনি বললেন, এতে অবর্ণনীয় হেকমত রয়েছে। তিনি ছিলেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। আমাকে বললেন, আপনি তো ই' ঞ্জনিয়ার। তাই আপনি এ হিকমত বুঝবেন। আমি বললাম, বলুন জনাব তিনি বলতে লাগলেন, মানুষের শরীরের বৃত্তের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, মানুষের হৃৎপিণ্ডে এমন একটি পাম্প রয়েছে, যেটি কখনো নিজের মধ্যে রক্ত টেনে নেয় আবার কখনো সমগ্র দেহে ছড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ তা হতে সারা দেহে তাজা রক্ত আসা যাওয়া করে। মানুষ যখন বসা অথবা দাঁড়ানো অবস্থায় থাকে, তখন তুলনামূলকভাবে শরীরের নিম্নভাগে চাপ পড়ে।
তিনি বলেন, ভালোভাবে অনুধাবন করার জন্য একটি উদাহরণ পেশ করছি। মনে করুন, তিন তলা একটি প্রাসাদের নিচ তলায় একটি স্বল্প ক্ষমতা সম্পন্ন পাম্প বসানো আছে। পাম্পটি নিচ তলায় তো পানি পৌঁছাবে, দ্বিতীয় তলায়ও কিছু পানি পৌঁছাবে। কিন্তু তৃতীয় তলায় মোটেও পানি পৌঁছাতে পারবে না। অথচ ওই পাম্পটিই নিচের তলায় পূর্ণরূপে পানি সরবরাহ করছে। এর কারণ, পানি আছে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বস্থানে পানি পৌঁছানোর মতো শক্তি তার নেই।
এ উদাহরণটি সামনে রেখে চিন্তা করুন! মানুষের হৃৎপিণ্ড সর্বদা রক্ত সরবরাহ করে এবং এ রক্ত নিম্নভাগের অঙ্গসমূহে সহজেই পৌঁছে যায়। কিন্তু দেহের উপরিভাগে ঠিকমত পৌঁছে না। যখন এমন কোনো পদ্ধতির আবির্ভাব ঘটে, যার মাধ্যমে মাথা নিচের দিকে চলে যায় এবং হৃৎপিণ্ড উপরের দিকে উঠে যায়, তখন রক্ত পরিপূর্ণভাবে মাথার মধ্যে পৌঁছে যায়।
এছাড়া মানুষ যখন সিজদায় যায়, তখন সে নিজেই অনুভব করে, কেমন যেন তার চেহারা রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। সিজদা কিছুটা লম্বা হলে মনে হয়, রক্ত চেহারার চিকন রগসমূহেও পরিপূর্ণ রূপে পৌঁছে গেছে। তারপর তিনি আরও বললেন:
সাধারণত মানুষ বসা, দাঁড়ানো শোয়া অবস্থায় থাকে। এ তিন অবস্থায়ই মানুষের হৃৎপিণ্ড নিচে ও মাথা উপরের দিকে থাকে। একটি অবস্থা ই আছে, যখন মাথা নিচের দিকে ও হৃৎপিণ্ড উপরের দিকে থাকে। আর সেটি হল, সিজদাবস্থা। এতে প্রতিটি পেশী, শিরা ও ধমনীতে ঠিক মতো রক্ত পৌঁছে যায়।
আরেকটি পদ্ধতি হল, মাথা নিচু করে উল্টিয়ে দাঁড়ানো, তবে এটা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। নামাযী ব্যক্তির চেহারা সর্বদা উজ্জল ও নূরানী থাকে। কেননা নামাযে বারবার সিজদা করার ফলে তার সব ক'টি শিরায় রক্ত পৌঁছে যায়। আর যে ব্যক্তি নামায পড়ে না, সে ব্যক্তির চেহারায় একপ্রকার মলিন প্রকাশ পায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00