📄 মস্তিষ্কের যাবতীয় রোগ-ব্যাধি
নম্রতা ও একাগ্রচিত্তে দীর্ঘসময় সিজদা করা মস্তিষ্কের যাবতীয় রোগ ব্যাধির চিকিৎসা। মস্তিষ্ক নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত থেকে প্রয়োজনীয় অংশগ্রহণ করে, অপ্রয়োজনীয় পদার্থসমূহ রক্তের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডকে দিয়ে দেয়। যেন হৃৎপিণ্ড সেগুলো পেশাবের আকারে বের করে দিতে পারে। সিজদা থেকে ওঠার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন, মাথা ঝুঁকে থাকে এবং বাহু সোজা ও উভয়ের মাঝে কিঞ্চিত বিস্তৃতি থাকে। উঠার সময় উরুর উপর হাতের তালু রাখবে। কোমর যথাসম্ভব উপরের দিকে রাখবে এবং আস্তে আস্তে দাঁড়াবে অথবা বসে যাবে।
📄 চেহারা কুচকে যাওয়া
মেরুদণ্ডের হারাম মগজ বৈদ্যুতিক তারের মত, যার মাধ্যমে পূর্ণ দেহে জীবন ফিরে আসে। সিজদার সময় রক্তের গতি দেহের উপরিভাগে ধাবিত হয়, যার ফলে চোখ, দাঁত ও সম্পূর্ণ চেহারায় আর্দ্রতা ফিরে আসে ও সতেজ হয়ে উঠে। ফলে গালের কুঞ্চন দূর হয়ে যায়। বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সংযোজন ঘটে। মানুষের দূরদর্শিতা বেড়ে যায়। অধিক বয়স পর্যন্ত বার্ধক্য পরিলক্ষিত হয় না। একশত বৎসর বয়সপ্রাপ্ত ব্যক্তিও ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারে। শুধু তাই নয়, তার মাঝে একপ্রকার বজ্রস্রোত চলতে থাকে যেটি শিরাউপশিরায় শক্তির যোগান দেয়। সঠিকভাবে সিজদা করার মাধ্যমে সর্দিকাশি, কানে কম শোনা ও মাথাব্যথা ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
📄 যৌনরোগ
উভয় সিজদার মাঝে বসা গিট ও পায়ের নলা মজবুত করে। তাছাড়া বংশ বিস্তারের জন্যে আল্লাহ্ তা'আলা উরুর মাঝে যে মাংসপেশী সৃষ্টি করেছেন, তাকে বিশেষ শক্তি প্রদান করে। ফলে পুরুষত্বের দুর্বলতা দূর হয়ে যায়। আর দেহ ও মস্তিষ্ক সব দিক দিয়ে সবল হয়ে যায়।
📄 বক্ষব্যাধি
নামায শেষ হলে আমরা সালাম ফিরাই। গর্দান ফিরানোর দ্বারা গর্দানের রগ ও পেশীর শক্তি অর্জিত হয় এবং রগ ও পেশীর সাথে সম্পৃক্ত রোগ দেখা দেয় না। তদুপরি মানুষ উৎফুল্ল ও বলিষ্ঠ থাকে। বুক ও হাসুলীর (গলার নিচের হাড়) শিথিলতা দূর হয়ে যায়। সিনা চওড়া ও বড় হয়। এ সব পন্থা থেকে সে-সময় উপকৃত হওয়া যাবে, যখন আমরা নামায নামক ইবাদতটি তাড়াহুড়া না করে সমস্ত আদব ঠিক রেখে একাগ্রচিত্তে খুশু-খুযুর সাথে আদায় করব।