📄 একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা
আমার এক বন্ধু নিজের শরীর পাতলা ও হালকা করার জন্য আমেরিকা গিয়েছিল। সেখানকার একজন সুদক্ষ ডাক্তার বললেন: তোমরা মুসলমান, তোমাদের চিকিৎসা নামায। নামায পড়তে থাক, এতে তোমাদের দেহ ঠিক হয়ে যাবে। এরপরও যদি কিছু ত্রুটি থাকে, তাহলে তাহাজ্জুদ নামায পড়।
📄 আলসারের চিকিৎসা সিজদার মধ্যে
যে সকল মানুষের পাকস্থলী জ্বালাপোড়া করে এবং যখম হয়ে যায়, সঠিকভাবে সিজদা করার মাধ্যমে এ রোগের নিরসন ঘটে। সিজদার মধ্যে কপাল জমিনে রাখা হয়। যার ফলে মস্তিষ্কের তরঙ্গ জমিনের আভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎগতির সাথে সরাসরি মিলিত হয়ে মস্তিষ্ককে অনেক গুণ শক্তিশালী করে তোলে। এ অবস্থায় মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ শান্ত হয়ে যায়। এ প্রশান্ত মস্তিষ্ক পাকস্থলীকে অধিক পরিমাণে এসিড সৃষ্টি করতে বাঁধা প্রদান করে। ফলে পাকস্থলীর ক্ষত ভালো হয়ে যায়।
📄 মস্তিষ্কের যাবতীয় রোগ-ব্যাধি
নম্রতা ও একাগ্রচিত্তে দীর্ঘসময় সিজদা করা মস্তিষ্কের যাবতীয় রোগ ব্যাধির চিকিৎসা। মস্তিষ্ক নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত থেকে প্রয়োজনীয় অংশগ্রহণ করে, অপ্রয়োজনীয় পদার্থসমূহ রক্তের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডকে দিয়ে দেয়। যেন হৃৎপিণ্ড সেগুলো পেশাবের আকারে বের করে দিতে পারে। সিজদা থেকে ওঠার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন, মাথা ঝুঁকে থাকে এবং বাহু সোজা ও উভয়ের মাঝে কিঞ্চিত বিস্তৃতি থাকে। উঠার সময় উরুর উপর হাতের তালু রাখবে। কোমর যথাসম্ভব উপরের দিকে রাখবে এবং আস্তে আস্তে দাঁড়াবে অথবা বসে যাবে।
📄 চেহারা কুচকে যাওয়া
মেরুদণ্ডের হারাম মগজ বৈদ্যুতিক তারের মত, যার মাধ্যমে পূর্ণ দেহে জীবন ফিরে আসে। সিজদার সময় রক্তের গতি দেহের উপরিভাগে ধাবিত হয়, যার ফলে চোখ, দাঁত ও সম্পূর্ণ চেহারায় আর্দ্রতা ফিরে আসে ও সতেজ হয়ে উঠে। ফলে গালের কুঞ্চন দূর হয়ে যায়। বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সংযোজন ঘটে। মানুষের দূরদর্শিতা বেড়ে যায়। অধিক বয়স পর্যন্ত বার্ধক্য পরিলক্ষিত হয় না। একশত বৎসর বয়সপ্রাপ্ত ব্যক্তিও ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারে। শুধু তাই নয়, তার মাঝে একপ্রকার বজ্রস্রোত চলতে থাকে যেটি শিরাউপশিরায় শক্তির যোগান দেয়। সঠিকভাবে সিজদা করার মাধ্যমে সর্দিকাশি, কানে কম শোনা ও মাথাব্যথা ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।