📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রুকুর মাধ্যমে যকৃতের ব্যাধির চিকিৎসা

📄 রুকুর মাধ্যমে যকৃতের ব্যাধির চিকিৎসা


ঝুঁকে রুকু করার সময় উভয় হাত হাঁটুর উপর এমনভাবে রাখতে হয়, যাতে করে কোমর সম্পূর্ণরূপে সোজা থাকে এবং হাঁটুও ঝুঁকে না যায়। এ আমলটির দ্বারা পাকস্থলীতে শক্তির সঞ্চার হয়। হজমক্রিয়া ঠিক হয়ে যায়। সঙ্কোচন দূর হয়ে যায়, পাকস্থলীর অন্যান্য দোষত্রুটি- যেমন, অস্ত্র ও পেটের নাড়িভুঁড়ির শিথিলতার অবসান ঘটে। রুকুর আমলটি যকৃৎ ও কিডনীর কার্য ঠিক করে দেয়। তাছাড়া কোমর ও পেটের চর্বি হ্রাস পায়। রক্তের গতিবেগ তীব্র হয়।
যেহেতু হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ক এ কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে, সেহেতু হৃৎপিণ্ড সহজেই মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন করতে সক্ষম হয়। ফলে মস্তিষ্কের দায়িত্ব কমে যায় ও প্রশান্তি লাভ করে। আর এতে করে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রুকুতে হাত নিচের দিকে নেমে যায়, যার ফলে কাঁধ থেকে হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত পূর্ণ অংশের ব্যায়াম হয়ে যায়। শুধু তাই নয়। এতে করে বাহুর সংযোগ স্থল অত্যন্ত মজবুত হয় এবং বার্ধক্যের কারণে জোড়াসমূহের জমাটবদ্ধ দূষিত পদার্থ অনায়াসে বের হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ভুঁড়ি কমানোর মাধ্যম

📄 ভুঁড়ি কমানোর মাধ্যম


রুকুর পর সোজাভাবে দাঁড়িয়ে তারপর আমরা সিজদায় যাই। সিজদায় যাওয়ার সময় সর্বপ্রথম হাত মাটিতে রাখা হয় (বিশেষ করে মহিলাদের জন্য) এটি মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী ও মজবুত করে তুলে। মহিলাদের ভিতরগত শিরায় শক্তির যোগান দেয়। যদি রুকু থেকে উঠে সাথে সাথে সিজদায় না যাওয়া হয়, তাহলে এতে দেহের ভিতরগত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যায়াম হয়ে যায়। সিজদার অবস্থাটিও একটি ব্যায়াম, যেটি উরুর অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড কমিয়ে দেয় এবং জোড়াসমূহ খুলে দেয়। যদি চর্বির জোড়াসমূহ শুকিয়ে যায়, অথবা চর্বি কমে যায়, তাহলে এর দ্বারা ওই ঘাটতির পূরণ হয়ে যায় এবং ভুঁড়ি কমে যায়। উপযুক্ত ও স্বাভাবিক পেটে দেহ সুগঠিত ও সৌন্দর্য মণ্ডিত মনে হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা

📄 একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা


আমার এক বন্ধু নিজের শরীর পাতলা ও হালকা করার জন্য আমেরিকা গিয়েছিল। সেখানকার একজন সুদক্ষ ডাক্তার বললেন: তোমরা মুসলমান, তোমাদের চিকিৎসা নামায। নামায পড়তে থাক, এতে তোমাদের দেহ ঠিক হয়ে যাবে। এরপরও যদি কিছু ত্রুটি থাকে, তাহলে তাহাজ্জুদ নামায পড়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আলসারের চিকিৎসা সিজদার মধ্যে

📄 আলসারের চিকিৎসা সিজদার মধ্যে


যে সকল মানুষের পাকস্থলী জ্বালাপোড়া করে এবং যখম হয়ে যায়, সঠিকভাবে সিজদা করার মাধ্যমে এ রোগের নিরসন ঘটে। সিজদার মধ্যে কপাল জমিনে রাখা হয়। যার ফলে মস্তিষ্কের তরঙ্গ জমিনের আভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎগতির সাথে সরাসরি মিলিত হয়ে মস্তিষ্ককে অনেক গুণ শক্তিশালী করে তোলে। এ অবস্থায় মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ শান্ত হয়ে যায়। এ প্রশান্ত মস্তিষ্ক পাকস্থলীকে অধিক পরিমাণে এসিড সৃষ্টি করতে বাঁধা প্রদান করে। ফলে পাকস্থলীর ক্ষত ভালো হয়ে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00