📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নামায হাই ব্লাড প্রেসার রোগের চিকিৎসা স্বরূপ

📄 নামায হাই ব্লাড প্রেসার রোগের চিকিৎসা স্বরূপ


নামাযের জন্য সর্বপ্রথম আমরা অজু করে থাকি। অজু চলাকালীন আমরা যখন নিজেদের চেহারা, কনুই পর্যন্ত হাত ও পা ধৌত করি এবং মাথা মাসাহ করি। তখন আমাদের দেহের চলমান রক্ত এক নবজীবন লাভ করে, যার মাধ্যমে আমাদের প্রশান্তি লাভ হয়। ফলে আমাদের শিরা উপশিরার কর্মধারা প্রভাবান্বিত হয়। এদিকে শিরা ও স্নায়ুর স্থিরতায় মস্তিষ্ক আরাম পায়। আর প্রধান প্রধান অঙ্গসমূহ অর্থাৎ মাথা, ফুসফুস, অন্তর, কলিজা ইত্যাদির কর্ম স্ব-স্ব অবস্থায় চলতে থাকে। তাছাড়া রক্তের উচ্চচাপ কমে গিয়ে সাধারণ অবস্থায় ফিরে আসে। চেহারায় উজ্জ্বলতা, সৌন্দর্য ও কমনীয়তা পরিলক্ষিত হয়। অযুর দ্বারা স্নায়ুর শিথিলতা বিদূরিত হয়, চোখ আকর্ষণীয় হয় ও 'অলসতা দূর হয়। আপনি কখনো পরীক্ষামূলকভাবে হাই প্রেসারের রোগীকে অজু করালে দেখতে পাবেন যে, তার রক্তচাপ অনেকটা হ্রাস পেয়েছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দাঁড়িয়ে নামায পড়া গিটের ব্যথার উপশম ঘটায়

📄 দাঁড়িয়ে নামায পড়া গিটের ব্যথার উপশম ঘটায়


নামাযের মাধ্যমে শরীরের সংযোগ অংশের চিকিৎসা সম্ভব। অযু করার পর যখন আমরা নামাযে দণ্ডায়মান হই, তখন প্রথমে আমাদের শরীর ঢিলা হয়ে যায়। কিন্তু নামাযের নিয়ত বাঁধার জন্য যখন আমরা হাত উত্তোলন করি, তখন কুদরতীভাবে দেহে একপ্রকার রূহানী শক্তির সৃষ্টি হয়।
এ অবস্থায় মানুষের মধ্যকার আলস্যভাব কেটে যায়। আর হৃৎপিণ্ড থেকে রক্তের চাপ মেরুদণ্ডের দিকে ধাবিত হয়ে প্রতিটি পেশীতে ছড়িয়ে পড়ে। সকলেই জানেন দৈহিক সুস্থতার জন্য মেরুদণ্ডের ভূমিকা অনন্য। পরিপূর্ণ সুস্থতার ভিত্তি মেরুদণ্ডের স্থিতিশীলতার ওপর। নামাযে দণ্ডায়মান হওয়া গিট, টাখনু, পায়ের গোছা, পাঞ্জা ও হাতের জোড়া শক্তিশালী করে। গিটের ব্যথা বিলুপ্ত করে। তবে শর্ত হল, দেহ সোজা থাকা ও পায়ের নলায় বক্রতা সৃষ্টি না হওয়া।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রুকুর মাধ্যমে যকৃতের ব্যাধির চিকিৎসা

📄 রুকুর মাধ্যমে যকৃতের ব্যাধির চিকিৎসা


ঝুঁকে রুকু করার সময় উভয় হাত হাঁটুর উপর এমনভাবে রাখতে হয়, যাতে করে কোমর সম্পূর্ণরূপে সোজা থাকে এবং হাঁটুও ঝুঁকে না যায়। এ আমলটির দ্বারা পাকস্থলীতে শক্তির সঞ্চার হয়। হজমক্রিয়া ঠিক হয়ে যায়। সঙ্কোচন দূর হয়ে যায়, পাকস্থলীর অন্যান্য দোষত্রুটি- যেমন, অস্ত্র ও পেটের নাড়িভুঁড়ির শিথিলতার অবসান ঘটে। রুকুর আমলটি যকৃৎ ও কিডনীর কার্য ঠিক করে দেয়। তাছাড়া কোমর ও পেটের চর্বি হ্রাস পায়। রক্তের গতিবেগ তীব্র হয়।
যেহেতু হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ক এ কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে, সেহেতু হৃৎপিণ্ড সহজেই মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন করতে সক্ষম হয়। ফলে মস্তিষ্কের দায়িত্ব কমে যায় ও প্রশান্তি লাভ করে। আর এতে করে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রুকুতে হাত নিচের দিকে নেমে যায়, যার ফলে কাঁধ থেকে হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত পূর্ণ অংশের ব্যায়াম হয়ে যায়। শুধু তাই নয়। এতে করে বাহুর সংযোগ স্থল অত্যন্ত মজবুত হয় এবং বার্ধক্যের কারণে জোড়াসমূহের জমাটবদ্ধ দূষিত পদার্থ অনায়াসে বের হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ভুঁড়ি কমানোর মাধ্যম

📄 ভুঁড়ি কমানোর মাধ্যম


রুকুর পর সোজাভাবে দাঁড়িয়ে তারপর আমরা সিজদায় যাই। সিজদায় যাওয়ার সময় সর্বপ্রথম হাত মাটিতে রাখা হয় (বিশেষ করে মহিলাদের জন্য) এটি মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী ও মজবুত করে তুলে। মহিলাদের ভিতরগত শিরায় শক্তির যোগান দেয়। যদি রুকু থেকে উঠে সাথে সাথে সিজদায় না যাওয়া হয়, তাহলে এতে দেহের ভিতরগত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যায়াম হয়ে যায়। সিজদার অবস্থাটিও একটি ব্যায়াম, যেটি উরুর অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড কমিয়ে দেয় এবং জোড়াসমূহ খুলে দেয়। যদি চর্বির জোড়াসমূহ শুকিয়ে যায়, অথবা চর্বি কমে যায়, তাহলে এর দ্বারা ওই ঘাটতির পূরণ হয়ে যায় এবং ভুঁড়ি কমে যায়। উপযুক্ত ও স্বাভাবিক পেটে দেহ সুগঠিত ও সৌন্দর্য মণ্ডিত মনে হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00