📄 সিজদা
যখন নামাযী ব্যক্তি সিজদা করে, তখন তার মাথার শিরা-উপশিরাগুলোতে রক্ত চলাচল দারুণ বৃদ্ধি পায়; দেহের অন্য কোনো অবস্থায়ই তাতে এত বেশি রক্ত প্রবাহিত হয় না। ফলে চোখের দৃষ্টিশক্তি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
📄 স্থায়ী সৌন্দর্যের রহস্য
শায়খ যুলফিকার আহমদ সাহেব বলেন, নামাযী ব্যক্তির চেহারা সর্বদা কোমল থাকে। কেননা নামায ও সিজদার কারণে তার সম্পূর্ণ দেহের শিরায় শিরায় রক্ত পৌঁছতে থাকে। যে ব্যক্তি নামায পড়ে না, তার চেহারায় একপ্রকার মলিনতা ছেয়ে যায়। এজন্য হাদীস শরীফে এসেছে, যে ব্যক্তি নামায পড়ে তার চেহারার মধ্যে নেক্কার লোকদের নূর পরিস্ফুটিত হয়ে উঠে।
📄 মহিলাদের সিজদা ও ওয়াশিংটনের ডাক্তার
জনৈক ইঞ্জিনিয়ার সাহেব বলেন, একদিন আমার সাথে এক আমেরিকান ডাক্তারের সাক্ষাৎ হলে তিনি কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন- বিশ্বাস করুন! যদি মেয়েরা জানত যে, নামাযে লম্বা সিজদা করার কারণে চেহারা মসৃণ ও লাবণ্যময় হয় এবং তাতে নূর দেখা দেয়, তা হলে তারা সিজদা থেকে মাথাই উঠাত না (মাওয়ায়েযে শায়েখ ইঞ্জিনিয়ার নক্শবন্দি)।
📄 সিজদা ও আত্মিক সম্পর্ক
প্রতি সেকেণ্ডে আলোর গতি ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৮২ মাইল। আর পৃথিবী প্রতি সেকেণ্ডে আট বার ঘুরে। যখন নামাযী ব্যক্তি সিজদাবস্থায় জমিনে মাথা রাখে, তখন তার মস্তিষ্কের ভিতরে যে রশ্মি আছে, সেগুলো জমিনের সাথে মিশে যায়। ফলে মস্তিষ্কের গতিবেগ আলোর গতিবেগে পরিণত হয়। তাছাড়া এ সময় মস্তিষ্কের ভিতর অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা সৃষ্টিকারী চমক্কে জমিন শোষণ করে নেয়। ফলে নামাযী ব্যক্তির অজান্তেই চিন্তার প্রচণ্ড চাপ থেকে মুক্তি লাভ করে। উপরন্তু সিজদার মাধ্যমে সৃষ্টি জগতের একক স্রষ্টা মহান আল্লাহ্ তা'আলার সাথেও বান্দার সুমধুর সম্পর্ক কায়েম হয়। রূহানী শক্তি এ পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যে, তার সম্মুখ থেকে তখন যাবতীয় পর্দা সরে গিয়ে অদৃশ্য জগতের চিত্র উদ্ভাসিত হতে থাকে। যখন নামাযী ব্যক্তি শূন্য ও বাতাস থেকে আলোক রশ্মি নিয়ে মস্তক, নাক, হাঁটু, হাত ও পায়ের বিশটি আঙ্গুল জমিনে মিলিয়ে সিজদায় যায়, তখন শরীরের উপরাংশের রক্ত মস্তকে নেমে আসে এবং মস্তিষ্ককে অধিক শক্তিশালী করে।