📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কিয়াম বা দাঁড়ানো

📄 কিয়াম বা দাঁড়ানো


কিয়াম বা দাঁড়িয়ে নামায পড়া নামাযের সর্বপ্রথম অবস্থা। এ সময় দেহ সম্পূর্ণরূপে স্থির থাকে। ফলে নিম্নোক্ত উপকারগুলো হাসিল হয় :

(১) হাদীস শরীফে আছে- “যখন নামাযী কিরাত পড়ার সময় যেন এতটুকু জোরে পড়ে, যাতে সে নিজে তা শুনতে পায়।” সুতরাং কেরাত পাঠের সময় পবিত্র কুরআনের শব্দাবলী থেকে বিচ্ছুরিত নূরসমূহ নামাযী ব্যক্তির পূর্ণ শরীরে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করে।
(২) দাঁড়ানোর মাধ্যমে শরীরে এক অনাবিল প্রশান্তি অনুভূত হয়।
(৩) নামাযী ব্যক্তি দাঁড়িয়ে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করার ফলে তার দেহ একটি নূরের বেষ্টনীতে আবদ্ধ থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত সে এ অবস্থায় থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে বিজ্ঞানের ভাষায় অদৃশ্য আলোক রশ্মির বেষ্টনীতে ঢাকা থাকে。
(৪) কিয়ামের মধ্যে নামাযী ব্যক্তি যে অবস্থায় থাকে, সে যদি প্রত্যহ এভাবে ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে, তা হলে তার মস্তিষ্ক ও শিরা-উপশিরায় একপ্রকার শক্তির সৃষ্টি হয়। তাছাড়া এর মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
(৫) কিয়ামের মাধ্যমে মস্তিষ্কের পশ্চাৎ ভাগ শক্তিশালী হয় এবং এর দ্বারা এমন এক দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে বাঁচা সম্ভব হয়, যা মানবদেহের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মহিলাদের সিনার উপর হাত বাঁধা

📄 মহিলাদের সিনার উপর হাত বাঁধা


মহিলারা যখন নিয়্যত করে বুকের উপর হাত বাঁধে, তখন একপ্রকার বিশুদ্ধ উত্তাপ তার দেহাভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং মাংসগ্রন্থিতে বাড়তি শক্তির সঞ্চার হয়। আর এখানেই শিশুদের খাদ্যোপোকরণ সংরক্ষিত থাকে। তাছাড়া বুকের উপর হাত রাখা দুগ্ধদানকারী মায়ের দুধেও বিরাট প্রভাব সৃষ্টি করে। কেননা এর ফলে বাচ্চাদের ভিতরে নূর সঞ্চিত হতে থাকে, যদ্বারা তাদের অভ্যন্তরে এমন একটি চিত্র অঙ্কিত হয়। ফলে তার ধ্যান-ধারণাও নূরানী হয়ে থাকে।
বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, মহিলারা যখন বুকের উপর হাত বাঁধে এবং আল্লাহ্ তা'আলার দিকে গভীর মনোযোগী হয়, তখন একপ্রকার বিশেষ ধরনের আলোক রশ্মির সৃষ্টি হয়। যা ডঃ ডারউইনের মতে হালকা নীল বা সাদা রংয়ের হয়ে থাকে। তা তাদের দেহাভ্যন্তরে আসা-যাওয়া করতে থাকে। ফলে তার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সে কখনো দূরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পুরুষের নাভীর নিচে হাত বাঁধা

📄 পুরুষের নাভীর নিচে হাত বাঁধা


নামাযী ব্যক্তি যখন নাভী কিংবা তার নিচে হাত বাঁধে, তখন উভয় হাত থেকে একপ্রকার আলোক রশ্মি নির্গত হয়, যা ইতিবাচক (Positive) ও নেতিবাচক (Negative) হয়ে থাকে। (একথা পূর্বেও বলা হয়েছে)। তারপর ওই আলোক রশ্মি একটি অপরটির সাথে মিশ্রিত হয়ে এমন এক ক্রিয়ার সৃষ্টি করে, যা নাভীর মাধ্যমে উদরস্থ প্রতিটি শিরা-উপশিরায় প্রবেশ করে হৃদপিণ্ডকে প্রবল শক্তিশালী করে তোলে। ফলে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রুকু

📄 রুকু


রাওয়ালপিন্ডি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল ডা. মুহাম্মদ নূর সাহেব বলেন- একদা এক সার্জন ডাক্তার যার স্ত্রীও সার্জন ছিল - আমার নিকট এসে বলতে লাগলেন ডাঃ সাহেব! গিরা ও কোমরের ব্যথার জন্য বহু চিকিৎসা করেছি; কিন্তু কোনো চিকিৎসা কাজ হয় নি। এতৎশ্রবণে পাশে উপবিষ্ট ডা. নওয়াজ সাহেব সার্জনকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি নামায পড়েন? সার্জন সাহেব বললেন, হ্যাঁ! আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ি। এরপর ডা. নওয়াজ সাহেব পুনরায় বলতে লাগলেন, আপনি হয়ত উত্তমরূপে রুকু-সিজদা করেন না। এটা করলে ইনশাআল্লাহ আপনার ব্যথা ভালো হয়ে যাবে। কিছু দিন পর বাস্তবিকই দেখা গেল, তিনি ডা. নওয়াজ সাহেবের কথা মতো আমল করার কারণে তার ব্যথা দূর হয়ে গেছে।
রুকু মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং যে রোগের কারণে দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো নিস্তেজ ও দূর্বল হয়ে পড়ে, তা দ্রুত ভালো করে। রুকু হৃৎপিণ্ডে পাথর সৃষ্টি হওয়াকে বারণ করে। যাদের হৃৎপিণ্ডে পাথর হয়ে গেছে, রুকুর মাধ্যমে উক্ত পাথর অতি তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায়। তাছাড়া রুকুর মাধ্যমে পা অবশ হওয়া রোগী অতি তাড়াতাড়ি চলতে ফিরতে সক্ষম হয়। রুকুর দ্বারা মস্তিষ্কে ও চোখে রক্ত চলাচল হওয়ার কারণে মস্তিষ্ক ও চোখের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00