📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দরূদ শরীফের আশ্চর্য ফল

📄 দরূদ শরীফের আশ্চর্য ফল


একদা আমার নিকট একজন নেতৃস্থানীয় লোক চিকিৎসার জন্য আগমন করে। তার রোগ ছিল আছরের সময় মস্তিষ্কের চাপ, অস্থিরতা ও অশান্তি লাগা এবং ক্রমান্বয়ে তা বৃদ্ধি পাওয়া। এভাবে কিছু সময় থাকার পর মাগরিবের পরে তা আবার ভাল হয়ে যেত। আমি তাকে চিকিৎসাস্বরূপ কিছু ঔষধ প্রদান করি আর বেশি বেশি দরূদ শরীফ পড়ার নির্দেশ দিই। তারপর কিছুদিনের মধ্যেই উক্ত রোগী বিস্ময়করভাবে মুক্তি লাভ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আছরের নামাযের পর অযীফা পড়ার কারণ

📄 আছরের নামাযের পর অযীফা পড়ার কারণ


আছরের নামাযের পর কিছুক্ষণ তাসবীহ-তাহলীল ও যিকির-আযকার করা এবং এরপর দু'আ করা শরি'অতের নির্দেশ। এ যিকির ও অযীফার কারণে আগত নুরানী রশ্মিগুলো জমীনের নড়াচড়া করে। ফলে ওই নির্গত গ্যাসের ভয়ানক প্রতিক্রিয়া থেকে মানুষ রক্ষা পায়।
আল্লাহওয়ালা ও বুযুর্গ লোকদের দেখা যায়, তারা আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত বিভিন্ন যিকির-আযকারে ও অযীফা আদায়ে মশগুল থাকেন। এর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি হল, তারা এসব অযীফা ও যিকির-আযকারের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের চক্রাকারে ও লম্বালম্বি ঘুরপাকের ফলে সৃষ্ট যাবতীয় ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাগরিবের নামায ও আধ্যাত্মিক রশি

📄 মাগরিবের নামায ও আধ্যাত্মিক রশি


মানুষ এজন্য আল্লাহ তা'আলার প্রতি শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে যে, তিনি তাকে রিযিক দিয়েছেন এবং কায়-কারবারের মাধ্যমে তার ও তার পরিবার-পরিজনদের প্রয়োজনীয় উপকরণাদির সুব্যবস্থা করেছেন। শুধু তাই নয়, কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি সে সীমাহীন আনন্দিতও হয়। ফলে তার মধ্যে মহান স্রষ্টা আল্লাহ তা'আলার ওই সকল গুণাবলীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে, যেগুলো দ্বারা তিনি এ বিশ্ব-ভুমণ্ডলকে সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং এ সকল অবস্থা নিয়ে সে যখন মাগরিবের নামায আদায় করে তার পরিবার-পরিজনদের নিকট গমন করে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন প্রকার কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন তার আভ্যন্তরীণ আলোক রশ্মিগুলো তাদের উপর বিচ্ছুরিত হয় এবং এ রশ্মির প্রভাবে ছেলে-মেয়েদের অন্তরে পিতা-মাতার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধাবোধ জন্ম লাভ করে। তখন তারা অজান্তেই পিতা-মাতার সদাভ্যাসগুলোও উত্তমরূপে গ্রহণ করে নেয়। তাছাড়া এর ফলে তাদের মনে মা-বাবাকে ভালবাসা ও মহব্বতের তীব্র আগ্রহও সৃষ্টি হয়।
মোটকথা, এহতেমাম ও গুরুত্বের সাথে মাগরিবের নামায আদায়কারী ব্যক্তির সন্তানগণ সৌভাগ্যশীল ও পিতামাতার অনুগত হয়ে থাকে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ঈশার নামায

📄 ঈশার নামায


মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই লোভী। সে যখন দুনিয়ার কাজকর্ম থেকে অবসর হয়ে ঘরে প্রত্যাবর্তন করে এবং খানা খেতে বসে, তখন মজা ও লোভের বশীভূত হয়ে সে বেশি খেয়ে ফেলে। এমতাবস্থায় যদি সে খানা খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ে, তা হলে তার নানাবিধ ধ্বংসাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তাই আল্লাহ দয়াপরবশ হয়ে তাকে এশার নামায পড়ার বিধান দিয়েছেন, যাতে খানা ও শোয়ার মাঝে কিছুটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তাছাড়া মানুষ যদি গোটা দিনের ক্লান্তিকর মস্তিষ্ক নিয়েই ঘুমিয়ে পড়ে, তা হলে সে আরামে ঘুমাতে পারবে না। সুতরাং নামাযের মধ্যে তার আরাম মিলবে।
অতএব দেখা যাচ্ছে, খানা এবং আরামের যাবতীয় ব্যবস্থাপনা নামাযের মাধ্যমে হয়ে যাচ্ছে। উপরন্তু ইশার নামায আদায় করে সে যখন ঘুমাল, তখন যেমনিভাবে ভোর বেলা উঠেই ফজর নামাযের মাধ্যমে তার কিছুটা হালকা ব্যায়াম হয়ে যায়, তেমনি ইশার নামাযের পূর্ণ ব্যায়ামও তাকে অনাবিল প্রশান্তিতে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।
বর্তমান যুগে ডাক্তারগণ শোয়ার পূর্বে কিছু হালকা ব্যায়ামের প্রতি গুরুত্বারোপ করে থাকেন। অনেকে তো আরোও বলেন, শোয়ার পূর্বে নামাযের চেয়ে উত্তম ও উৎকৃষ্ট কোনো ব্যায়াম নেই।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00