📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আছরের নামায

📄 আছরের নামায


ভূ-পৃষ্ঠ স্থির নয় বরং সৃষ্টির সূচনা লগ্ন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সর্বদ সে চলছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তার এ চলা অব্যাহত থাকবে। ভূ-পৃষ্ঠ দু'ভাবে পরিভ্রমণ করছে। চক্রাকারে এবং লম্বালম্বিভাবে। সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পর ভূ-পৃষ্ঠের চক্রাকারে পরিভ্রমণে কমতি আসে এবং ক্রমান্বয়ে তা আরও বেশি কমে যায়। এমনকি আছরের সময় কমার পরিমাণ এত অল্প হয়ে যায় যে, দেহের ইন্দ্রিয়গুলোতে এর প্রভাব পড়ে।
মানুষ, জীবজন্তু, পশু-পাখি সকলের উদ্যম ও অনুভূতি শক্তিও তখন কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। প্রত্যেক অনুভূতি সম্পন্ন মানুষই টের পায় যে, আছরের সময় তাদের ক্লান্তি, অস্থিরতা ও অলসতা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। সুতরাং যখন মানুষ আছরের নামায আদায় করে, তখন এর দ্বারা যাবতীয় ক্লান্তি ও অলসতা দূর হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কে কোনো খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় না। শুধু তাই নয়, ওযু এবং আছরের নামায আদায়কারী ব্যক্তির অনুভূতিতে এমন এক নতুন শক্তির সঞ্চার হয়, যা দ্বারা যাবতীয় ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার সাথে সাথে আত্মিক শক্তিও বৃদ্ধি পায় এবং মন-মস্তিষ্কে প্রবল কর্মস্পৃহা জাগ্রত হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দরূদ শরীফের আশ্চর্য ফল

📄 দরূদ শরীফের আশ্চর্য ফল


একদা আমার নিকট একজন নেতৃস্থানীয় লোক চিকিৎসার জন্য আগমন করে। তার রোগ ছিল আছরের সময় মস্তিষ্কের চাপ, অস্থিরতা ও অশান্তি লাগা এবং ক্রমান্বয়ে তা বৃদ্ধি পাওয়া। এভাবে কিছু সময় থাকার পর মাগরিবের পরে তা আবার ভাল হয়ে যেত। আমি তাকে চিকিৎসাস্বরূপ কিছু ঔষধ প্রদান করি আর বেশি বেশি দরূদ শরীফ পড়ার নির্দেশ দিই। তারপর কিছুদিনের মধ্যেই উক্ত রোগী বিস্ময়করভাবে মুক্তি লাভ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আছরের নামাযের পর অযীফা পড়ার কারণ

📄 আছরের নামাযের পর অযীফা পড়ার কারণ


আছরের নামাযের পর কিছুক্ষণ তাসবীহ-তাহলীল ও যিকির-আযকার করা এবং এরপর দু'আ করা শরি'অতের নির্দেশ। এ যিকির ও অযীফার কারণে আগত নুরানী রশ্মিগুলো জমীনের নড়াচড়া করে। ফলে ওই নির্গত গ্যাসের ভয়ানক প্রতিক্রিয়া থেকে মানুষ রক্ষা পায়।
আল্লাহওয়ালা ও বুযুর্গ লোকদের দেখা যায়, তারা আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত বিভিন্ন যিকির-আযকারে ও অযীফা আদায়ে মশগুল থাকেন। এর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি হল, তারা এসব অযীফা ও যিকির-আযকারের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের চক্রাকারে ও লম্বালম্বি ঘুরপাকের ফলে সৃষ্ট যাবতীয় ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মাগরিবের নামায ও আধ্যাত্মিক রশি

📄 মাগরিবের নামায ও আধ্যাত্মিক রশি


মানুষ এজন্য আল্লাহ তা'আলার প্রতি শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে যে, তিনি তাকে রিযিক দিয়েছেন এবং কায়-কারবারের মাধ্যমে তার ও তার পরিবার-পরিজনদের প্রয়োজনীয় উপকরণাদির সুব্যবস্থা করেছেন। শুধু তাই নয়, কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি সে সীমাহীন আনন্দিতও হয়। ফলে তার মধ্যে মহান স্রষ্টা আল্লাহ তা'আলার ওই সকল গুণাবলীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে, যেগুলো দ্বারা তিনি এ বিশ্ব-ভুমণ্ডলকে সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং এ সকল অবস্থা নিয়ে সে যখন মাগরিবের নামায আদায় করে তার পরিবার-পরিজনদের নিকট গমন করে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন প্রকার কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন তার আভ্যন্তরীণ আলোক রশ্মিগুলো তাদের উপর বিচ্ছুরিত হয় এবং এ রশ্মির প্রভাবে ছেলে-মেয়েদের অন্তরে পিতা-মাতার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধাবোধ জন্ম লাভ করে। তখন তারা অজান্তেই পিতা-মাতার সদাভ্যাসগুলোও উত্তমরূপে গ্রহণ করে নেয়। তাছাড়া এর ফলে তাদের মনে মা-বাবাকে ভালবাসা ও মহব্বতের তীব্র আগ্রহও সৃষ্টি হয়।
মোটকথা, এহতেমাম ও গুরুত্বের সাথে মাগরিবের নামায আদায়কারী ব্যক্তির সন্তানগণ সৌভাগ্যশীল ও পিতামাতার অনুগত হয়ে থাকে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00