📄 নামাযের মানসিক প্রতিক্রিয়া
মানুষ ইয্যত ও সম্ভ্রমের সাথে জীবন যাপন করবে, এটাই তাদের প্রকৃতিগত নিয়ম। কিন্তু সে যদি ইসলামী শিক্ষা-দীক্ষা ও পাক-পবিত্রতার বিষয়গুলোকে এড়িয়ে চলে কিংবা এ ব্যাপারে অবহেলা বা শৈথিল্য প্রদর্শন করে, তাহলে সে নানাবিধ মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়বে। এ সকল মানসিক রোগের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক রোগ হচ্ছে হীনমন্যতা (Inferiority complex)। কেননা একে কেন্দ্র করেই আরো অসংখ্য মানসিক রোগ মানবদেহে জন্ম নেয়।
📄 ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নামায পড়া
ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নামায আদায় করা নামাযের ওয়াজিবসমূহের মধ্যে একটি অন্যতম জরুরি বিষয়। যদি নামাযের ধারাবাহিকতাকে পরিত্যাগ করা হয়, তা হলে দৈহিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপকার থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে। কেননা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, নামাযের মাধ্যমে অর্জিত ব্যায়াম একটি বিশেষ পদ্ধতির হয়ে থাকে, যার প্রতি লক্ষ্য রাখা জরুরি। যদি কেউ কেউ কেয়াম না করে প্রথমেই সিজদায় চলে যায়, তাহলে ওই সকল প্রয়োজনীয় বস্তু, যা একজন মানুষের সুস্থতার জন্য একান্ত প্রয়োজন, তা থেকে সে নিশ্চিত মাহরূম হবে। শুধু তা-ই নয়, এর দ্বারা তার নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ারও প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
📄 দু’হাত কান পর্যন্ত উঠানো
তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় দু'হাত কান পর্যন্ত উঠানো সুন্নত। যখন হাতগুলোকে কান পর্যন্ত উঠানো হয়, তখন এর দ্বারা বাহু, ঘাড় ও কাঁধের ব্যায়াম হয়। মানসিক রোগের জন্য এ ধরনের ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী যা নামায পড়ার দ্বারা এমনিতেই হয়ে যায়। তাছাড়া এর দ্বারা অর্ধাঙ্গ রোগের আশঙ্কা থেকেও মুক্ত থাকা যায়।
📄 তাকবীরে তাহরীমার সময় মাথা না ঝুঁকানো
তাকবীরে তাহরীমার সময় যদি মাথা ডান-বাম বা নিচের দিকে ঝুঁকানো হয়, তা হলে যে সকল উপকারিতার কথা হস্তদ্বয়কে কান পর্যন্ত উঠানোর আলোচনায় বর্ণনা করা হয়েছে, তা পূর্ণরূপে অর্জিত হবে না। উপরন্তু এরূপ করার দ্বারা ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ, যা নামাযের মূল মাকসাদ তাও ব্যাহত হবে।