📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 একটি স্বপ্নতত্ত্ব

📄 একটি স্বপ্নতত্ত্ব


ওযুতে সর্বপ্রথম হাত ধৌত করতে হয়, তারপর কুলি করতে হয়, তারপর নাকে পানি দিতে হয়, এরপর মুখমণ্ডল ধৌত করতে হয়। এভাবে ক্রমানুযায়ী অন্যান্য অঙ্গসমূহ ধৌত করা হয়। এটি এমনই একটি সুবিন্যস্ত পদ্ধতি যার দ্বারা অর্ধাঙ্গ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ওযুর অতিরিক্ত পানি

📄 ওযুর অতিরিক্ত পানি


হাদীসের কিতাবে লিখা আছে, ওযু করার পর বেঁচে যাওয়া পানি পান করা রোগ মুক্তির কারণ। এ পরিপ্রেক্ষিতেই ডাক্তার ফারুক আহমদ তার রিসার্চের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, যে ব্যক্তি ওযুতে বেঁচে যাওয়া পানি পান করবে, নিম্নবর্ণিত অঙ্গসমূহের উপর এর সুপ্রভাব পড়বে। • মূত্রথলীতে যার প্রভাবে অধিক পরিমাণে প্রস্রাব হয়, এ প্রস্রাবের আধিক্য হ্রাস পায়। • অবৈধ কামভাব খতম করতে খুবই পরীক্ষিত। • প্রস্রাবের পর ফোঁটা ফোঁটা পড়া রোগ নির্মূল করে। • হৃদপিণ্ড, পাকস্থলী এবং মূত্রথলীর উষ্ণতা ও শুষ্কতা বিদূরিত করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পশ্চিম জার্মানীর একটি কনফারেন্সে ওযু

📄 পশ্চিম জার্মানীর একটি কনফারেন্সে ওযু


ডা. নূর আহমদ নূর সাহেব বলেন, (প্রফেসার, নাশতার মেডিকেল কলেজ, মুলতান) পাশ্চাত্যের দেশসমূহে নৈরাশ্য বা “ডিপ্রেশন” রোগ দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে। সেখানে মহল্লায় মহল্লায় রয়েছে মানসিক হাসপাতাল আর মনস্তাত্ত্বিকগণ থাকেন সব সময় ব্যস্ত। পক্ষান্তরে এ রোগটি মুসলমানদের মধ্যে খুব কমই পরিদৃষ্ট হয়। বিশেষ করে দীনদার লোকদের মাঝে। তাই পাশ্চাত্যের ডাক্তারগণ এর রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কয়েক বছর পূর্বে ফয়সালাবাদ গিয়েছিলাম। সেখানে পাঞ্জাব মেডিকেল কলেজের সম্মুখে একজন “ফিজিও থেরাপিস্ট” ক্লিনিক খুলেছেন। তার সাথে সাক্ষাৎ হল। তিনি পশ্চিম জার্মান থেকে ডিপ্লোমা করেছেন। তিনি বলেন: কোর্স চলাকালীন সময়ে জার্মানের ডাক্তারগণ বলেছেন, নৈরাশ্য রোগের চিকিৎসা তারা ঔষধ প্রয়োগ ব্যতীত অন্য পন্থায় আবিষ্কার করেছেন।
পশ্চিম জার্মানীতে একটা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যার বিষয়বস্তু ছিল “নৈরাশ্য বা Depression রোগের চিকিৎসা মেডিসিন ব্যতীত আর কি কি পদ্ধতিতে করা সম্ভব”। একজন ডাক্তার বললেন, তিনি কয়েকজন ডিপ্রেশন রোগীকে প্রত্যহ পাঁচবার মুখমণ্ডল ধৌত করিয়েছেন এবং এ পদ্ধতিতে কয়েকমাসের মধ্যেই রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছে।
তিনি অবসাদগ্রস্থ রোগীদের অন্য একটি গ্রুপ বানিয়ে তাদেরকে হাত, মুখ এবং পা প্রত্যহ পাঁচবার ধৌত করালেন। এ পদ্ধতিতে রোগী আগের তুলনায় অধিক পরিমাণে সুস্থ হয়ে উঠল। তিনি তার প্রবন্ধটির উপসংহারে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, এ রোগ মুসলমানদের মাঝে খুবই কম হয়, কেননা তারা প্রত্যহ কয়েকবার মুখ, হাত ও পা ধোয় অর্থাৎ ওযু করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00