📄 ওযুর হেকমত ও চক্ষুর ছানির চিকিৎসা
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 দাড়ি খিলাল করা
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত করা
রয়েছে। কনুইতে হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক ও যকৃতের সাথে সম্পৃক্ত তিন প্রকার বৃহৎ শিরা (Veins) থাকে। কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত করলে উপরিউক্ত তিনটি অঙ্গে শক্তি সঞ্চার হয় এবং তা রোগ থেকে সংরক্ষিত থাকে। এ ছাড়া কনুই পর্যন্ত হাত ধোয়ার সুফলে প্রত্যক্ষভাবে সিনার মধ্যে পুঞ্জীভূত উজ্জ্বল আলোকরশ্মির সাথে মানুষের সম্পর্ক স্থাপিত হয় এবং সেই রশ্মিগুলো উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে। এতে হাতের মাংসপেশী শক্তিশালী হয়।
📄 মাথা মাসাহ করা
আমার একজন বন্ধু ফ্রান্স গিয়েছিল। সে বলল, আমি একদিন উযু করছিলাম। এক ব্যক্তি আমার এ উযু করার দৃশ্য গভীর মনোনিবেশ সহকারে প্রত্যক্ষ করছিল। আমি ব্যাপারটা অনুধাবন করতে পেরেও সেদিকে ভ্রূক্ষেপ করলাম না, উযু করতে থাকলাম। উযু শেষে লোকটি আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? বললাম, আমি একজন মুসলমান। সে বলল, তুমি কোথা থেকে এসেছ? আমি বললাম, পাকিস্তান থেকে এসেছি। লোকটি বলল, পাকিস্তানে মানসিক হাসপাতাল কয়টি আছে, বললাম, ২/৪টি হবে। এ ব্যাপারে আমার সঠিক কোনো ধারণা নেই। তারপর সে বলল, তুমি এখন এটা কি করলে? আমি বললাম, উযু করেছি। সে বলল, তুমি কি প্রত্যহ এরূপ করে থাক? বললাম, প্রত্যহ পাঁচবার করি।
একথা শুনে লোকটি বিস্মিত কণ্ঠে বলতে লাগল, আমাদের দেশে বহু মেন্টাল (Mental) বা মানসিক হাসপাতাল আছে। আমি হাসপাতালের সার্জন। অনেকদিন যাবৎ অনুসন্ধান করছি, মানুষ কেন পাগল হয়। পরে সে বলল, আমার গবেষণা অনুযায়ী তার কারণ হল, মানুষের মস্তিষ্ক থেকে সিগন্যাল পূর্ণ শরীরে বিস্তৃত হয়ে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্মক্ষম হয়। আর আমাদের মস্তিষ্ক সর্বক্ষণ Fluid- এর মধ্যে Float করতে থাকে। যার কারণে আমরা চলাফেরা করি, হাঁটি, দৌড়াই, লাফালাফি করি, অথচ মস্তিষ্কের কোনোই ক্ষতি সাধিত হয় না।
আর যদি সেটা কোনো Rigid জিনিস হতো, তা হলে এতদিনে ভেঙ্গে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যেত। আল্লাহ তা'আলা একে Fluid এর মধ্যে রেখেছেন। মস্তিষ্ক থেকে কতিপয় সূক্ষ্ম শিরা Conductor হয়ে আসতে থাকে আর সেই শিরাগুলো গর্দানের পৃষ্ঠ থেকে পূর্ণ শরীরে বিস্তৃত হয়ে পড়ে।
লোকটি আরো বলল: আমার রিচার্স অনুযায়ী চুল যদি বৃদ্ধি করা হয় এবং গরদানের পৃষ্ঠ শুষ্ক রাখা হয়, তাহলে সেই শিরার মধ্যে (Condensation) শুষ্কতা সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব মানবদেহে পড়ে। কখনো কখনো এতে মানুষের মস্তিষ্ক কর্মহীন হয়ে পড়ে। এ জন্য ডাক্তারগণ বলেন, এস্থান (মাসাহ এর স্থান) টুকু প্রত্যহ ২/৪ বার অবশ্যই ভিজাতে হবে। সে বলতে লাগল, এক্ষুনি আমি আপনাকে দেখলাম, আপনি হাত-মুখ তো ধৌত করলেনই, তারপর আবার ঘাড়ের পিছনেও যেন কিছু একটা করলেন। যদি এটা আপনাদের দৈনন্দিন কাজই হয়, তা হলে আমি ভেবে পাই না যে, আপনারা কিভাবে পাগল হতে পারেন। তিনি আরো বললেন, মাসাহ করার দ্বারা বাতাস লাগা (Sun Stroken) ও ঘাড়ভাঙা জ্বরের অবসান ঘটে।