📄 পীলু গাছের মিস্ওয়াক
পীলু গাছের বিভিন্ন উপকারিতা আছে (ক) এর আঁশগুলো মসৃণ। (খ) এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস। পাঞ্জাবের বিভিন্ন স্থানে লবণাক্ত ও বিরাণ ভূমিতে এ বৃক্ষ পাওয়া যায়। ভূ-তত্ত্ববিদগণের আধুনিক রিসার্চ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, মস্তিষ্কের অসংখ্য খোরাক এবং সহায়ক বস্তুর মধ্যে “ফসফোরাস” অন্যতম। আর এ ফসফরাস মুখের লালা ও লোমকূপের সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। ফলে মস্তিষ্কে শক্তি সঞ্চিত হয়।
📄 সর্দি-কাশি ও মিস্ওয়াক
স্থায়ী সর্দি-কাশির রোগীর শ্লেষ্মা যদি জমাট বেঁধে থাকে, সে ক্ষেত্রে মিস্তয়াক ব্যবহার করলে শ্লেষ্মা ভিতর থেকে বের হয়ে মস্তিষ্ক হালকা হয়ে যায়। একজন প্যাথলজিস্ট বলেছেন: পরীক্ষা-নিরীক্ষা আমাকে একথা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, মিস্তয়াক হল সর্দি-কাশির সর্বোচ্চ প্রতিরোধক। এমনকি সর্বদা মিস্তয়াক ব্যবহার করলে নাক ও গলার অপারেশন করার মতো পরিস্থিতি খুব কমই সৃষ্টি হয়ে থাকে।
📄 দাঁতের সুরক্ষায় মিস্ওয়াক
(অভিজ্ঞতায় দেখা যায়) মুচকি হাসি, হৃদয়ের প্রফুল্লতা ও মুক্তা ঝরানো হাসির জন্য দাঁত এক অমূল্য সম্পদ। এ মুচকি হাসিই এক সময় ঘৃণা ও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং মানুষের মহব্বত-ভালবাসা ও আশা-আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট করে দেয়। অর্থাৎ একজন সুদর্শন ও চরিত্রবান ব্যক্তি অভ্যন্তরীণ সুখ-শান্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে যখন মুচকি হাসি দেয়, তখন দাঁত সেখানে এক অতিরিক্ত মাত্রাযোগ করে তা আরো শক্তিশালী করে দেয়। পক্ষান্তরে সেই দাঁতই আবার মানুষের অলসতা ও মূর্খতার স্পষ্ট প্রমাণও বহন করে।
উল্লেখ্য যে, দেশীয় পদ্ধতিতে তেজস্ক্রীয় উপকরণবিহীন প্রস্তুত দাঁতের মাজনেও কিছু উপকারিতা রয়েছে। তবে পীলু ও নীমের মিস্তয়াকে যে গুণাগুণ রয়েছে, তা অন্য কোনো কিছুতে পাওয়া খুবই দুষ্কর।