📄 ব্রাশ ও মিস্ওয়াকের মধ্যে পার্থক্য
এখানে একটি প্রশ্ন জাগে, দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও সুরক্ষার জন্য ব্রাশ বেশি প্রয়োজনীয়, না মিস্তয়াক? তাই আমরা এখানে সর্বপ্রথম ব্রাশের উপকারিতা ও ক্ষতি উভয় দিক নিয়ে আলোচনা করব।
📄 ব্রাশ
জীবাণু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণের সুদীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, একবার ব্যবহার করা ব্রাশ স্বাস্থ্যের জন্য তখনই ক্ষতিকর, যখন তা দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা হয়। কেননা ব্যবহারের দ্বারা তার মধ্যে জীবাণুর ভিত্তি স্থাপিত হয়। পানি দ্বারা পরিষ্কার করলেও তা থাকে ক্রমবর্ধমান। তাছাড়া ব্রাশ দাঁতের উপরের উজ্জ্বল স্তরকে দূরীভূত করে দেয়। ফলে দাঁতের মাঝে ফাঁকা সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে দাঁতগুলো মাড়ী থেকে বিচ্যুত হয়ে থাকে। আর খাবারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলো দাঁতের ফাঁকে জমে মাড়ী ও দাঁতের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
📄 মিস্ওয়াক
এমন বৃক্ষের মিস্তয়াক দাঁতের জন্য উপযোগী, যার আঁশগুলো হয় কোমল, যা দাঁতের মাঝে ফাঁকা বৃদ্ধি করে না এবং মাড়ীতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে না। তিনটি গাছের ডাল মিস্তয়াকের জন্য উপযোগী। (১) পীলু গাছ (২) নীম গাছ, (৩) বাবলা গাছ।
📄 পীলু গাছের মিস্ওয়াক
পীলু গাছের বিভিন্ন উপকারিতা আছে (ক) এর আঁশগুলো মসৃণ। (খ) এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস। পাঞ্জাবের বিভিন্ন স্থানে লবণাক্ত ও বিরাণ ভূমিতে এ বৃক্ষ পাওয়া যায়। ভূ-তত্ত্ববিদগণের আধুনিক রিসার্চ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, মস্তিষ্কের অসংখ্য খোরাক এবং সহায়ক বস্তুর মধ্যে “ফসফোরাস” অন্যতম। আর এ ফসফরাস মুখের লালা ও লোমকূপের সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। ফলে মস্তিষ্কে শক্তি সঞ্চিত হয়।