📄 দাঁত ও পাকস্থলী
অভিজ্ঞ ডাক্তারগণের রিচার্স ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, পাকস্থলীর ৮০% রোগ দন্তরোগের কারণেই হয়ে থাকে, পাকস্থলীর রোগ বর্তমানে বিশ্বের এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাঁতের মাড়ীর ক্ষত নিঃসৃত পুঁজ যখন খাদ্য-পানির সাথে মিলিত হয় অথবা লালার সংমিশ্রণে পাকস্থলীতে প্রবেশ করে, তখন ওই পুঁজ রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা সমস্ত খাদ্যসমূহকে দূষিত ও দুর্গন্ধময় করে তোলে। পাকস্থলী ও যকৃতের রোগের চিকিৎসার পূর্বে দাঁতের চিকিৎসার প্রতি দৃষ্টি দেওয়া উচিত। এভাবেই পাকস্থলী বা পেটের পীড়ার তড়িৎ ও স্থায়ী চিকিৎসা সম্ভব।
📄 সামাজিক জীবন
মানুষ যখন কোনো বৈঠকে আলোচনায় রত হয় অথবা যানবাহনে 'বিশেষ করে বিমানে অন্যের সাথে উপবেশন করে, তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাসের দুর্গন্ধের কারণে পাশে উপবেশনকারীর ভীষণ কষ্ট হয়। আর যদি সে ব্যক্তির কাশি শুরু হয়ে যায়, তা হলে তো কথাই নেই। দুর্গন্ধের কারণে পূর্ণ পরিবেশটাই বিষাদময় হয়ে পড়ে। এ ধরনের রোগের চিকিৎসার জন্য সর্বপ্রথম দাঁতের কথা স্মরণে রাখা উচিত। কেননা দুর্গন্ধের প্রধান কারণ হল, দাঁত। এতে ফল না হলে পাকস্থলীর চিকিৎসা করা উচিত। মোটকথা, সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য দাঁতের যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কেননা সুস্থতাই হলো সফল জীবনের চাবিকাঠি। ঐ জীবন কখনো সফলকাম হতে পারে না, যেখানে স্বাস্থ্য রক্ষার মূলনীতির প্রতি থাকে চরম উদাসীনতা।
📄 ব্রাশ ও মিস্ওয়াকের মধ্যে পার্থক্য
এখানে একটি প্রশ্ন জাগে, দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও সুরক্ষার জন্য ব্রাশ বেশি প্রয়োজনীয়, না মিস্তয়াক? তাই আমরা এখানে সর্বপ্রথম ব্রাশের উপকারিতা ও ক্ষতি উভয় দিক নিয়ে আলোচনা করব।
📄 ব্রাশ
জীবাণু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণের সুদীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, একবার ব্যবহার করা ব্রাশ স্বাস্থ্যের জন্য তখনই ক্ষতিকর, যখন তা দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা হয়। কেননা ব্যবহারের দ্বারা তার মধ্যে জীবাণুর ভিত্তি স্থাপিত হয়। পানি দ্বারা পরিষ্কার করলেও তা থাকে ক্রমবর্ধমান। তাছাড়া ব্রাশ দাঁতের উপরের উজ্জ্বল স্তরকে দূরীভূত করে দেয়। ফলে দাঁতের মাঝে ফাঁকা সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে দাঁতগুলো মাড়ী থেকে বিচ্যুত হয়ে থাকে। আর খাবারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলো দাঁতের ফাঁকে জমে মাড়ী ও দাঁতের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।