📄 বাবলা ও নিম গাছ
বাবলা ও নীম বৃক্ষের উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে কে না জানে। কিন্তু আমি কাণীর বৃক্ষের (একপ্রকার তিতা গাছ) মিস্তয়াক সম্পর্কে আলোচনা করব। কাণীর বৃক্ষ দুই প্রকার। একপ্রকার লাল ফুল বিশিষ্ট আরেক প্রকার সাদা ফুল বিশিষ্ট। উভয় প্রকারই সাধারণত পার্ক এবং বাগানে পাওয়া যায়। বাগানের মালীর অনুমতিক্রমে সেখান থেকে মিস্তয়াকের জন্য ডাল ভাঙা যেতে পারে।
জনৈক ব্যক্তি নিজের দাঁতের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার ডলার ব্যয় করে ফেলেছিল। অবশেষে তাকে কাণীর ও পীলু বৃক্ষের মিস্তয়াক ব্যবহার করানো হলে সে পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠল। বিজ্ঞ ডাক্তারগণ দীর্ঘদিন যাবৎ পাইওরিয়ার রোগীদেরকে কাণীর মিস্তয়াক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে আসছেন এতে দূরারোগ্য রোগীও সুস্থ হয়ে উঠেছে।
এজন্য মিস্তয়াক প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে রাখবে, তারপর চিবিয়ে চিবিয়ে তা নরম করে ফেলবে। তারপর উপর থেকে নিচে এবং নিচে থেকে উপরের দিকে মিস্তয়াক করবে। কাণীর মিস্তয়াক যদিও শক্ত ও তিতা। তথাপি এটা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। এর মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে, যা দাঁতকে করে মজবুত, উজ্জ্বল। উপরন্তু এটা পাইওরিয়ার মতো মারাত্মক রোগ-ব্যাধির জন্য মহৌষধ।
📄 দাঁত ও মস্তিষ্ক
অপরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধময় পুঁজযুক্ত দাঁত মস্তিষ্ক রোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আভ্যন্তরীণ রোগ- যেমন: উম্মাদনা, মস্তিষ্ক-বিকৃতিসহ আরও অনেক রোগ-ব্যাধিও এর থেকে জন্ম নেয়। জনৈক ব্যক্তির স্ত্রীর মস্তিষ্কে বিপত্তি ঘটে। তারপর পরীক্ষা দ্বারা ধরা পড়ল যে, মস্তিষ্কের পর্দায় পুঁজ জমা হয়েছে এবং রোগিনী দীর্ঘদিন যাবৎ পাইওরিয়া রোগে আক্রান্ত। সেই পুঁজই এ ধ্বংসাত্মক রোগের সৃষ্টি করেছে।
📄 দাঁত ও কান
যেসব রোগীদের কানে ফোলা, পুঁজ, রক্তিমতা, ব্যথা ইত্যাদি রয়েছে এবং ডাক্তারগণ তাদের চিকিৎসা করে ব্যর্থ হয়ে পড়েছেন, তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেল রোগীর মাড়ীতে পুঁজ জমা হয়েছে। সুতরাং মাড়ীর চিকিৎসা করার পর অসুস্থ ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল।
📄 দাঁত ও দৃষ্টিশক্তি
দন্তরোগের সাথে রয়েছে চক্ষুরোগের গভীর সম্পর্ক। দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে যখন খাবারের ছোট ছোট অংশ জমে থেকে দুর্গন্ধময় হয়ে পড়ে, তখন চক্ষুরোগ, দৃষ্টিশক্তি দুর্বল এবং অন্ধত্বের শিকার হয়ে পড়ে। চক্ষুরোগের আরও যত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তন্মধ্যে দাঁতের যত্নের প্রতি অমনোযোগই এর প্রধান কারণ বলে বিবেচিত হয়েছে। আর দাঁত পরিষ্কার করা হলেও তা করা হয় ব্রাশ দ্বারা। ব্রাশ কি দাঁতের জন্য উপকারী, না ক্ষতিকর তার বর্ণনা সামনে আসছে।