📄 মস্তিষ্ক ও মিস্ওয়াক
* হযরত আলী রাযি. বলেন, মিস্তয়াক দ্বারা মস্তিষ্ক সতেজ হয়। প্রকৃতপক্ষে মিস্তয়াকের মধ্যে থাকে ফস্ফোরাস জাতীয় পদার্থ। রিসার্চ ও অনুসন্ধানে বহুবার প্রমাণিত হয়েছে, যেই জমিতে ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস অধিক পরিমাণে বিদ্যমান থাকে, সেখানেই পীলু বৃক্ষ বেশি জন্মে। কবরস্থানের মাটিতে যেহেতু মানুষের হাড় বিগলিত হওয়ার ফলে ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস বেশি হয়ে থাকে, তাই সেখানে পীলু বৃক্ষও অধিক পরিমাণে জন্ম নিয়ে থাকে। দাঁতের প্রধান খাদ্যই হল ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস। আর বিশেষ করে পীলু বৃক্ষের জড়ে এ উপাদানগুলো সাধারণত বেশি পাওয়া যায়। تجربতায় প্রমাণিত হয়েছে, পীলু বৃক্ষের মিসওয়াক তাজা ও নরম অবস্থায় চাবালে তার মধ্যে হতে বেরিয়ে আসে তিক্ত ও তেজস্ক্রীয় এক প্রকারপদার্থ। এ পদার্থ মিস্তয়াকের মধ্যে রোগ জীবাণুর ক্রমবিকাশকে প্রতিহত করে এবং দাঁতসমূহকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। এজন্য মিস্তয়াকের ক্ষেত্রে বলতেই হয়, পীলু মিস্তয়াকের অগ্রভাগের সূক্ষ্ম আঁশগুলো ভেঙে ভেঙে বা কেটে কেটে ব্যবহার করা উচিত যেন প্রত্যেকবারই নতুন আঁশ ব্যবহার হয় এবং তার তিক্ত পদার্থ সুস্থতার ক্ষেত্রে কার্যকরী হয়।
📄 বাবলা ও নিম গাছ
বাবলা ও নীম বৃক্ষের উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে কে না জানে। কিন্তু আমি কাণীর বৃক্ষের (একপ্রকার তিতা গাছ) মিস্তয়াক সম্পর্কে আলোচনা করব। কাণীর বৃক্ষ দুই প্রকার। একপ্রকার লাল ফুল বিশিষ্ট আরেক প্রকার সাদা ফুল বিশিষ্ট। উভয় প্রকারই সাধারণত পার্ক এবং বাগানে পাওয়া যায়। বাগানের মালীর অনুমতিক্রমে সেখান থেকে মিস্তয়াকের জন্য ডাল ভাঙা যেতে পারে।
জনৈক ব্যক্তি নিজের দাঁতের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার ডলার ব্যয় করে ফেলেছিল। অবশেষে তাকে কাণীর ও পীলু বৃক্ষের মিস্তয়াক ব্যবহার করানো হলে সে পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠল। বিজ্ঞ ডাক্তারগণ দীর্ঘদিন যাবৎ পাইওরিয়ার রোগীদেরকে কাণীর মিস্তয়াক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে আসছেন এতে দূরারোগ্য রোগীও সুস্থ হয়ে উঠেছে।
এজন্য মিস্তয়াক প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে রাখবে, তারপর চিবিয়ে চিবিয়ে তা নরম করে ফেলবে। তারপর উপর থেকে নিচে এবং নিচে থেকে উপরের দিকে মিস্তয়াক করবে। কাণীর মিস্তয়াক যদিও শক্ত ও তিতা। তথাপি এটা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। এর মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে, যা দাঁতকে করে মজবুত, উজ্জ্বল। উপরন্তু এটা পাইওরিয়ার মতো মারাত্মক রোগ-ব্যাধির জন্য মহৌষধ।
📄 দাঁত ও মস্তিষ্ক
অপরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধময় পুঁজযুক্ত দাঁত মস্তিষ্ক রোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আভ্যন্তরীণ রোগ- যেমন: উম্মাদনা, মস্তিষ্ক-বিকৃতিসহ আরও অনেক রোগ-ব্যাধিও এর থেকে জন্ম নেয়। জনৈক ব্যক্তির স্ত্রীর মস্তিষ্কে বিপত্তি ঘটে। তারপর পরীক্ষা দ্বারা ধরা পড়ল যে, মস্তিষ্কের পর্দায় পুঁজ জমা হয়েছে এবং রোগিনী দীর্ঘদিন যাবৎ পাইওরিয়া রোগে আক্রান্ত। সেই পুঁজই এ ধ্বংসাত্মক রোগের সৃষ্টি করেছে।
📄 দাঁত ও কান
যেসব রোগীদের কানে ফোলা, পুঁজ, রক্তিমতা, ব্যথা ইত্যাদি রয়েছে এবং ডাক্তারগণ তাদের চিকিৎসা করে ব্যর্থ হয়ে পড়েছেন, তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেল রোগীর মাড়ীতে পুঁজ জমা হয়েছে। সুতরাং মাড়ীর চিকিৎসা করার পর অসুস্থ ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল।