📄 গালের ঘা নিরাময়ে মিস্ওয়াক
গালের ঘা অনেক ক্ষেত্রে গরমের তীব্রতা এবং প্রখরতার কারণে হয়ে থাকে। তন্মধ্যে বিশেষ একপ্রকার ঘা রয়েছে, যার বিষাক্ততা দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তার জন্য তাজা মিস্তয়াক দ্বারা দাঁত মাজতে হবে এবং তখনকার সৃষ্ট মুখের লালাগুলো মুখের মধ্যে মলতে হবে। এ পদ্ধতিতে অনেক রোগী আরোগ্য লাভ করেছে।
📄 দাঁতের হরিদ্রতা দূরীকরণে মিস্ওয়াক
অনেকের দাঁত হলুদ বর্ণ হয়ে যাওয়া এবং দাঁতের শুভ্র আস্তর বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে থাকেন। মিসওয়াকের নতুন নতুন আঁশ দাঁতের হরিদ্রতার জন্য খুবই উপযোগী।
📄 রোগজীবাণু রোধে মিসওয়াক
মিসওয়াক হল দুর্গন্ধ প্রতিষেধক। মিসওয়াক মুখের ভিতরের রোগ জীবাণু ধ্বংস করে দেয়, ফলে নামাযী ব্যক্তি অসংখ্য রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পায়। আর অনেক রোগজীবাণু তো মিসওয়াকের প্রতিরোধক পদার্থ ক্রিয়াতে ধ্বংস হয়ে যায়।
📄 মস্তিষ্ক ও মিস্ওয়াক
* হযরত আলী রাযি. বলেন, মিস্তয়াক দ্বারা মস্তিষ্ক সতেজ হয়। প্রকৃতপক্ষে মিস্তয়াকের মধ্যে থাকে ফস্ফোরাস জাতীয় পদার্থ। রিসার্চ ও অনুসন্ধানে বহুবার প্রমাণিত হয়েছে, যেই জমিতে ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস অধিক পরিমাণে বিদ্যমান থাকে, সেখানেই পীলু বৃক্ষ বেশি জন্মে। কবরস্থানের মাটিতে যেহেতু মানুষের হাড় বিগলিত হওয়ার ফলে ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস বেশি হয়ে থাকে, তাই সেখানে পীলু বৃক্ষও অধিক পরিমাণে জন্ম নিয়ে থাকে। দাঁতের প্রধান খাদ্যই হল ক্যালসিয়াম ও ফসফোরাস। আর বিশেষ করে পীলু বৃক্ষের জড়ে এ উপাদানগুলো সাধারণত বেশি পাওয়া যায়। تجربতায় প্রমাণিত হয়েছে, পীলু বৃক্ষের মিসওয়াক তাজা ও নরম অবস্থায় চাবালে তার মধ্যে হতে বেরিয়ে আসে তিক্ত ও তেজস্ক্রীয় এক প্রকারপদার্থ। এ পদার্থ মিস্তয়াকের মধ্যে রোগ জীবাণুর ক্রমবিকাশকে প্রতিহত করে এবং দাঁতসমূহকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। এজন্য মিস্তয়াকের ক্ষেত্রে বলতেই হয়, পীলু মিস্তয়াকের অগ্রভাগের সূক্ষ্ম আঁশগুলো ভেঙে ভেঙে বা কেটে কেটে ব্যবহার করা উচিত যেন প্রত্যেকবারই নতুন আঁশ ব্যবহার হয় এবং তার তিক্ত পদার্থ সুস্থতার ক্ষেত্রে কার্যকরী হয়।