📄 দন্ত চিকিৎসা ও দশ হাজার দিরহাম
আরব দেশ থেকে এক রোগী লিখে জানাল, সে দাঁতের জটিল রোগে ভুগছে। তার চিকিৎসার জন্য এ যাবৎ ১০ হাজার দিরহাম ব্যয় করা হয়ে গেছে; কিন্তু এর কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে চিঠির উত্তরে লিখলাম আপনি শুধু পীলু বৃক্ষের মিস্তয়াক দুই মাস পর্যন্ত প্রত্যহ নামাযের প্রাক্কালে উযুর সময় ৫ বার আর তাহাজ্জুদ নামাযে একবার ব্যবহার করুন। অন্য কোনো ঔষধ সেবন করা যাবে না। অচিরেই রোগী কল্পনাতীতভাবে আরোগ্য লাভ করল। উল্লেখ্য যে, রোগ নিরাময়ের জন্য মিস্তয়াক তরতাজা হওয়া বাঞ্ছনীয়।
📄 মুখের স্বাদ বৃদ্ধি ও মিস্ওয়াক
জনৈক ব্যক্তি তার মুখের আস্বাদন শক্তি হারিয়ে ফেলেছিল। অনেক চিকিৎসার পরও কোনো ফল হল না। কেউ তাকে পরামর্শ দিল জিহবায় জোঁক লাগিয়ে দিতে। সে জিহবাতে জোঁক লাগিয়ে ক্ষত করল। কিন্তু তাতেও কোনো ফল হল না। অবশেষে আমি তাকে পরামর্শ দিলাম, আপনি প্রত্যহ পীলু গাছের তাজা মিস্তয়াক ব্যবহার করুন। একমাস পর আমাকে আবার জানাবেন। একদিন রোগী বলল, এ এক টাকার মিস্তয়াক পেল সে তার মুখের স্বাদ।
আবক ফলপ্রদ। এভাবেই ফিরে
📄 গলা ও মিস্ওয়াক
টনসিলের (Tonsils) রোগীদেরকে মিস্তয়াক ব্যবহার করিয়ে যথেষ্ট ফল পাওয়া গেছে। এক ব্যক্তি গলায় মাংসগ্রন্থি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে খুব পেরেশান ছিল। তাকে তুত ফলের শরবত ও মিস্তয়াক ব্যবহার করতে দেওয়া হল। অর্থাৎ তুতের শরবত পান করবে আর তাজা মিস্তয়াক দ্বারা দাঁত মাজবে এবং মিস্তয়াক টুকরা টুকরা করে পানিতে জাল দিয়ে গড়গড়া করে কুলি করবে। এ পন্থা অবলম্বন করার পর ফলে অসুস্থ ব্যক্তি দ্রুত আরোগ্য লাভ করল।
📄 একটা জটিল কেস (A STRONG CASE)
এক ব্যক্তি একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত ছিল। যেমন: ঘাড়ব্যথা, গলায় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া, গলার স্বর হ্রাস পাওয়া, মস্তিষ্ক ও স্মরণশক্তি হ্রাস পাওয়া, মাথা ঘুরানো ইত্যাদি। ব্রেইন স্পেশালিস্ট (Brain Specialist) জেনারেল ফিজিশিয়ান (General Physician) বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা এসব রোগের অনেক চিকিৎসা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সুফল পাওয়া গেল না। আমি তার চিকিৎসার জন্য মিস্তয়াক কেটে তা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দ্বারা গড়গড়া করতে দিলাম। সাথে সাথে মিস্তয়াক ব্যবহারেরও নির্দেশ দিলাম। আর থুতনীর নিচের উঁচু অংশে কিছু ঔষধ প্রলেপের জন্য দেওয়া হল। এভাবে খুব দ্রুত তার রোগ উপশম হল।
প্রকৃতপক্ষে লোকটা “থাইরাইড গ্ল্যান্ড” আক্রান্ত (Infected) ছিল। তার প্রতিক্রিয়া গোটা দেহে বিস্তার লাভ করার কারণে এসব রোগের সৃষ্টি হয়েছিল। সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করার পর রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠল।