📄 হাদিস : পূর্ববর্তী জমানার তুলনায় পরবর্তী জমানার খারাপ
আল-যুবাইর আদি'র সনদে আল-বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন : আমরা আনাস ইবন মালিকের কাছে এসে হাজ্জাজের সাক্ষাতে প্রাপ্ত আমাদের সংশয়ের কথা ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি বলেন : ধৈর্য ধারণ করো। কারণ তোমাদের কাছে এমন উৎকৃষ্ট সময় আসবে না। যা এর পরে আসবে তা এর চেয়ে নিকৃষ্ট হবে, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রভুর সাক্ষাৎ পাও। আমি তোমাদের নবির সা. কাছ থেকে এটা শুনেছি।
আল-যুবাইর আদি'র সনদে আল-বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন : আমরা আনাস ইবন মালিকের কাছে এসে হাজ্জাজের সাক্ষাতে প্রাপ্ত আমাদের সংশয়ের কথা ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি বলেন : ধৈর্য ধারণ করো। কারণ তোমাদের কাছে এমন উৎকৃষ্ট সময় আসবে না। যা এর পরে আসবে তা এর চেয়ে নিকৃষ্ট হবে, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রভুর সাক্ষাৎ পাও। আমি তোমাদের নবির সা. কাছ থেকে এটা শুনেছি।
📄 এই হাদিসের গুরুত্ব
পদক্ষেপ না নিয়ে পেছনে বসে থাকা, সংস্কারের জন্য চেষ্টা বা পরিবর্তন ও বিপদমুক্তির জন্য চেষ্টা না করার কারণ হিসেবে কিছু লোক এই হাদিসটিকে গ্রহণ করে থাকে। তারা যুক্তি দেয় এই হাদিস প্রমাণ করেছে যে, মানুষের আমল অবিরাম পতনশীল, পতন স্থায়ী হয়েছে, কেবল খারাপের দিকেই যাচ্ছে, এক পর্যায় থেকে নিম্নতর পর্যায়ের দিকে ধাবমান, খারাপ থেকে আরো খারাপ, মন্দ হতে হতে অধিকতর মন্দ, যতক্ষণ না দুষ্টদের সময় ঘনিয়ে আসে এবং সব মানুষ তাদের প্রভুর সাথে মিলিত হয়।
অন্যরা এই হাদিস গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এক সময় তাদের কেউ কেউ এটিকে প্রত্যাখ্যান করতে উদ্যত হয়েছেন তাদের চিন্তা ধারণার মাধ্যমে। হাদিসটা কয়েকটি কারণে ক্ষতিকর কিংবা ভুল ছিল। প্রথম, এটি নৈরাশ্য ও হতাশাকে উৎসাহিত করে। দ্বিতীয়, বিপথগামী শাসকের নির্যাতন মোকাবেলায় এটি নেতিবোধের উদ্রেক করে। তৃতীয়, এটি প্রগতির ধারণার বিরোধী যার ওপর সমগ্র জীবন ও অস্তিত্ব দণ্ডায়মান। চতুর্থ, এটি মুসলিমদের ঐতিহাসিক বাস্তবতা থেকে দূরে। পঞ্চম, এটা সেই হাদিসসমূহের বিরোধী যা একজন খলিফার আবির্ভাবের বর্ণনা নিয়ে এসেছে, যিনি পৃথিবীকে ন্যায় বিচার দ্বারা পূর্ণ করবেন (তিনি সেই ব্যক্তি যিনি আল-মাহদী নামে পরিচিত)। যেমন, এটি এখন পূর্ণ হয়ে আছে অত্যাচার ও অন্যায় দ্বারা এবং এটি আইনের শাসন এবং সমগ্র পৃথিবীব্যাপী এর মর্যাদাপূর্ণ উল্লেখ সম্পর্কিত বর্ণনায় ভরপুর।
পদক্ষেপ না নিয়ে পেছনে বসে থাকা, সংস্কারের জন্য চেষ্টা বা পরিবর্তন ও বিপদমুক্তির জন্য চেষ্টা না করার কারণ হিসেবে কিছু লোক এই হাদিসটিকে গ্রহণ করে থাকে। তারা যুক্তি দেয় এই হাদিস প্রমাণ করেছে যে, মানুষের আমল অবিরাম পতনশীল, পতন স্থায়ী হয়েছে, কেবল খারাপের দিকেই যাচ্ছে, এক পর্যায় থেকে নিম্নতর পর্যায়ের দিকে ধাবমান, খারাপ থেকে আরো খারাপ, মন্দ হতে হতে অধিকতর মন্দ, যতক্ষণ না দুষ্টদের সময় ঘনিয়ে আসে এবং সব মানুষ তাদের প্রভুর সাথে মিলিত হয়।
অন্যরা এই হাদিস গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এক সময় তাদের কেউ কেউ এটিকে প্রত্যাখ্যান করতে উদ্যত হয়েছেন তাদের চিন্তা ধারণার মাধ্যমে। হাদিসটা কয়েকটি কারণে ক্ষতিকর কিংবা ভুল ছিল। প্রথম, এটি নৈরাশ্য ও হতাশাকে উৎসাহিত করে। দ্বিতীয়, বিপথগামী শাসকের নির্যাতন মোকাবেলায় এটি নেতিবোধের উদ্রেক করে। তৃতীয়, এটি প্রগতির ধারণার বিরোধী যার ওপর সমগ্র জীবন ও অস্তিত্ব দণ্ডায়মান। চতুর্থ, এটি মুসলিমদের ঐতিহাসিক বাস্তবতা থেকে দূরে। পঞ্চম, এটা সেই হাদিসসমূহের বিরোধী যা একজন খলিফার আবির্ভাবের বর্ণনা নিয়ে এসেছে, যিনি পৃথিবীকে ন্যায় বিচার দ্বারা পূর্ণ করবেন (তিনি সেই ব্যক্তি যিনি আল-মাহদী নামে পরিচিত)। যেমন, এটি এখন পূর্ণ হয়ে আছে অত্যাচার ও অন্যায় দ্বারা এবং এটি আইনের শাসন এবং সমগ্র পৃথিবীব্যাপী এর মর্যাদাপূর্ণ উল্লেখ সম্পর্কিত বর্ণনায় ভরপুর।
📄 এই হাদিসের প্রতি আমাদের পুরনো দিনের আলেমদের মনোভাব
এটা বলা আমাদের কর্তব্য যে, আমাদের আলেমদের পূর্ববর্তীগণ এই হাদিস সম্পর্কে অনাগ্রহী, এর সাধারণত্ব (ইহ্লাক) অস্পষ্ট। সাধারণত্ব বলতে তারা সেই অর্থকে বুঝিয়েছেন যা হাদিসটি থেকে বুঝা যায়। তা এই যে, প্রত্যেক সময়ই এর পূর্বের সময়ের চেয়ে নিকৃষ্ট, যেখানে পূর্ববর্তীর চেয়ে কোনো কোনো সময় অন্যায়ের দিক দিয়ে ক্ষমতাধর। যদিও তা কেবল একবারই- উমার ইবন আবদুল আজিজের শাসনকালেই হয়েছে। এমনকি এ সম্পর্কে যদি এমনটা বলা হয় যে, তার সময়ে খারাপ কিছু নিষ্ক্রান্ত হয়েছিল- আরো সামনে এগিয়ে, কোনোভাবেই এটা দাবি করা যাবে না যে, তার সময়কাল তার পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে খারাপ ছিল।
এটা বলা আমাদের কর্তব্য যে, আমাদের আলেমদের পূর্ববর্তীগণ এই হাদিস সম্পর্কে অনাগ্রহী, এর সাধারণত্ব (ইহ্লাক) অস্পষ্ট। সাধারণত্ব বলতে তারা সেই অর্থকে বুঝিয়েছেন যা হাদিসটি থেকে বুঝা যায়। তা এই যে, প্রত্যেক সময়ই এর পূর্বের সময়ের চেয়ে নিকৃষ্ট, যেখানে পূর্ববর্তীর চেয়ে কোনো কোনো সময় অন্যায়ের দিক দিয়ে ক্ষমতাধর। যদিও তা কেবল একবারই- উমার ইবন আবদুল আজিজের শাসনকালেই হয়েছে। এমনকি এ সম্পর্কে যদি এমনটা বলা হয় যে, তার সময়ে খারাপ কিছু নিষ্ক্রান্ত হয়েছিল- আরো সামনে এগিয়ে, কোনোভাবেই এটা দাবি করা যাবে না যে, তার সময়কাল তার পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে খারাপ ছিল।