📄 মাতাপিতার সাথে সদাচার করার বিষয়ে হাদীসের নির্দেশনা
প্রথম হাদীস: ০১. মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন,
لَا تَعُقَّ وَالِدَيْكَ وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ أَهْلِكَ وَمَالِكَ
"তোমার মাতাপিতা তোমাকে তোমার পরিবার ও ধন-সম্পদ ছেড়ে চলে যাবার আদেশ করলেও তুমি তাদের অবাধ্যতা করো না।”[৯]
দ্বিতীয় হাদীস: ০২. আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, 'আমার একজন স্ত্রী ছিল। আমার পিতা উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাকে অপছন্দ করতেন। ফলে একদিন তিনি বললেন, 'তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দাও।' কিন্ত আমি নাকচ করে দিলাম। তখন তিনি রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বিষয়টি উল্লেখ করলে রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ দিলেন, "أَطِعْ أَباك তুমি তোমার পিতার কথা মেনে নাও।"[১০]
তৃতীয় হাদীস: ০৩. উবাদা ইবনুস সামিত (রদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
لَا تَعْصِ وَالِدَيْكَ، وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنَ الدُّنْيَا كُلَّهَا
"তুমি তোমার মাতাপিতার অবাধ্যতা করো না। যদিও তারা তোমাকে দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে দেওয়ার আদেশ করেন।”[১১]
চতুর্থ হাদীস: ০৪. আবুদ দারদা (রদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আদেশ করে বলেছেন,
أَطِعْ وَالِدَيْكَ، وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ دُنْيَاكَ، فَاخْرُجْ مِنْهَا
"তুমি তোমার মাতাপিতার আনুগত্য করো। যদি তারা তোমাকে তোমার জগৎ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন তাহলে তুমি সেখান থেকেও বের হয়ে যাও।"[১২]
পঞ্চম হাদীস: ০৫. উম্মু আইমান (রদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের কোনও এক সদস্যকে বলেছেন,
أَطِعُ وَالِدَيْكَ، وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ دُنْيَاكَ، فَافْعَلْ
"তুমি তোমার পিতামাতার আনুগত্য করো। তারা যদি তোমাকে দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন তুমি তাও পালন করো।"[১০]
ষষ্ঠ হাদীস: ০৬. জাবির (রদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
টিকাঃ
৯. আহমাদ, আল-মুসনাদ, ৫/২৩৮; হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/২১৫। এর সকল বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত। তবে হাদীসটি আবদুর রহমান (রহিমাহুল্লাহ) সরাসরি মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে শ্রবণ করেননি।
১০. আহমাদ, আল-মুসনাদ, ৪৭১১; আবু দাউদ, ৫১৩৮; তিরমিযি, ১১৮৯; ইবনু মাজাহ, ২০৮৮, সহীহ। ইসলাম তালাকের প্রতি কখনও উৎসাহিত করে না। বরং একে কেবল প্রয়োজনের খাতিরে বৈধ রেখেছে এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট বৈধকাজ বলে অভিহিত করেছে। তাই কখনও বাবা-মা স্ত্রীকে তালাক দিতে বললে প্রথমে কারণ জানতে হবে। কারণ যদি সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত হয় এবং সে কারণে তালাক ছাড়া আর কোনও উপায় না থাকে, পাশাপাশি যদি তালাক প্রদান করার দ্বারা যিনায় জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকে, তাহলে পিতামাতার সন্তুষ্টির জন্য স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে। পক্ষান্তরে কারণ যদি সঠিক না হয়, কেবল বউয়ের প্রতি ঈর্ষাবশতঃ হয়, তাহলে তালাক দিবে না। সেক্ষেত্রে পিতামাতার অবাধ্যতায় গুনাহও হবে না। দেখুন-সালমান মানসূরপূরি, কিতাবুন নাওয়াযিল, ৯/৪১। এই হাদীসে যে তালাক দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, এর ব্যাখ্যায় মোল্লা আলি কারী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'মিরকাতুল মাফাতীহ'-এর মধ্যে উল্লেখ করেছেন, 'স্বাভাবিক অবস্থায় এটি মুস্তাহাব। তবে যদি যৌক্তিক কিংবা শারঈ কোনও কারণ থাকে তখন এই আদেশ মান্য করা ওয়াজিব।' দেখুন-মোল্লা আলি কারী, মিরাকাতুল মাফাতীহ, ৯/১৮৮। শাইখ আলি সাবুনি (রহিমাহুল্লাহ) লিখেছেন, 'সেখানে রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তালাকের আদেশ দিয়েছেন, কারণ তিনি জানতেন, উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) শারঈ কোনও কারণেই তাঁর পুত্রবধূকে অপছন্দ করতেন।' দেখুন-আলি সাবুনি, হাশিয়াতু রিয়াদিস সালিহীন, ৯৯। (অনুবাদক)
১১. হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/২১৬; আবদুর রাযযাক, আল-মুসান্নাফ, ১৬৬৩৬।
১২. বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, ১৪; হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/২১৯।
১৩. সুবকি, মু'জামুশ শুয়ূখ, ১/৬০৯।
📄 মাতাপিতার সাথে ভালো আচরণ করার যৌক্তিকতা
সামান্য জ্ঞান আছে এমন প্রতিটি মানুষই জানেন যে, অনুগ্রহকারীর অনুগ্রহ স্বীকার করা আবশ্যক। একজন মানুষের ওপর আল্লাহ তাআলার পরে তার মা-বাবার মতো অন্য কোনও অনুগ্রহকারী নেই। কারণ তার মা তাকে দীর্ঘ সময় গর্ভে ধারণ করেছেন, প্রসবের সময় অসহ্য যন্ত্রণা সয়েছেন। দুধ পান করানোর সময়টাতে অনেক কষ্ট বরদাশত করেছেন। তাকে লালনপালন করার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। সন্তানকে আরামে রাখার জন্য বহু নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। সন্তানের মঙ্গলের জন্য তিনি নিজের বহু আশা-আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করেছেন। সবসময় নিজের ওপর তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। পাশাপাশি পিতাও সন্তানের জন্ম নেওয়ার পেছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। জন্মের পর সবসময় তাকে স্নেহ-মায়ার ডোরে আবদ্ধ রেখেছেন। সন্তানের প্রতিপালনের দিকে তাকিয়ে অর্থ উপার্জনে উদ্যমী হয়েছেন এবং তার জন্য অকাতরে অসংখ্য টাকা-পয়সা খরচ করেছেন।
জ্ঞানী ব্যক্তি মাত্রই সর্বদা অনুগ্রহ স্বীকার করে এবং তার বদলা দেবার চেষ্টায় থাকে। কারও অনুগ্রহের কথা ভুলে যাওয়া-মানুষের একটি অতি মন্দস্বভাব। এর সাথে যদি অনুগ্রহকে অস্বীকার করে এবং অনুগ্রহকারীর সাথে দুর্ব্যবহারও করে, তাহলে তা হবে
ওই ব্যক্তির নিকৃষ্টরুচি ও বিকৃত স্বভাবের বহিঃপ্রকাশ।
আর মাতাপিতার প্রতি সদাচারী ব্যক্তিরও জেনে রাখা উচিত যে, তাদের সাথে সে যতই ভালো ব্যবহার করুক, তা কখনোই তাদের পরিপূর্ণ কৃতজ্ঞতা আদায়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট হবে না এবং এর সমপর্যায়েও পৌঁছুবে না।
০৮. যুরআ ইবনু ইবরাহীম (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কাছে এসে বলল, 'আমার মা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। এমনকি আমার পিঠে না চড়ে তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজন পর্যন্ত সারতে পারেন না। আমাকে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে তাকে পরিচ্ছন্ন করতে হয়। আমি কি তাঁর হক আদায় করতে পেরেছি?' তিনি বললেন, 'না। পারোনি।' সে বলল, 'আমি কি তাকে নিজের পিঠে বহন করিনি এবং তার প্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করিনি?' তিনি জবাব দিলেন, 'তোমার মা-ও তোমার জন্য অনুরূপ করেছেন। তবে তিনি তখন তোমার জন্য দীর্ঘ হায়াত কামনা করতেন। আর এখন তুমিও তোমার মায়ের সেবা করছো, কিন্তু অপেক্ষার প্রহর গুনছ, কখন তিনি বিদায় নিবেন!' [১৬]
০৯. মুহাম্মাদ ইবনু আইয়ূব আযদি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, 'উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) একবার এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে তার মাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে আর বলছে, 'এখন আমি আমার মাকে বহন করছি। একদিন তিনিও আমাকে বহন করেছিলেন এবং দুধ পান করিয়েছিলেন।' তখন উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাকে বললেন, 'না, এতে তুমি তোমার মায়ের এক বিন্দু ঋণও শোধ করতে পারোনি।'
১০. ঈসা ইবনু মা'মার (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, 'উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) এক ব্যক্তিকে দেখলেন সে তার মাকে নিজের পিঠে পাখির মতো বহন করে কা'বা ঘর তাওয়াফ করছে এবং বলছে, 'আমি আমার মাকে বহন করে চলছি। একদিন তিনিও আমাকে বহন করেছিলেন এবং দুধ পান করিয়েছিলেন।' উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) এটা শুনে বললেন, 'আমি যদি আমার মাকে পেতাম এবং তুমি যেমন তার সেবা করছো, সেরকম সেবা করতে পারতাম, তবে তা আমার কাছে
টিকাঃ
১৪. আবু নুআইম, হিলইয়া, ৫/৩৩; হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৪/১৫৪, হাসান।
১৫. ইবনু কুতাইবা দীনাওয়ারি, উয়ূনুল আখবার, ৩/১০৫।
১৬. যামাখশারি, রবীউল আবরার ওয়া নুসুসুল আখইয়ার, ৪/২৯৭।
📄 মা-বাবার সেবা করার ফযীলত
১৩. আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, 'এক ব্যক্তি এসে নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে জিহাদের অনুমতি প্রার্থনা করল। তিনি তাকে বললেন,
أَحَيُّ وَالِدَاكَ؟ "তোমার মাতাপিতা কি জীবিত আছেন?”
সে বলল, 'হ্যাঁ। তারা জীবিত আছেন।'
তখন তিনি তাকে বললেন, فَفِيهِمَا فَجَاهِدُ "তাহলে তাদের খেদমতেই খুব আন্তরিকতার সাথে নিজেকে নিয়োজিত রাখো।”[২০]
১৪. আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাইআত হতে এসে বলল, 'আমার বাবা-মাকে ক্রন্দনরত অবস্থায় রেখে আপনার কাছে হিজরতের ওপর বাইআত হতে এসেছি।'
তখন তিনি তাকে বললেন,
فَارْجِعْ إِلَيْهِمَا فَأَضْحِكْهُمَا كَمَا أَبْكَيْتَهُمَا "তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও। আর যেভাবে তাদেরকে কাঁদিয়েছ সেভাবে তাদের মুখে হাসি ফুটাও।"[২১]
১৫. আবূ সাঈদ খুদরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি ইয়ামান থেকে রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হিজরত করে এল। তখন রাসূল )সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, هَلْ بِالْيَمَنِ أَبْوَاك “ইয়ামানে কি তোমার মাতাপিতা আছেন?"
সে বলল, 'জ্বী, আছেন।'
তিনি জানতে চাইলেন, أَيْنا ؟ "তারা উভয়ে কি তোমাকে অনুমতি দিয়েছেন?"
সে বলল, 'না, দেননি।' তখন রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন,
ارْجِعْ إِلَى أَبَوَيْكَ فَاسْتَأْذِنُهُمَا، فَإِنْ فَعَلَا، وَإِلَّا فَبِرَّهُمَا “তোমার পিতামাতার কাছে ফিরে গিয়ে তাদের অনুমতি চাও। তারা যদি অনুমতি প্রদান করেন তাহলে ঠিক আছে। অন্যথায় তুমি তাদের সেবায় নিজেকে নিমগ্ন রাখবে।”[২২]
টিকাঃ
১৭. হান্নাদ ইবনুস সারি, আয-যুহদ, ২/৪৫৪।
১৮. হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৮/১৩৭।
১৯. বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, ১১; আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, আল-বিররু ওয়াস সিলাহ, ৩৮; বাইহাকি, শুআবুল ঈমান, ৭৯২৬।
২০. বুখারি, ৩০০৪, ৫৯৭২; মুসলিম, ২৫৪৯।
২১. বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, ১৯; আবূ দাউদ, আস-সুনান, ২৫২৮, সহীহ।
২২ আবূ দাউদ, আস-সুনান, ২৫৩০, সহীহ।
📄 আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল—পিতামাতার সেবা করা
১৮. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন, 'আমি রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, 'কোন আমল আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে বেশি প্রিয়?'
তিনি বললেন, الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا "যথা সময়ে সালাত আদায় করা।”
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, 'তারপর কোনটি?'
তিনি বললেন, ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ "পিতামাতার সেবা করা।”
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, 'তারপর কোনটি?'
তিনি বললেন, الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ "আল্লাহর পথে জিহাদ করা।”[২৫]
টিকাঃ
২৩. আবদুর রাযযাক, আল-মুসান্নাফ, ৮/৪৬৩; হাইসানি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/১৯২; এই সনদে 'রিশদীন ইবনু কুরাইব' নামক একজন বর্ণনাকারী আছেন, যার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, 'মুনকারুল হাদীস।'
২৪. তিরমিযি, আস-সুনান, ১৮৯৯, সহীহ; হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৭২৪৯; ইবনু হিব্বান, ৪২৯。
২৫. বুখারি, ৫২৭; মুসলিম, ৮৫।