📄 ঋণ পরিশোধের উত্তম পন্থা
স্বয়ং নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে প্রমাণিত আছে, তিনি যখন কারও নিকট থেকে ঋণ গ্রহণ করতেন, তখন পরিশোধ করার সময় কিছু বেশি দিতেন, যাতে ঋণদাতা খুশি হয়। কিন্তু বাড়তি আদান-প্রদানের কথা যেহেতু পূর্ব থেকে স্থির করা থাকত না, তাই এটা 'সুদ' হতো না।
হাদীসের পরিভাষায় একে 'হুস্নুল কাযা' বা 'উত্তম পরিশোধ' বলা হয়। অর্থাৎ- উত্তম পন্থায় ঋণ পরিশোধ করা, পরিশোধের সময় ভালো আচরণ করা এবং কিছু বেশি দেওয়া সুদ নয়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন পর্যন্ত বলেছেন:
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
'তোমাদের মধ্যে ঋণপরিশোধের পন্থা যার যত সুন্দর, সে তত ভালো মানুষ।' (বুখারী, হাদীস নং ২২১৮, নাসায়ী, হাদীস নং ৪৫৩৯, মুসনাদে আহমাদ হাদীস নং ৮৭৪৩)
এর দ্বারা প্রমাণিত হলো, চুক্তি ও শর্ত আরোপ করে অতিরিক্ত আদায় করা সুদ। ঋণগ্রহীতা যদি কোনো প্রকার চুক্তি ব্যাতিরেকে পরিশোধের সময় কিছু বেশি প্রদান করে, তা হলে তা সুদ হবে না। বরং সেটি 'হুস্নুল কাযা'।